শনিবার ইতালির রাজধানী রোম ও মিলানসহ আটটি শহরে পরিকল্পিত বিক্ষোভ ঘিরে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হচ্ছে বিপুলসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী।
বাজেট বরাদ্দ কমানো এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, বিশেষ করে বাসাভাড়া ও জ্বালানির মূল্য নিয়ে শিক্ষার্থী, ট্রাকচালক ও কৃষকদের ধারাবাহিক বিক্ষোভ চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে এসব কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
রোমের পুলিশ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, বিক্ষোভ পর্যবেক্ষণে ড্রোন ও হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আইন মেনে চলার শর্তে মত প্রকাশের অধিকার, এমনকি ভিন্নমত প্রকাশের অধিকারও সম্পূর্ণভাবে রক্ষা করাই আমাদের লক্ষ্য।’
মিলানে গত সপ্তাহান্তের বিক্ষোভের পর অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে। এসব সেনা শহরের কেন্দ্রীয় এলাকায় টহল দেবে। তবে শহর বন্ধ করে দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন মেয়র জুসেপ্পে সালা।
রেডিও লোমবার্দিয়াকে তিনি বলেন, ‘গত সপ্তাহান্তে আমাদের লোকবল যথেষ্ট ছিল না। এবার আমরা শুধু নিরাপত্তাকর্মীর সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করব।’
গত সপ্তাহান্তে মিলানের কয়েকটি অভিজাত ফ্যাশনবিষয়ক দোকানে লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এরপর কয়েকটি দোকান বন্ধ রাখা হয়, আবার কিছু দোকানের কাচের জানালায় থাকা পণ্যের প্রদর্শনী সরিয়ে নেওয়া হয়। শনিবার দোকানপাট খোলা রাখার জন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সালা।
শুক্রবার তিনি বলেন, ‘আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়লে সবকিছু থেমে যায়।’
‘অক্টোবর ১৭ আন্দোলন’ নামে একটি সংগঠন ইতালির আটটি শহরে শনিবার গ্রিনিচ মান সময় অনুযায়ী দুপুর ১টায় বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।
সূত্র: বাসস
আরএ