মিসরের কাছে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র এবং এরসঙ্গে সম্পর্কিত সরঞ্জাম বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার পেন্টাগন এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এর আনুমানিক ব্যয় ৪ দশমিক ৬৭ বিলিয়ন ডলার। খবর সংবাদমাধ্যম মিডল ইস্ট মনিটরের।
অনুমোদিত সমরাস্ত্রের মধ্যে রয়েছে রাডার সিস্টেম, শত শত ক্ষেপণাস্ত্র, লজিস্টিক এবং ইঞ্জিনিয়ারিং সহায়তা।
বিবৃতিতে মিসরকে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান মিত্র হিসেবে উল্লেখ করেছে পেন্টাগন। এতে বলা হয়, এসব অস্ত্র পেলে মিশরের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা ত্বরান্বিত হবে। এরফলে এই প্রস্তাবিত অস্ত্র বিক্রি মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বৈদেশিক নীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার লক্ষ্য পুরণে সহায়তা করবে।
প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থা (ডিএসসিএ) জানিয়েছে, ন্যাশনাল অ্যাডভান্সড সারফেস-টু-এয়ার মিজাইল সিস্টেম (এনএএসএএমএস) প্যাকেজের আওতায় থাকছে—চারটি এন/এমপিকিউ-৬৪ সেনটিনেল রাডার সিস্টেম, শত শত ক্ষেপণাস্ত্র এবং ডজনখানেক গাইডেন্স ইউনিট।
এনএএসএএমএস হলো—যুক্তরাষ্ট্র ও নরওয়ের যৌথভাবে উন্নয়নকৃত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, যা শত্রুপক্ষের যুদ্ধবিমান, ড্রোন এবং ক্রুজ মিজাইল প্রতিহত করতে সক্ষম।
এই অস্ত্র বিক্রির প্রধান ঠিকাদার হবে বহুজাতিক বিমান ও প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা ম্যাসাচুসেটস ভিত্তিক আরটিএক্স করপোরেশন। ডিএসসিএ জানিয়েছে, এই বিক্রয় অনুমোদনের বিষয়ে এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসকে প্রয়োজনীয় অনুমোদনপত্র পাঠিয়েছে।
এটি অনুমোদিত হলে, প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত ও সরবরাহ সহায়তা প্রদানের জন্য প্রায় ২৬ জন মার্কিন সরকারি কর্মচারী এবং ৩৪ জন ঠিকাদার মিশরে ভ্রমণ করবেন। মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিনের মার্কিন মিত্র কায়রো, ১৯৭৯ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে ওয়াশিংটন থেকে প্রতিরক্ষা সহায়তা পেয়ে আসছে।
আরএ