হোম > বিশ্ব > ভারত

৯১ লাখ ভোটার বাদ গেলেও পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় ফিরছেন মমতা: সমীক্ষা

আমার দেশ অনলাইন

২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সি-ভোটার (C-Voter) এবং সিএনএন-নিউজ ১৮-এর সাম্প্রতিক ওপিনিয়ন পোল থেকে এক চাঞ্চল্যকর পূর্বাভাস এসেছে। এই সমীক্ষা অনুযায়ী, আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী দল বিজেপির মধ্যে এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলই চতুর্থবারের জন্য ক্ষমতায় ফেরার দৌড়ে এগিয়ে রয়েছে।

আসনসংখ্যার নিরিখে সমীক্ষাটি জানাচ্ছে যে, ২৯৪ আসনের বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস ১৮৪ থেকে ১৯৪টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে ভারতীয় জনতা পার্টি পেতে পারে ৯৮ থেকে ১০৮টি আসন। ভোটের শতাংশের হিসাবে তৃণমূল কংগ্রেস ৪১.৯ শতাংশ থেকে ৪৪ শতাংশের কাছাকাছি সমর্থন পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিজেপির ক্ষেত্রে এই সম্ভাব্য ভোটের হার ৪০ শতাংশের আশেপাশে থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এই সমীক্ষায় অন্যান্য ছোট দল বা বাম-কংগ্রেস জোটের ভূমিকা অত্যন্ত সীমিত থাকবে বলে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে জনপ্রিয়তার দৌড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনও অনেকটা এগিয়ে রয়েছেন। সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রায় ৪৮.৫ শতাংশ মানুষ তাঁকে আবারও মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে সমর্থন করেছেন ৩৩.৪ শতাংশ উত্তরদাতা। তবে বর্তমান বিধায়কদের পারফরম্যান্স নিয়ে জনগণের মধ্যে কিছুটা সংশয় রয়েছে, কারণ মাত্র ৩৬.৫ শতাংশ ভোটার বর্তমান বিধায়কদের পুনরায় নির্বাচিত করার পক্ষে মত দিয়েছেন।

সরকারের কাজ নিয়ে জনমত কিছুটা বিভক্ত। প্রায় ৪৩.৩ শতাংশ মানুষ রাজ্য সরকারের কাজকে 'ভালো' বা 'খুব ভালো' বললেও, ২০.৬ শতাংশ মানুষ একে 'খুব খারাপ' এবং ১৮.৩ শতাংশ 'খারাপ' বলে চিহ্নিত করেছেন। বিশেষ করে উচ্চবর্ণের হিন্দু ভোটার এবং তফসিলি জনজাতির একাংশের মধ্যে অসন্তোষ দেখা গেছে। তবে মুসলিম ভোটারদের মধ্যে তৃণমূল সরকারের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রয়েছে।

সাধারণ মানুষের কাছে এই নির্বাচনে প্রধান ইস্যু হিসেবে উঠে এসেছে বেকারত্ব, যা প্রায় ৩৭.২ শতাংশ মানুষের মূল চিন্তার কারণ। এর পর রয়েছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও মহিলাদের নিরাপত্তা সংক্রান্ত ইস্যু, যেখানে আরজি করের ঘটনার প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া মূল্যবৃদ্ধি এবং দুর্নীতিকেও সাধারণ মানুষ বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন।

বিজেপির জন্য এই সমীক্ষায় কিছু অভ্যন্তরীণ দুর্বলতার কথা বলা হয়েছে। দলীয় কোন্দল ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ বিজেপির প্রধান দুর্বলতা বলে মনে করছেন। এছাড়া শক্তিশালী রাজ্য নেতৃত্বের অভাব এবং বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে দলের নিবিড় সংযোগ না থাকাকেও বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে। সার্বিকভাবে ২০২৬ সালের লড়াই কঠিন হলেও বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস রাজনৈতিকভাবে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে বলে সি-ভোটারের সমীক্ষায় উঠে এসেছে।

সার ঘাটতিতে খাদ্য সংকটের শঙ্কায় ভারত

ভারতে ভোটাধিকারের লড়াইয়ে মুর্শিদাবাদের নবাব বংশ

ইরান যুদ্ধের কারণে যেভাবে মুদ্রা সংকটের মুখে ভারত

ভারতীয় প্রক্সি বাহিনীর ঘাঁটিতে পাকিস্তানের অভিযানে নিহত ১৩

ভারতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ল মীর জাফরের বংশধররা

আবুধাবিতে ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত, ধ্বংসাবশেষে ৫ ভারতীয় আহত

জ্বালানি সংকটে ভারতে কি আবারও লকডাউন হবে

১১ দিনের রিমান্ডে হাদির খুনিরা, নাশকতার ইঙ্গিত দেখছে ভারতের গোয়েন্দারা

হরমুজ সংকটের মধ্যে ইরান থেকে এলপিজি আমদানি শুরু ভারতের

দূষিত দেশের তালিকায় শীর্ষে পাকিস্তান, বাংলাদেশের অবস্থান কত