হোম > বিশ্ব

২০ বছর আগে পদাবনতি, গ্রহের মর্যাদা আবার কি ফিরে পাবে প্লুটো

আমার দেশ অনলাইন

প্লুটোকে গ্রহ বলা হবে, নাকি বামন গ্রহ—এ বিতর্কের বয়স দুই দশক হলেও বিতর্ক এখনো শেষ হয়নি। ২০০৬ সালের আগস্টে আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান সংঘের (আইএইউ) সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে প্লুটোকে গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দিয়ে বামন গ্রহ হিসেবে পুনঃশ্রেণিবদ্ধ করেন। তবে গত ২০ বছরে গ্রহ-ব্যবস্থা সম্পর্কে মানুষের জ্ঞান ও ধারণা অনেক বেড়েছে। ফলে এখন প্রশ্ন উঠছে, সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্ত কি আবার পর্যালোচনা করার সময় এসেছে? প্লুটোকে কি আবার গ্রহের মর্যাদা দেওয়া উচিত?

আইএইউর ভোটের কয়েক বছর আগ থেকেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি অংশ সৌরজগতের নয়টি গ্রহের বদলে সংখ্যা আটটিতে নামিয়ে আনার এবং প্লুটোর গ্রহের মর্যাদা বাতিলের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছিলেন। ২০০০ সালে নিল ডিগ্রাস টাইসন নিউইয়র্কের হেইডেন প্ল্যানেটেরিয়ামের গ্রহ প্রদর্শনী থেকেও প্লুটোকে সরিয়ে দেন। তবে প্লুটোর অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন আরো আগে, ১৯৯০-এর দশকেই শুরু হয়েছিল। তখন নেপচুনের বাইরে কুইপার বেল্টে প্লুটোর মতো কক্ষপথে থাকা বেশ কিছু দূরবর্তী মহাজাগতিক বস্তুর সন্ধান পাওয়া যায়।

বিতর্ক তীব্র হয় ২০০৫ সালের জুলাইয়ে এরিস নামের একটি বস্তু আবিষ্কারের পর। সূর্য থেকে এরিসের দূরত্ব প্লুটোর চেয়েও বেশি এবং আকারো প্লুটোর কাছাকাছি। তখন প্রশ্ন ওঠে, এরিস যদি দশম গ্রহ হয়, তাহলে প্লুটোকে কীভাবে গ্রহ বলা হবে? আর যদি এরিস গ্রহ না হয়, তাহলে প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে রাখার যুক্তিই বা কী?

এর এক বছর পর আইএইউর বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সেখানে নানা জটিল প্রশ্ন নিয়ে মতবিনিময় করেন। একাধিক প্রস্তাব ও পাল্টা প্রস্তাব আসে। কোনো কোনো প্রস্তাবে স্বীকৃত গ্রহের সংখ্যা ১৪ পর্যন্ত বাড়ানোর কথাও বলা হয়। শেষ পর্যন্ত প্লুটোকে বামন গ্রহ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ছিল শুধু ‘পুনঃশ্রেণিবিন্যাস’। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে বিষয়টি অনেকটা প্লুটোর ‘পদাবনতি’ হিসেবে দেখা দেয়। আইএইউর সিদ্ধান্তের বিরোধিতাকারী বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন অ্যালান স্টার্ন, যিনি প্লুটো অভিযানের নিউ হরাইজনস মিশনের প্রধান তদন্তকারী। তার মহাকাশযান ২০০৫ সালে যাত্রা শুরু করেছিল একটি গ্রহের উদ্দেশে, কিন্তু ২০১৫ সালে প্লুটোর কাছে পৌঁছায় বামন গ্রহ হিসেবে পরিচিত একটি জগতের কাছে।

অনেকে যুক্তি দিয়েছিলেন, প্লুটো ছোট হলেও এক ধরনের গ্রহ। তবে আইএইউ প্লুটোকে ১৩৪৩৪০ নম্বরের একটি ক্ষুদ্র গ্রহ নম্বর দেয়, যা সাধারণত গ্রহাণুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। যুক্তরাষ্ট্রে কিছু জাতীয়তাবাদী যুক্তিও সামনে আসে—প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে রাখা উচিত, কারণ এটি ১৯৩০ সালে মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী ক্লাইড টমবাউ অ্যারিজোনার লোয়েল অবজারভেটরিতে আবিষ্কার করেছিলেন। পরে নিউ হরাইজনস প্লুটোর কাছে পৌঁছে দেখায়, এটি কোনো সাধারণ ক্ষুদ্র মহাজাগতিক বস্তু নয়; বরং নিজস্ব বৈশিষ্ট্যে অত্যন্ত জটিল একটি জগত।

প্লুটো কি আবার গ্রহ হতে পারে?

