ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে বৈধ শরণার্থীদের মধ্যে যারা গ্রিন কার্ড পায়নি; তাদেরকেও অনির্দিষ্টকালের জন্য আটকে রাখা যাবে। জাতীয় নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং শরণার্থীদের অতিরিক্ত স্ক্রিনিংয়ের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে দেশটির নিরাপত্তা বিভাগ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বার্তা সংস্থা সিএনএন কর্তৃক প্রাপ্ত যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা বিভাগের স্মারকলিপি অনুসারে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের এক বছর পরেও যেসব শরণার্থী বৈধ স্থায়ী বাসিন্দা হতে ব্যর্থ; তাদেরকে অভিবাসন কর্মকর্তারা গ্রেপ্তার ও আটক করতে পারবেন। দেশটির বিচার বিভাগের আইনজীবীরা ফেডারেল আদালতে এটি জমা দিয়েছেন।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, যখন একজন শরণার্থী যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করে, তখন সেটি শর্তসাপেক্ষ থাকে এবং এক বছর পর তা বাধ্যতামূলক পর্যালোচনা করা হয়। তাই আটক শরণার্থীরা ‘পরিদর্শন ও যাচাই’ প্রক্রিয়াকালে হেফাজতে থাকবেন।
স্মারকলিপিটি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা পরিচালক জোসেফ এডলো এবং ভারপ্রাপ্ত মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী পরিচালক টড লিয়ন্স জারি করেছেন। এর ফলে শরণার্থীদের নিয়ে পূর্ববর্তী সরকারের নীতি বাতিল হয়েছে।
নতুন স্মারকলিপি অনুসারে, শরণার্থীদের আবেদনপত্র জমা দিয়ে এবং অভিবাসন পরিষেবায় নির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্টে উপস্থিত হয়ে স্বেচ্ছায় হেফাজতে ফিরিয়ে আনার জন্য বিবেচনা করা হতে পারে। এতে বলা হয়, আটক ও যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তা শরণার্থীদের এক বছর পর পুনরায় যাচাই নিশ্চিত করে।
পূর্ববর্তী নীতিমালা অনুযায়ী, এক বছর পর গ্রিন কার্ড পেতে ব্যর্থ হলে শরণার্থীদের আটক কিংবা আমেরিকা থেকে বের করে দেওয়া হতো না। বরং গ্রেপ্তার করা শরণার্থীদের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে মুক্তি দেওয়া হতো কিংবা নিরাপত্তা বিভাগ বহিষ্কার প্রক্রিয়া শুরু করতো।