হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

পানির দাবিতে মেক্সিকোতে বিক্ষোভ, সহিংসতা

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

মেক্সিকোর পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর গুয়াদালাজারায় পানির সংকট ও দূষণের প্রতিবাদে বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। রোববারের এ বিক্ষোভ নিয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো রাজপথে নামেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ সময় মুখোশধারীদের একটি দল রাজ্য কংগ্রেস ভবনের প্রবেশপথে বিস্ফোরক বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। খবর আনাদোলুর।

গুয়াদালাজারা মহানগর এলাকার বাসিন্দারা বছরের পর বছর ধরে পানি সরবরাহের সমস্যায় ভুগছেন। তাদের অভিযোগ, কল দিয়ে কখনো পানি পাওয়া যায় না, আবার কখনো কালো ও দুর্গন্ধযুক্ত পানি আসে।

চলতি মাসের শুরুতে জলিসকো রাজ্যের গভর্নর পাবলো লেমুস পানীয় জলের এ সংকটকে ‘নজিরবিহীন’ বলে উল্লেখ করেন। একই সময়ে স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের পরীক্ষায় পানির সরবরাহব্যবস্থায় কলিফর্ম ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি ধরা পড়ে।

রোববারের বিক্ষোভের একপর্যায়ে মুখোশধারী কয়েকজনের সহিংস কর্মকাণ্ডে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কর্তৃপক্ষ ও বিক্ষোভের আয়োজকদের ধারণা, সহিংসতা উসকে দিতে বহিরাগতরা বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও বিভিন্ন প্রতিবেদনে কয়েকজনকে হাতুড়ি, পেট্রলবোমা ও আতশবাজি বহন করতে দেখা যায়। এ ছাড়া দোকানপাটে লুটপাট ও ভাঙচুরের খবরও পাওয়া গেছে।

তবে বিক্ষোভকারীরা মুখোশধারীদের কর্মকাণ্ডের দায় নিতে অস্বীকৃতি জানান। সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের দল থেকে আলাদা না করা পর্যন্ত তারা মিছিল চালিয়ে যেতে রাজি হননি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গভর্নর লেমুস বলেন, শুরুতে একদল সহিংস ব্যক্তি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল। তবে বিক্ষোভের বেসামরিক আয়োজকেরা তাদের শনাক্ত করে প্রত্যাখ্যান করেন এবং মিছিল থেকে বের করে দেন।

এ ঘটনায় চুরি করা একটি পিকআপ ভ্যানে থাকা পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গাড়িটিতে পেট্রলের পাত্র পাওয়া যায়। রাজ্য কংগ্রেস ও বিচার বিভাগের ভবনের প্রবেশপথে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় তাদের সন্দেহ করা হচ্ছে।

এর আগে গত ১১ অক্টোবর গুয়াদালাজারায় প্রথম ‘মার্চ ফর ওয়াটার’ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে ১০ হাজারের বেশি মানুষ অংশ নেন। ওই বিক্ষোভে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দাঙ্গা দমন পুলিশ ও দমকলকর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পরিষ্কার পানি ব্যবহার করা হয়।

প্রথম বিক্ষোভে ৫৭ জন আহত হন এবং ৩৯ জনকে আটক করা হয়। এ সময় বিক্ষোভকারী ও সাংবাদিকদের ওপর পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ ওঠে। পরে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে ১৭ জন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে আইনি কার্যক্রম শুরু হয়। আটক ব্যক্তিরাও পুলিশের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন।

ফ্রান্সে অস্থিরতার মধ্যে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের অধিকারের পক্ষে ইইউ

আলবেনিয়ায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশ স্টেশনে আগুন

ইতালিতে বিক্ষোভের আগুন, আহত ১৪১ পুলিশ

ফ্রান্সের পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে, মেয়রদের হাতে কারফিউ জারির ক্ষমতা

ফ্রান্সে সহিংসতার দায় নিয়ে পদত্যাগ করতে চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নাকচ ম্যাক্রোঁর

ইউরোপজুড়ে কেন বিক্ষোভ, কী চাইছেন তরুণেরা

ফ্রান্সে বিক্ষোভ থেকে দাঙ্গা, জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার হুঁশিয়ারি ম্যাক্রোঁর

যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার পক্ষ নিলে তা হবে ঐতিহাসিক ভুল: জেলেনস্কি

ফ্রান্সে নজিরবিহীন সহিংসতায় সংকটে সরকার, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

কেন বিক্ষোভে উত্তাল ফ্রান্স, ক্ষোভের নেপথ্যে যেসব কারণ