যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের মহাপরিদর্শক বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের ফলে গোলাবারুদের ‘ঘাটতি’ তৈরি হয়েছে এবং পুনরায় সরবরাহে একটি অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। বক্তব্যটি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবির সঙ্গে সাংঘর্ষিক, কারণ তিনি বারবার অস্বীকার করেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ঘাটতির মুখে রয়েছে।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের গোলাবারুদ সরবরাহ ‘প্রায় সীমাহীন’ এবং এ-সংক্রান্ত ভিন্ন ধরনের প্রতিবেদনকে তিনি ‘ভুয়া খবর’ বলেও উল্লেখ করেছেন।
তবে স্বাধীন তদারকি সংস্থা জানিয়েছে, ফেব্রুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত সময়ে যুক্তরাষ্ট্র গোলাবারুদ খাতে ২২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি ব্যয় করেছে, যার ফলে ‘কৌশলগত মজুদের ঘাটতি’ তৈরি হয়েছে।
এই প্রতিবেদনের বিষয়ে জানতে চাইলে হোয়াইট হাউস বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে “প্রয়োজনের তুলনায় যথেষ্ট বেশি” গোলাবারুদ রয়েছে।
প্রতিবেদনটি যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রের মজুদ সম্পর্কে স্বাধীনভাবে পাওয়া প্রথম ধরনের একটি ধারণা তুলে ধরেছে। সাধারণত এ ধরনের তথ্য গোপনীয় হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ থাকে।
এর আগে বিভিন্ন মূল্যায়নে যুক্তরাষ্ট্রের ঘাটতির একটি উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়েছিল।
যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী দীর্ঘপাল্লার স্থল হামলা ব্যবস্থার পাশাপাশি ইরানের হামলা প্রতিহত করতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে।
জুলাইয়ের শেষ দিকে সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস)-এর এক মূল্যায়নে দেখা যায়, কিছু প্রতিরোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ, যেমন প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র এবং টার্মিনাল হাই অলটিটিউড এরিয়া ডিফেন্স (থাড), উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। কিছু ক্ষেত্রে এ ঘাটতি অর্ধেকেরও বেশি ছিল।
এমএমআর