২০ বছর ধরে প্লুটো বামন গ্রহ হিসেবেই রয়েছে। তবে আইএইউর সেই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তের ২০ বছর পূর্তিতে বিষয়টি নতুন করে পর্যালোচনা করা উচিত কি না, সেই প্রশ্ন আবার সামনে এসেছে। ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি ইন সেন্ট লুইসের গ্রহবিষয়ক জ্যোতির্বিজ্ঞানী পল বাইর্ন মনে করেন, সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।

বাইর্ন বলেন, ‘হ্যাঁ, প্লুটো একটি গ্রহ।’ শুধু প্লুটো নয়, সেরেস, এরিস, মাকেমাকে ও হাওমিয়াকেও তিনি গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করেন। তার মতে, সেডনা ও কোয়ারের মতো বস্তুগুলোও কার্যত বামন গ্রহ। তিনি বলেন, শেষ পর্যন্ত এগুলো সবাই গ্রহ এবং প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত না করার মধ্যে কোনো লাভ নেই। বাইর্ন অবশ্য স্বীকার করেন, পুরো বিতর্কটি অনেকাংশে সংজ্ঞা বা শব্দ ব্যবহারের বিষয়। তার মতে, প্লুটোকে আমরা কী নামে ডাকছি, তা নিয়ে প্রকৃতি মাথা ঘামায় না।

তবে মানুষের ধারণার ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। বাইর্নের মতে, আইএইউর ২০০৬ সালের সিদ্ধান্ত এখানেই সমস্যায় পড়েছে। তিনি জানান, গ্রহ নিয়ে জনসাধারণের সামনে বক্তব্য দেওয়ার সময় মানুষ প্লুটোর সক্রিয় নাইট্রোজেনের হিমবাহ কিংবা এর বিশাল হৃদয়াকৃতির ভূ-প্রকৃতি কীভাবে তৈরি হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন করে না। বরং তারা জানতে চায়, প্লুটোকে কেন গ্রহের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হলো। ফলে সিদ্ধান্তটি প্লুটো নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনার পরিবর্তে এর শ্রেণিবিন্যাসের বিতর্ককেই সামনে নিয়ে এসেছে।

আইএইউর গ্রহের সংজ্ঞা কী?

২০০৬ সালে আইএইউ একটি মহাজাগতিক বস্তুকে গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তিনটি শর্ত নির্ধারণ করে।

প্রথমত, বস্তুটিকে জলস্থির ভারসাম্যে থাকতে হবে। অর্থাৎ তার নিজস্ব মহাকর্ষ তাকে প্রায় গোলাকার আকারে পরিণত করবে। একই সঙ্গে এর অভ্যন্তরে ভারী উপাদানগুলো কেন্দ্রে নেমে গিয়ে অভ্যন্তরীণ স্তরবিন্যাস তৈরি করবে। এই শর্তের বিষয়ে সাধারণত বিজ্ঞানীদের মধ্যে বড় ধরনের মতবিরোধ নেই।

দ্বিতীয়ত, বস্তুটিকে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে হবে। এ কারণেই কোনো উপগ্রহকে গ্রহ বলা হয় না, কারণ উপগ্রহ সরাসরি সূর্যকে নয়, একটি গ্রহকে প্রদক্ষিণ করে। তবে এই সংজ্ঞা কঠোরভাবে প্রয়োগ করলে অন্য নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করা বহির্গ্রহগুলোও গ্রহ হিসেবে পড়ে না। বাস্তবে অবশ্য তারা নিজেদের নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করে বলে তাদের গ্রহ হিসেবেই বিবেচনা করা হয়।

এ ছাড়া মহাকাশে মুক্তভাবে ঘুরে বেড়ানো ‘রোগ প্ল্যানেট’ বা ভাসমান গ্রহ নিয়েও সংজ্ঞাটিতে প্রশ্ন রয়েছে। এসব গ্রহের অনেকগুলো হয়তো কোনো নক্ষত্রকে প্রদক্ষিণ করার সময় তৈরি হয়েছিল এবং পরে মহাকর্ষীয় প্রভাবে সেই কক্ষপথ থেকে ছিটকে যায়। কিন্তু কিছু ভাসমান গ্রহ হয়তো সরাসরি গ্যাসের মেঘ ধসে তৈরি হয়েছে, কোনো নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে নয়। আইএইউর সংজ্ঞায় এসব বস্তুর অবস্থান স্পষ্ট নয়।

তৃতীয় শর্তটিই সবচেয়ে বেশি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। এই শর্ত অনুযায়ী, কোনো গ্রহকে তার কক্ষপথের আশপাশের অঞ্চলকে মহাকর্ষীয়ভাবে ‘পরিষ্কার’ করতে হবে। অর্থাৎ তার কক্ষপথের আশপাশে থাকা অন্যান্য বস্তুগুলোর ওপর তাকে প্রভাবশালী হতে হবে। প্লুটো এই শর্ত পূরণ করে না। কারণ তার কক্ষপথ নেপচুনের কক্ষপথের সঙ্গে সম্পর্কিত এবং তার আশপাশে কুইপার বেল্টের আরও অনেক বস্তু রয়েছে।

