ইউক্রেনজুড়ে বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। শনিবার রাত থেকে রোববার ভোর পর্যন্ত চলা এই হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ব্যাপক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত চারজন নিহত এবং ৮৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, হামলার মূল লক্ষ্য ছিল রাজধানী কিয়েভ। তবে দেশের অন্যান্য এলাকাও আঘাতের শিকার হয়েছে। হামলায় আবাসিক ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, এই হামলায় তারা ‘ওরেশনিক’ নামের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। মস্কোর ভাষ্য, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বেসামরিক অবকাঠামোর ওপর হামলার জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অভিযোগ করেন, শুক্রবার স্টারোবিলস্ক শহরের একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেনের হামলায় ২১ জন নিহত হয়েছেন। যদিও ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, তারা রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ইউক্রেনের স্টারোবিলস্কের কাছে একটি সামরিক অভিযানে অংশ নিয়েছিল। তবে তাদের দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল রুশ বাহিনীর একটি বিশেষ সামরিক ইউনিট।
জেলেনস্কি এর আগেই সতর্ক করেছিলেন যে রাশিয়া নতুন করে বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের গতির চেয়ে ১০ গুণ বেশি গতিতে ছুটতে সক্ষম বলে জানা গেছে, যা প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন।
সূত্র: বিবিসি
এআরবি