মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়স হয়েছে। তাই এই বয়সে তার আর ভোটে না দাঁড়িয়ে বিশ্রাম নেওয়া উচিত। নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে ভবানীপুর আসন ধরে রাখার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে এভাবেই মমতাকে কটাক্ষ করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একই সঙ্গে নথি চুরির চেষ্টাসংক্রান্ত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যয়ের অভিযোগ নিয়ে তদন্তেরও আশ্বাস দেন শুভেন্দু।
বুধবার বিধানসভায় নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের জয়ী বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ এবং শাখারভ সরকার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেন। সেই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে একাধিক বিষয়ে কথা বলেন শুভেন্দু।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামের পাশাপাশি ভবানীপুর থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন শুভেন্দু। ভবানীপুরে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন। পরে ভবানীপুর আসনটি নিজের কাছে রেখে নন্দীগ্রাম ছেড়ে দেন।
বুধবার এই সিদ্ধান্তের কারণ ব্যাখ্যা করেন শুভেন্দু। তার বক্তব্য, ভবানীপুর আসন ছেড়ে দিলে সেখানে ফের প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পেতেন মমতা। সেই সুযোগ দিতে চাননি তিনি।
মমতার নাম না করে শুভেন্দু বলেন, যিনি তার কাছে দুবার হেরেছেন, তাকে ফের নির্বাচনে লড়ার সুযোগ না দেওয়াই ভালো। তার কথায়, মমতার বয়স প্রায় ৭৫ বছর। এই বয়সে তার বিশ্রাম নেওয়া উচিত।
সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন
আরএ