হোম > বিশ্ব > ভারত

দেড়-শতাধিক প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় একজনেরও সাজা হয়নি: রাহুল গান্ধী

আমার দেশ অনলাইন

প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের তাৎক্ষণিক পদত্যাগ দাবি করেছেন রাহুল। ছবি: সংগৃহীত।

ভারতের শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ‘দুর্নীতিগ্রস্ত ও ধসে পড়েছে’ বলে তীব্র আক্রমণ ছড়িয়েছেন দেশটির বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে কালো ব্যাজ পরিধান করে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি দাবি করেন, গত ১০ বছরে দেশে ১৫২টি সরকারি ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে, কিন্তু একজন অপরাধীরও সাজা হয়নি।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকারীদের ওপর পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে বাহুতে কালো কাপড় পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন রাহুল। তিনি বলেন, আজ তা পুরোপুরি ধসে পড়া একটি ব্যবস্থায় পরিণত হয়েছে। কোটি কোটি শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার আজ এর চরম মূল্য দিচ্ছে।

প্রশ্নফাঁস রোধে ব্যর্থতার দায় নিয়ে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের তাৎক্ষণিক পদত্যাগ দাবি করেছেন রাহুল। তিনি বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা কী অপরাধ করেছে? কেন নিরাপত্তা বাহিনী তাদের দিকে অস্ত্র তাক করছে, লাঠিপেটা করছে, মারধর করছে এবং অপমান করছে? ধর্মেন্দ্র প্রধান এই পদের একদমই অযোগ্য।’

এর একদিন আগে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাসভবনের কাছে নীট প্রশ্নফাঁস ও সিজেপি কর্মীদের ওপর পুলিশের অভিযানের প্রতিবাদে অবস্থান কর্মসূচি থেকে রাহুলকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। ওই সময় তার নাক থেকে রক্ত ঝরার ছবিও প্রকাশিত হয়।

নিজের সঙ্গে পুলিশের আচরণের চেয়ে শিক্ষার্থীদের দাবিকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে রাহুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর উচিত শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া। আমার সঙ্গে কী হয়েছে, তা নিয়ে আমি চিন্তিত নই। আমাকে আরও খারাপভাবে আচরণ করা হলেও আপত্তি নেই, কিন্তু আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকতে হবে শিক্ষার্থীদের।’

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে শুধু একটি ন্যায্য ও কার্যকর শিক্ষা ব্যবস্থা দাবি করছে।

রাহুলের অভিযোগ, বারবার প্রশ্নফাঁসের কারণে শিক্ষার্থীরা চরম মানসিক চাপের মধ্যে পড়ছে, এমনকি বছরের পর বছর প্রস্তুতির পর অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে।

তিনি আরও দাবি করেন, প্রতি মাসে গড়ে একটি করে প্রশ্নফাঁসের ঘটনা ঘটেছে, যার প্রভাবে প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার ভাষায়, “পরিবারগুলো কষ্টার্জিত অর্থ সন্তানদের শিক্ষায় ব্যয় করে, কিন্তু প্রশ্নফাঁস তাদের সব আশা ভেঙে দেয়। অথচ সরকার এখন পর্যন্ত একজনকেও দোষী সাব্যস্ত করতে পারেনি।”

অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন বিজেপি রাহুল গান্ধীর এই প্রতিবাদকে ‘শিশুসুলভ’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেছে, সংসদ অধিবেশন চলাকালেই তিনি দেশে ‘নৈরাজ্যের পরিবেশ’ তৈরির চেষ্টা করছেন। কংগ্রেসের বিক্ষোভের প্রতিবাদে পাল্টা কর্মসূচিও পালন করেছে দলটি।

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।

এমএমআর

মোদির নৈশভোজে গেলেন না জিনপিং, নেপথ্যে কী

‘৮০ শতাংশ ভারতীয় আমিষভোজী’—ব্রিকসের নিরামিষ মেনু নিয়ে রাহুলের খোঁচা

মুসলিম পরিচালিত কারিগরি প্রশিক্ষণকেন্দ্র বন্ধের হুমকি দিল বিজেপি

বিজেপির পশ্চিমবঙ্গে এবার ২৫২ মাদরাসা বন্ধের নির্দেশ

মোদির নৈশভোজে অংশ নেননি চীনের প্রেসিডেন্ট, তীব্র জল্পনা

রাধিকাপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে বাংলাদেশি নিহত

ভারতের গুজরাট থেকে টনে টনে ইলিশ ঢুকছে বাংলাদেশের বাজারে

দিল্লিতে শি জিনপিংয়ের মাত্র ২৪ ঘণ্টার সফর, নিরাপত্তা কর্মী ১৫ হাজার

কলকাতায় ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার মুসলিম নারী উপাধ্যক্ষ, বাধ্য হলেন ইস্তফা দিতে

ভারতে শি জিনপিং, অরুণাচলে এখনো এগোচ্ছে চীনের সেনাবাহিনী