হোম > বিশ্ব > আমেরিকা

আলোচনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের ভিন্ন বক্তব্য, পরিস্থিতি অনিশ্চিত

আমার দেশ অনলাইন

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা ও সম্ভাব্য যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ভিন্নমত পোষণ করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অনিশ্চিত করে তুলেছে।

শনিবার ডোনাল্ড ট্রাম্প তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশালে এক পোস্টে ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দেন। তিনি হুমকি দেন, যদি ইরান হরমুজ প্রণালি ‘হুমকিমুক্তভাবে’ খুলে না দেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাবে।

তবে সোমবার ট্রাম্প ওই সময়সীমা পাঁচ দিন বাড়িয়ে দেন এবং বলেন, ইরানকে ‘আরেকটি সুযোগ’ দেওয়া হয়েছে। তিনি দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যে ‘সম্পূর্ণ ও চূড়ান্তভাবে সংঘাতের সমাধান’ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। খবর বিবিসির।

অন্যদিকে, ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ-বাঘের গালিবাফ এ ধরনের কোনো আলোচনার কথা অস্বীকার করেছেন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়নি’ এবং ‘ভুয়া খবরের মাধ্যমে আর্থিক ও তেলবাজারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা চলছে।’

তবে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে জানিয়েছেন, মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কিছু প্রস্তাব ইরান পেয়েছে এবং তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

সিবিএস নিউজ জানায়, এটি সম্ভাব্য আলোচনার পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে দেখা যেতে পারে, তবে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়নি।

এদিকে হোয়াইট হাউসও সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়ে বলেছে, পরিস্থিতি ‘পরিবর্তনশীল’ এবং কোনো বৈঠক সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসা পর্যন্ত তা নিশ্চিত বলে ধরে নেওয়া উচিত নয়।

এসআর

হঠাৎ সবাই হাবীবীর অর্থ খোঁজা শুরু করলো যে কারণে

নিজেদের না খাইয়ে ইসরাইলিদের বিনোদনের ব্যবস্থা করছেন ট্রাম্প: কার্লসন

যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ স্পিকার হতে যাওয়া কে এই হাকিম জেফ্রিস

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ইতিহাস গড়লেন হিজাবধারী পাঁচ মুসলিম নারী

ইরান যুদ্ধের জেরে ক্ষীণ হচ্ছে ভ্যান্সের প্রেসিডেন্ট হওয়ার সম্ভাবনা

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ তুঙ্গে

যেসব কারণে এত বাজেভাবে হেরেছেন রিপাবলিকানরা

এখনো ঝুলে আছে প্রতিনিধি পরিষদের ২৪ আসনের ফল

আবদুল আল-সাইয়েদের স্ত্রী সারা জুকাকু, দুই মহাদেশের দুই সংস্কৃতির অনন্য সংযোগ

মূল্যস্ফীতির জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটার