সাবেক মার্কিন কর্মকর্তা
চীনের আগ্রাসন রোধে তাইওয়ানকে অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করা স্থিতিশীলতা বজায় রাখার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিক। এর ফলে বেইজিংয়ের সামনে তাদের মধ্যকার মতপার্থক্য নিরসনে শান্তিপূর্ণ পথ বেছে নেওয়া ছাড়া আর কোনো বিকল্প থাকবে না।
মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সাবেক কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড্রিউ থম্পসন আল-জাজিরাকে এসব কথা বলেছেন। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বেইজিং সফরের সময় শি জিনপিংয়ের সঙ্গে উষ্ণ সম্পর্কের বহিঃপ্রকাশ দেখা গেলেও তাইওয়ানের জন্য ঘোষিত রেকর্ড ১১ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র প্যাকেজ থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে আসার সম্ভাবনা কম বলে তিনি জানান।
থম্পসন যুক্তি দেখান, অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত হিসাব-নিকাশ অর্থনৈতিক। ট্রাম্প একে মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করার অংশ হিসেবে দেখেন এবং এটি রপ্তানি ও রাজস্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
তিনি আরো বলেন, ট্রাম্পের ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ যা-ই হোক না কেন, বৃহত্তর যুক্তিটি অপরিবর্তিত থাকে। অস্ত্র বিক্রির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চীন এতে অসন্তুষ্ট হবে, তবে ১৯৭৯ সালে সংস্কার ও উন্মুক্তকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে এটি মার্কিন-চীন সম্পর্কের একটি নিয়মিত বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
তাইওয়ান নিয়ে সম্ভাব্য সংঘাতের বিষয়ে থম্পসন বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়েরই এ ধরনের পরিস্থিতি এড়ানোর বিষয়ে একটি নীরব পারস্পরিক স্বার্থ রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘চীনও একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান চায়। তারা শক্তি প্রয়োগ করতে চায় না। তারা এমন কোনো আক্রমণ শুরু করতে চায় না যা ব্যর্থ হতে পারে।’
সূত্র: আলজাজিরা
এএম