হোম > বিশ্ব > ভারত

মোদিদের শত্রু সেই ‘আজাদি’ স্লোগান আবার ভারতের তরুণদের মুখে

আমার দেশ অনলাইন

ছবি: সংগৃহীত।

ভারতে শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ‘আজাদি’ স্লোগান। একসময় যে স্লোগানকে রাষ্ট্রবিরোধী হিসেবে চিহ্নিত করে শিক্ষার্থী নেতাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা দেওয়া হয়েছিল, সেই একই স্লোগান এখন জেন-জি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

২৬ জুলাই সকালে নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরের কাছে দেয়ালে আঁকা আন্দোলনের বিভিন্ন গ্রাফিতি মুছে ফেলতে কর্তৃপক্ষ দ্রুত কর্মীদের পাঠায়। এর একদিন আগে পরীক্ষা কেলেঙ্কারির প্রতিবাদে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন। আন্দোলনের প্রবেশপথে লেখা ছিল— “#২০২৬ জেন-জি বিপ্লব!!!” এই আন্দোলনের প্রধান স্লোগান ছিল আজাদি বা স্বাধীনতা।

আন্দোলনের সময় ২০ বছরের এক তরুণ গাছে উঠে শক্তিশালী লাউডস্পিকারে ‘আজাদি’ গানটি বাজান—‘আজাদি, আমাকে স্বাধীনতা দাও! আজাদি, আমাকে স্বাধীনতা দাও! আজাদি, আমাকে স্বাধীনতা দাও!’ গানটির সঙ্গে জনতাও সুর মেলায় এবং হাত উঁচিয়ে স্বাধীনতার দাবি জানায়। বলিউডের গলি বয় সিনেমার জনপ্রিয় এই গানটি এবার শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগীত হয়ে ওঠে।

নয়াদিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিটে পুলিশ সদস্যদের শিক্ষার্থীদের মারধরের ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে প্রায় এক দশক পুরোনো গানটি নতুন করে জনপ্রিয়তা পায়। শুধু দিল্লি নয়, জয়পুর, লখনউ ও মুম্বাইসহ ভারতের বিভিন্ন শহরেও ‘আজাদি’ স্লোগান ছড়িয়ে পড়ে।

অথচ এক দশক আগেও দিল্লিতে ‘আজাদি’ ছিল অত্যন্ত বিতর্কিত একটি শব্দ। ২০১৬ সালে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) শিক্ষার্থীদের এই স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়।

গত মাসে মন্ত্রীর পদত্যাগের পর হাজার হাজার বিক্ষোভকারী বাড়ি ফিরে যাওয়ায় যন্তর মন্তরের আলো নিভে গিয়েছিল। কিন্তু রাস্তা জুড়ে তখনও উজ্জ্বল হলুদ রঙের ধাতব পুলিশের ব্যারিকেডের সারি ছিল। সেগুলোর অনেকগুলোই বিক্ষোভকারীরা রং করে দিয়েছিল। যেগুলোর একটিতে লাল রঙে লেখা ছিল: ‘উমর, শারজিল, গুলফিশা তোমাদের আগে এখানে ছিল।’

এই স্লোগানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের নারীবাদী আন্দোলন ও কাশ্মীরের প্রতিরোধ থেকে, যা বর্তমানে ভারতের মূলধারার ছাত্র রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে

জেএনইউ থেকে রাজপথে

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে জেএনইউতে ভারতের মৃত্যুদণ্ড ও কাশ্মীরি নেতা আফজাল গুরুর মৃত্যুদণ্ড নিয়ে একটি আলোচনা সভাকে কেন্দ্র করে বিতর্কের সূত্রপাত হয়। পরে ভারতীয় টেলিভিশন চ্যানেলগুলো শিক্ষার্থীদের ‘আজাদি’ স্লোগানের ভিডিও প্রচার করে ঘটনাটিকে জাতীয় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করে।

আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই ঘটনাটি এভাবেই স্মরণ করেছেন উমর খালিদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং অনুষ্ঠানটির অন্যতম আয়োজক বনজ্যোৎস্না লাহিড়ী

