গাজায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘শান্তি বোর্ডে’ যোগ দিচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার নয়টি দেশ। বুধবার এক যৌথ বিবৃতিতে ‘শান্তি বোর্ডে’ যোদ দেয়ার ঘোষণা দেয় পাকিস্তান, মিশর, জর্ডান, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইন্দোনেশিয়া, তুরস্ক, সৌদি আরব ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। বেশ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ অংশগ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। খবর আল জাজিরার।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘মন্ত্রীরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে শান্তি প্রচেষ্টার প্রতি তাদের দেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছেন।’
এতে আরো বলা হয়, বোর্ডের লক্ষ্য ‘স্থায়ী যুদ্ধবিরতি সুসংহত করা, গাজার পুনর্গঠনকে সমর্থন করা এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারের ওপর ভিত্তি করে একটি ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি এগিয়ে নেয়া, যার ফলে এই অঞ্চলের সকল দেশ এবং জনগণের জন্য নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার পথ প্রশস্ত হবে’।
বুধবার কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ট্রাম্পের বোর্ডে যোগদানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে।
এই বোর্ডে যোগ দিতে আরো রাজি হয়েছে, আর্জেন্টিনা, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বাহরাইন, বেলারুশ, হাঙ্গেরি, কাজাখস্তান, কসোভো, মরক্কো, উজবেকিস্তান ও ভিয়েতনাম।
গাজায় ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরাইলের যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনার অংশ এই শান্তি বোর্ড।
তবে ফিলিস্তিনিরা মার্কিন নেতৃত্বাধীন প্রক্রিয়াগুলো বাস্তবে কীভাবে কাজ করবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ট্রাম্পের শান্তি বোর্ডে বেশ কয়েকজন কট্টর ইসরাইল সমর্থককে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর অংশগ্রহণ নিয়েও পর্যবেক্ষকরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
গাজার বাসিন্দা আবু রমজি আল-সানদাউই নেতানিয়াহুকে প্রত্যাখ্যান করে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে যুদ্ধবাজ নেতা হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, ‘নেতানিয়াহু আমাদের পুরো পৃথিবীকে ধ্বংস করেছেন।’
অক্টোবরে মার্কিন মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে গাজায় ইসরাইলি হামলায় কমপক্ষে ৪৬৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।
আরএ