কিন্তু এই যুক্তি নিয়ে প্রশ্নও আছে। প্লুটো যদি নেপচুনের কক্ষপথের এলাকায় অবস্থান করায় সমস্যা হয়, তাহলে নেপচুনের গ্রহত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। একইভাবে পৃথিবীর কাছাকাছি থাকা গ্রহাণুগুলোর অস্তিত্ব কি পৃথিবী তার কক্ষপথের আশপাশ পুরোপুরি পরিষ্কার করতে পারেনি—এমন যুক্তি তৈরি করে না? তাই গ্রহের সংজ্ঞার এই অংশে কিছু অস্পষ্টতা রয়েছে বলে মনে করেন সমালোচকেরা। ২০ বছর আগে তাড়াহুড়ো করে নেওয়া ভোটের কারণেও এই সমস্যা তৈরি হয়ে থাকতে পারে।

গ্রহের সংজ্ঞা বদলানো হলে কী হবে?

আইএইউর সিদ্ধান্ত বাতিল করা হলে নতুন করে গ্রহ শ্রেণিবিন্যাসের পদ্ধতি কী হবে—এ নিয়েও বাইর্নের নিজস্ব ধারণা রয়েছে।

তিনি মনে করেন, কোনো মহাজাগতিক বস্তু গোলাকার হওয়ার মতো বড় এবং তার অভ্যন্তরে কিছু মাত্রায় স্তরবিন্যাস বা রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটেছে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ। ভূ-ভৌত দিক থেকে কোনো বস্তু নিজের মহাকর্ষে গোলাকার হয়ে ওঠার মতো বড় হলে সেখানে অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক প্রক্রিয়া এবং সক্রিয় ভূতাত্ত্বিক কর্মকাণ্ডও ঘটতে পারে। এর মধ্যে বায়ুমণ্ডল তৈরির জন্য গ্যাস নির্গমন, আগ্নেয়গিরির কার্যক্রম, পৃষ্ঠের ভূ-প্রকৃতির পরিবর্তন কিংবা অল্প সময়ের জন্য চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি হওয়ার মতো প্রক্রিয়া থাকতে পারে। এই কারণেই তিনি চাঁদকেও গ্রহ হিসেবে বিবেচনা করেন। কারণ চাঁদে এ ধরনের গ্রহসদৃশ প্রক্রিয়া ঘটেছে।

বাইর্ন স্বীকার করেন, বৃহস্পতি ও অন্যান্য গ্যাসীয় দৈত্যদের ক্ষেত্রে একই বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় না, কারণ তাদের কঠিন পৃষ্ঠ নেই। তবু বৃহস্পতির গ্রহত্ব নিয়ে কেউ প্রশ্ন তোলে না। আবার ইউরেনাস ও নেপচুনের গভীরে কোনো ধরনের সুপার-আর্থ বা পৃথিবীর চেয়ে বড় কঠিন জগত রয়েছে কি না, সেটিও বিজ্ঞানীরা এখনো নিশ্চিতভাবে জানেন না।

বাইর্ন ‘বামন’ শব্দটিকেও খুব পছন্দ করেন না। তার মতে, শব্দটি এমন ধারণা তৈরি করে যেন গ্রহগুলোর মধ্যে একটি শ্রেণিবিন্যাস রয়েছে—যেখানে গ্যাসীয় দৈত্যগুলো ওপরের স্তরে এবং বামন গ্রহগুলো নিচের স্তরে।

তিনি মনে করেন, প্রকৃতিতে এমন কোনো স্বাভাবিক শ্রেণিবিন্যাস নেই। প্লুটো, এরিস ও অন্যান্য বামন গ্রহ সৌরজগত গঠনের সময় পড়ে থাকা উপাদান থেকেই তৈরি হয়েছে এবং অন্যান্য গ্রহের মতোই ছোট ছোট উপাদান একত্রিত হয়ে এগুলো বৃহৎ মহাজাগতিক বস্তুতে পরিণত হয়েছে।

সৌরজগতে যদি ২০০ গ্রহ থাকে?