মোদী সরকারের প্রতি অনুগত বলে বিবেচিত ভারতীয় টিভি চ্যানেলগুলো এই ঘটনাটিকে একটি জাতীয় রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করে এবং তৎকালীন জেএনইউ ছাত্র সংসদের সভাপতি কানহাইয়া কুমারের নেতৃত্বে ছাত্রদের ‘আজাদি’ স্লোগান দেওয়ার ফুটেজ বারবার সম্প্রচার করে।

২০১৬ সালের ৩ মার্চ নয়াদিল্লির জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (জেএনইউ) ছাত্র ও কর্মীদের উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় ভারতীয় ছাত্র নেতা কানহাইয়া কুমার (মাঝে) স্লোগান দিচ্ছেন

মোদিপন্থি গণমাধ্যমগুলো ছাত্রদেরকে ‘সন্ত্রাসীদের সমর্থক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে এবং কিছু চ্যানেল ঘটনাটি সম্পর্কে বিকৃত ক্লিপও সম্প্রচার করেছে। লাহিড়ী বলেন, বিতর্কটি ‘মাত্রাতিরিক্ত বড় আকার ধারণ করায়’ খালিদের মতো ছাত্র এবং জেএনইউ ঘরে ঘরে পরিচিত হয়ে ওঠে।

লাহিড়ী স্মরণ করেন, ‘তীব্র গণমাধ্যম ট্রায়াল শুরু হলো। এটি ছিল একটি পরিকল্পিত প্রচারণা: আর বার্তা ছড়ানো হচ্ছিল যে দেশবিরোধী ছাত্ররা করদাতাদের টাকায় জীবনযাপন করে ।’ কয়েক দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ ও গ্রেপ্তার শুরু হয় এবং কয়েক সপ্তাহ পরে খালিদ ও অন্যরা জামিনে মুক্তি পায়।

দক্ষিণ ভারতের হায়দ্রাবাদে বর্ণবৈষম্যের অভিযোগ তুলে দলিত ছাত্র রোহিত ভেমুলা আত্মহত্যা করার পর, সেখানকার কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ শুরু হয় এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার কঠোর দমন অভিযান চালায়।

২০১৬ সালের শুরুর দিকের এই ঘটনাগুলো একটি সরকারি অভিযানের সূচনা করেছিল, যা ধীরে ধীরে ভারতের সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভিন্নমত ও মত প্রকাশের পরিসরকে সংকুচিত করে দেয়। শিক্ষার্থীরা বলেছেন, বছরের পর বছর ধরে এই পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে।

এরপর ভারতের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনের পরিসর সংকুচিত হতে থাকে বলে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ। শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, আলোচনা সভা ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনের অনুমতি না দেওয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগের অভিযোগও ওঠে।

২০১৯ সালে নাগরিকত্ব আইন সংশোধনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় দিল্লির মুসলিম শিক্ষার্থী নেতারা জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি পান।

শিক্ষার্থীরা বলছেন, ২০১৯ সালের নাগরিকত্ব দাবিতে হওয়া বিক্ষোভ, যা ২০২০ সাল পর্যন্ত চলেছিল, তার পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিবাদের সুযোগ আরও সংকুচিত হয়েছে।

পুলিশি উপস্থিতি ও তদন্ত জোরদার করা হয়েছিল; শিক্ষার্থীদের অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে বেশ কয়েকটি রাজনৈতিকভাবে পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এবং গবেষণা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

আর এর ছয় বছর পর আজও, পুনরায় গ্রেপ্তার হওয়া খালিদ এবং শারজিল ইমামের মতো ছাত্রনেতারা বিনা বিচারে কারারুদ্ধ রয়েছেন।

‘আজাদি’ থেকে গলি বয়

২০১৬ সালের জেএনইউ আন্দোলনের ‘আজাদি’ স্লোগানই সংগীত প্রযোজক ডাব শর্মাকে অনুপ্রাণিত করে। তিনি শিক্ষার্থীদের স্লোগানের সঙ্গে ইলেকট্রনিক বিট যুক্ত করে গানটি তৈরি করেন।

পরবর্তী সময়ে পরিচালক জোয়া আখতার ২০১৯ সালের গলি বয় সিনেমায় গানটি ব্যবহার করেন। মুম্বাইয়ের র‍্যাপার ডিভাইন এতে অংশ নেন। সিনেমার সংস্করণে ক্ষুধা ও বৈষম্য থেকে মুক্তির বিষয়টি থাকলেও মূল আন্দোলনের জাতপাত, পুঁজিবাদ ও ডানপন্থী রাজনীতির বিরুদ্ধে থাকা অনেক বক্তব্য বাদ দেওয়া হয়।

সাত বছর আগে, পুনর্নির্মিত সংস্করণে ডিভাইন আয় বৈষম্য ও রাজনীতিবিদদের সুবিধাভোগী সন্তানদের নিয়ে র‍্যাপ করেছিলেন এবং একটি দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যবস্থা দখলের জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন — এই সবই এখন বিশ্বজুড়ে জেন জি প্রজন্মের প্রতিবাদের মূল বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে।

মোদীর শাসনামলে ভারত একাধিক গণতান্ত্রিক সূচকে ক্রমাগত পিছিয়ে পড়েছে। এ বছর, শর্মার নতুন করে সাজানো স্কোরটি ব্যাপকতর শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে ছাত্রদের প্রতিরোধের স্লোগানে পরিণত হয়।

‘আজাদি’ ধ্বনির সর্বপ্রথম আধুনিক রাজনৈতিক জীবনের সূত্রপাত খুঁজে পাওয়া যায় ১৯৮০-এর দশকে জেনারেল জিয়া-উল-হকের সামরিক একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের নারীবাদী প্রতিরোধে। প্রয়াত ভারতীয় নারীবাদী কর্মী কমলা ভাসিন স্মরণ করেছেন যে, তিনি এই ধ্বনির সাবলীলতায় অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন এবং এটিকে ভারতীয় প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে নির্দিষ্ট প্রতিবাদের জন্য আহ্বানগুলোকে উপযোগী করে তুলেছিলেন।

১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে ভারতীয় দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে কাশ্মীরি প্রতিরোধও এই স্লোগানটি গ্রহণ করেছিল। নয়াদিল্লির বাম উদারপন্থী আন্দোলনও এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছিল। কিন্তু তাদের স্বাধীনতার আহ্বান ছিল নিজ নিজ প্রেক্ষাপট-নির্ভর।

২০২১ সালে ভাসিনের মৃত্যুর এক বছর আগে, তিনি এক সাক্ষাৎকারে আজাদি স্লোগানকে “একটি জীবন্ত, স্পন্দনশীল স্লোগান” হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন।

এই স্লোগানটি প্রতিদিন বিকশিত হয়, প্রতিদিন পরিবর্তিত হয়। এর অর্থ অপরিবর্তনীয় নয়।

জেন-জি আন্দোলনে নতুন অর্থ

ভারতের প্রধান বিচারপতি বিতর্কিতভাবে দেশের বেকার যুবকদের তেলাপোকা ও পরজীবীর সঙ্গে তুলনা করার এক মাস পর, গত জুন মাসে সেই অপমানজনক মন্তব্যটি দেশব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করে।

বোস্টন ইউনিভার্সিটির স্নাতক অভিজিৎ দীপকে এক্স-এ একটি পোস্টে সাধারণভাবে ভেবেছিলেন: “যদি সব তেলাপোকা একজোট হয়?”। এরপর তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া ক্যাম্পেইন শুরু করেন এবং ইন্টারনেটে ভাইরাল হয়ে যান। এটি ইনস্টাগ্রামে ২২ মিলিয়নেরও বেশি ফলোয়ার অর্জন করে, যা ২০১৪ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা মোদীর ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) ফলোয়ারের সংখ্যার দ্বিগুণেরও বেশি।

