নাইন ইলেভেন সন্ত্রাসী হামলার ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনে হামলার স্থানটি স্মরণ করা হয়েছে। স্থানীয় সময় ভোরের পর নিয়ম অনুযায়ী, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট ৭৭ যে অংশে আঘাত হেনেছিল, ভবনের সেই পাশে উন্মোচন করা হয় মার্কিন পতাকা। খবর বিবিসির।
২০০১ সালের ওই হামলায় পেন্টাগনের ভেতরে থাকা ১২৫ জন নিহত হন। একই সঙ্গে ফ্লাইট ৭৭-এর ৫৯ জন যাত্রী ও ক্রু প্রাণ হারান।
যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার এক বছরের মধ্যেই পেন্টাগনের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ পুনর্নির্মাণ করা হয়। বিমানটি যে স্থানে আঘাত করেছিল, সেখানে এখন একটি স্মরণকেন্দ্রের প্রার্থনাকক্ষ রয়েছে। হামলার স্মৃতি ধরে রাখতে আরও একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হচ্ছে, যা চলতি দশকের শেষ দিকে চালু হওয়ার কথা রয়েছে।
হামলার পরও পেন্টাগনের কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র আক্রান্ত হওয়ার পর বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর সদস্যরা দ্রুতই দেশটির পাল্টা পদক্ষেপের পরিকল্পনা শুরু করেন।
তবে ২৫ বছর আগে খুব কম মানুষই হয়তো কল্পনা করতে পেরেছিলেন যে মার্কিন সৈন্যরা আফগানিস্তানে দুই দশক সময় কাটাবে; আর তার চেয়েও কম মানুষ হয়তো ভেবেছিলেন যে, শেষ পর্যন্ত তাদের সেখান থেকে অত্যন্ত অসম্মানজনক ও বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে বিদায় নিতে হবে—এমন এক পরিস্থিতিতে যখন আল-কায়েদার মূল পৃষ্ঠপোষক সেই তালেবানরাই আবার ক্ষমতায় ফিরে আসছে।
এবার ৯/১১-এর স্মরণ অনুষ্ঠানে নিউইয়র্কের গ্রাউন্ড জিরোর পরিবর্তে পেন্টাগনকে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের দিকে তাই বিশ্বজুড়ে বিশেষ নজর থাকবে।
এমএমআর