প্লুটোকে গ্রহ হিসেবে ফিরিয়ে আনার বিরোধীদের একটি যুক্তি হলো, যদি প্লুটোর মতো প্রায় ২০০টি বস্তু গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি পায়, তাহলে প্লুটো আর বিশেষ কিছু থাকবে না। বরং বামন গ্রহ হিসেবে এটি একই ধরনের অসংখ্য জগতের প্রতিনিধিত্ব করে। অর্থাৎ ছোট একটি পুকুরে বড় মাছ হয়ে থাকা, নাকি বড় পুকুরে ছোট মাছ হয়ে যাওয়া—বিষয়টি অনেকটা সেই পছন্দের মতো।

তবে আসল পরীক্ষা হবে তখনই, যখন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা সূর্য থেকে অনেক দূরে এসব সম্ভাব্য গ্রহের সন্ধান শুরু করবেন। যদি সবগুলোই প্লুটোর কাছাকাছি আকারের হয়, তাহলে হয়তো বড় কোনো বিতর্ক হবে না। কিন্তু যদি কোনো দিন মঙ্গল গ্রহের সমান বা এমনকি পৃথিবীর মতো বড় কোনো বস্তু আবিষ্কৃত হয়, তখন সেটিকে গ্রহ হিসেবে ভাবাই স্বাভাবিক হবে।

এমন কোনো বস্তু হয়তো একসময় সূর্যের কাছাকাছি তৈরি হয়েছিল এবং বৃহৎ গ্রহগুলোর মহাকর্ষীয় প্রভাবে দূরে ছিটকে গেছে। আবার এমনও হতে পারে, এটি সৌরজগতের বাইরের অংশেই প্লুটোর মতো অবশিষ্ট উপাদান থেকে তৈরি হয়েছে।

বাইর্নের মতে, আইএইউর সংজ্ঞা অনুযায়ী এমন কোনো বস্তু গ্রহ হিসেবে স্বীকৃতি পাবে না, কারণ সেটি নিজের কক্ষপথের আশপাশ পরিষ্কার করতে পারবে না। তার ভাষায়, এমন কোনো গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেলে শুধু কোথায় আছে তার ভিত্তিতে নয়, বরং বস্তুটি আসলে কী—তার ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস করার প্রয়োজনীয়তা আরও স্পষ্ট হবে।

তবে প্লুটোকে আবার গ্রহের মর্যাদা দিতে হলে বৈজ্ঞানিক কারণেই তা করতে হবে। শুধু পুরোনো স্মৃতি, জাতীয়তাবাদী আবেগ কিংবা শিশুদের সহজে গ্রহের নাম মনে রাখানোর সুবিধা—এসব আইএইউর আগের সিদ্ধান্ত বাতিল করার যথেষ্ট কারণ হতে পারে না। বরং ‘বামন গ্রহ’ নামটির পরিবর্তে আরো উপযুক্ত কোনো শ্রেণি তৈরি করা হতে পারে একটি সম্ভাব্য সমাধান।

আরেকটি সম্ভাবনা হলো, আমরা হয়তো নতুন আবিষ্কৃত মহাজাগতিক বস্তুগুলোর প্রকৃতি বোঝানোর মতো যথেষ্ট শব্দই এখনো তৈরি করতে পারিনি। গ্রহের ধারণা হাজার বছরের পুরোনো। তখন মানুষ জানত না, আকাশে ঘুরে বেড়ানো এসব ‘তারা’ আসলে কী। তাই আধুনিক জ্যোতির্বিজ্ঞানের নতুন ধরনের জগতের ক্ষেত্রে ‘গ্রহ’ শব্দটি প্রয়োগ করতে গিয়ে জটিলতা তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

যদি এসব মহাজাগতিক বস্তুকে শ্রেণিবিন্যাস করার এমন কোনো পদ্ধতি না পাওয়া যায়, যা সবার কাছে সামঞ্জস্যপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য, তাহলে হয়তো তাদের কী নামে ডাকা হবে—এ নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করাই ভালো।

শেষ পর্যন্ত প্লুটোকে যে নামেই ডাকা হোক না কেন, প্লুটো সবসময়ই প্লুটোই থাকবে।

সূত্র: স্পেস

এআরবি

শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ করলেন ম্যাক্রোঁ

মধ্যপ্রাচ্য সংকটের কূটনৈতিক সমাধানের আহ্বান শি জিনপিংয়ের

সৌদি তেলবাহী ট্যাংকারে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি হুতিদের

ইউরোপীয় দুই আইনপ্রণেতাকে দেশে ঢুকতে দিল না ইসরাইল

সিরিয়ার আসাদপন্থি ‘ব্যারেল বোমা মুফতি’ খ্যাত হাসুনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

যুদ্ধবিরতির মাঝেই গাজায় হামাস যোদ্ধাকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছে বিজেপি সরকার, ফের রাস্তায় নামার ঘোষণা ককরোচদের

৪৫ ট্যাংকারকে কালো তালিকাভুক্ত করল ইরান

ইউক্রেনকে ৬১০ কোটি ইউরোর নতুন প্রতিরক্ষা সহায়তা অনুমোদন ইইউর

ইরানভীতিকে কাজে লাগিয়ে আরব দেশগুলোর কোষাগার খালি করছে আমেরিকা