লক্ষ লক্ষ ভারতীয় ছাত্রছাত্রীকে প্রভাবিত করা একাধিক পরীক্ষা কেলেঙ্কারির পর, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে শিক্ষা সংস্কারের আহ্বান জানিয়ে একটি আন্দোলন শুরু করার অঙ্গীকার করে দীপকে ভারতে ফিরে আসেন।

এবারের আন্দোলনে ‘আজাদি’ নতুন প্রজন্মের কাছে শিক্ষা ও অধিকার আদায়ের প্রতীকে পরিণত হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির নেতা অভিজিৎ দিপকে পরীক্ষার কেলেঙ্কারি ও শিক্ষা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করলে দিল্লির জন্তর মন্তরে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিভিন্ন সংগঠনও যুক্ত হয়।

অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন (এআইএসএ) ও স্টুডেন্টস ফেডারেশন অব ইন্ডিয়াসহ বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো আন্দোলনকে দীর্ঘস্থায়ী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকেরা পালা করে আন্দোলনস্থলে অবস্থান করেন। আইনজীবী, অধ্যাপক ও কৃষকদেরও আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হয়।

বিশ্লেষকদের মতে, এ আন্দোলনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল এটি প্রচলিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের বাইরে থেকেও দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও, মিম ও ইনস্টাগ্রাম রিলের মাধ্যমে আন্দোলনের বার্তা ছড়িয়ে পড়ে। প্রচলিত গণমাধ্যমের ওপর নির্ভর না করে আন্দোলনকারীরাই নিজেদের বক্তব্যের প্রধান মাধ্যম হয়ে ওঠেন।

এআইএসএর সাবেক জাতীয় সভাপতি এন সাই বালাজির মতে, নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে দক্ষ হওয়ায় তারা নিজেদের আন্দোলনের বয়ান নিজেরাই তৈরি করতে পেরেছে। ফলে তাদের ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করার প্রচেষ্টাও আগের তুলনায় কম কার্যকর হয়েছে।

‘আজাদি’ কেন আবার জনপ্রিয়?

আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষার্থীদের মতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে প্রতিবাদের জায়গা সংকুচিত হওয়ায় তরুণদের রাজনীতি আবার রাস্তায় ফিরে এসেছে। ২০১৯ সালের নাগরিকত্ববিরোধী আন্দোলন তাদের অনুপ্রাণিত করেছে বলেও অনেকে মনে করেন।

এআইএসএর নেত্রী নেহা বোরা বলেন, ২০১৯ সালের মুসলিম নেতৃত্বাধীন নাগরিকত্ববিরোধী আন্দোলন তার মধ্যে একটি ‘বিপ্লব’ তৈরি করেছিল। তার মতে, সরকার ‘আজাদি’ শব্দটিকে অপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করলেও পুলিশি নির্যাতনের মুখে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছে—এই স্লোগান আসলে মৌলিক অধিকারের সবচেয়ে শক্তিশালী দাবি।

সাম্প্রতিক আন্দোলনে ‘আজাদি’ তাই শুধু পুরোনো একটি প্রতিবাদী গান নয়; বরং ভারতের নতুন প্রজন্মের কাছে শিক্ষা, অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবির প্রতীক হয়ে উঠেছে।

এমএমআর

টিভির পর্দায় অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশের টেস্টের সঙ্গে ফুটবলের রোমাঞ্চ

দখল-দূষণে মরণদশায় নড়াইলের চিত্রা-নবগঙ্গা নদী

নিয়োগবিধি ছাড়াই রেলের ৮৫ কর্মকর্তাকে পদোন্নতির তোড়জোড়

ইরানের তিন পাইলটকে আটকের অভিযোগ অস্বীকার কাতারের

অবৈধভাবে গড়ে উঠছে শত শত চুন তৈরির কারখানা

কলাগাছের তৈরি ভেলার প্রতিযোগিতা উৎসব

সুইজারল্যান্ডে ভয়াবহ খরা, কৃষিতে ক্ষতি ছাড়াতে পারে পূর্বের রেকর্ড

অবশ্যই বাংলাদেশের জেতা উচিত

ইন্দোনেশিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ৪৭

ডারউইন ড্রামা! জয়ের আরো কাছে বাংলাদেশ