হোম > বিশ্ব > তুরস্ক

পূর্ণাঙ্গ মানুষ থেকে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ, ন্যায়ই যেখানে সবকিছুর যোগসূত্র

আমার দেশ অনলাইন

তুরস্কের শিক্ষাবিদ ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মাহমুদ ওজেরে ‘পূর্ণাঙ্গ মানুষ’ ও ‘ন্যায়ভিত্তিক নগরসমাজ’ধারণাগুলোকে ‘জাস্টিস ইন ইসলামিক থট’ বইয়ের আলোকে নতুনভাবে ব্যাখ্যা করেছেন। ওমর তুর্কার ও ইউনুস কাপলান সম্পাদিত বইটি ইসলামি চিন্তায় ন্যায়বিচারের ধারণা কীভাবে ব্যক্তি, পরিবার, রাজনীতি ও রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে- তা বিশ্লেষণ করে। লেখাটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য হলো—ন্যায়বিচার কেবল আদালত, আইন বা রাষ্ট্র পরিচালনার বিষয় নয়; এটি মানুষের অস্তিত্ব ও চরিত্র থেকে শুরু হয়ে পুরো সামাজিক ব্যবস্থাকে ধারণ করে।

এখানে ‘পূর্ণাঙ্গ মানুষ’ ও ‘ন্যায়ভিত্তিক সমাজ’ দুটি আলাদা আদর্শ নয়। বরং একটি আরেকটির সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত। যে মানুষ নিজের আত্মার ভেতরে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে পারে, সে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখে। আবার যে সমাজ ন্যায়, নৈতিকতা ও সুবিচারের ওপর প্রতিষ্ঠিত, সেই সমাজ ব্যক্তিকে নৈতিকভাবে বিকশিত হওয়ার পরিবেশ দেয়। অর্থাৎ ব্যক্তি সমাজকে তৈরি করে, আবার সমাজও ব্যক্তিকে তৈরি করে।

এই ধারণার কেন্দ্রে রয়েছে মানুষের আত্মার শৃঙ্খলা। প্লেটোনীয় ঐতিহ্যে মানুষের আত্মার তিনটি প্রধান শক্তির কথা বলা হয়—বুদ্ধি, উদ্দীপনা বা সাহসের শক্তি এবং আকাঙ্ক্ষা ও ভোগের প্রবৃত্তি। প্রত্যেকটির মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা হলে জ্ঞান, সাহস ও সংযমের মতো গুণের বিকাশ ঘটে। আর এই গুণগুলোর মধ্যে সামগ্রিক সমন্বয় ঘটায় ন্যায়বিচার। ফলে ন্যায় হয়ে ওঠে অন্যান্য নৈতিক গুণের সমন্বিত ভিত্তি।

এই দৃষ্টিতে পূর্ণাঙ্গ মানুষ সেই ব্যক্তি, যিনি নিজের বুদ্ধি, সাহস ও আকাঙ্ক্ষাকে যথাযথ ভারসাম্যের মধ্যে আনতে পেরেছেন। তার চরিত্রে জ্ঞান আছে, কিন্তু জ্ঞান অহংকারে পরিণত হয়নি; সাহস আছে, কিন্তু তা উগ্রতায় রূপ নেয়নি; আকাঙ্ক্ষা আছে, কিন্তু তা তাকে নিয়ন্ত্রণ করছে না। ন্যায়বোধ এই প্রবৃত্তিগুলোকে যথাস্থানে রাখে।

ইসলামি নৈতিক দর্শনে এই ধারণা ব্যক্তি থেকে পরিবারের দিকে বিস্তৃত হয়। নাসিরুদ্দিন তুসির ‘আখলাক-ই নাসিরি’তে নৈতিক দর্শনকে ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্র—এই তিনটি আন্তঃসম্পর্কিত স্তরে দেখা হয়েছে। এখানে নৈতিকতা ও ন্যায়বিচার আলাদা বিষয় নয়। ব্যক্তি যেমন নিজের চরিত্রে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করবে, তেমনি পরিবার পরিচালনা এবং বৃহত্তর রাজনৈতিক জীবনের ক্ষেত্রেও একই নীতি কার্যকর হবে।

আধুনিক যুগে ন্যায়বিচারকে আমরা সাধারণত আইন, আদালত, অধিকার কিংবা রাষ্ট্রীয় নীতির সঙ্গে যুক্ত করি। কিন্তু ধ্রুপদি ইসলামি চিন্তায় ন্যায়বিচারের পরিধি আরো বিস্তৃত। সেখানে ন্যায় মানে শুধু কারও অধিকার রক্ষা করা নয়; বরং প্রতিটি বিষয়কে তার যথাযথ অবস্থানে রাখা এবং প্রতিটি সম্পর্ককে তার উপযুক্ত ভারসাম্যের মধ্যে পরিচালনা করা। অন্যায় হলো কোনো কিছুকে তার যথার্থ স্থান থেকে সরিয়ে দেওয়া।

এই ধারণাটি আল-গাজ্জালির চিন্তাতেও গুরুত্বপূর্ণ। তার কাছে ন্যায় এমন একটি বাস্তব নৈতিক গুণ, যা মানুষের আচরণে প্রকাশ পেতে হবে। শুধু ন্যায় সম্পর্কে জ্ঞান থাকা যথেষ্ট নয়; ন্যায়কে চরিত্রে পরিণত করতে হবে এবং জীবনের কাজে তার প্রকাশ ঘটাতে হবে। ফলে নৈতিকতা কোনো বক্তৃতা বা তাত্ত্বিক আলোচনার বিষয় নয়—এটি জীবনযাপনের বিষয়।

এই জায়গায় ব্যক্তি ও রাষ্ট্রের সম্পর্কটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। একটি সমাজের ন্যায়বিচার শুধু ভালো আইন দিয়ে নিশ্চিত হয় না। আইন প্রয়োগকারী মানুষ, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, পরিবার এবং সাধারণ নাগরিক—সবাইকে ন্যায়বোধের চর্চা করতে হয়। ন্যায়বান মানুষ ছাড়া ন্যায়বান প্রতিষ্ঠান টেকসই হয় না। আবার ন্যায়ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া ব্যক্তির নৈতিক বিকাশও কঠিন হয়ে পড়ে।

আল-ফারাবির ‘গুণী নগর’ ধারণার মূল শক্তি এখানেই। গুণী নগর এমন একটি সমাজ, যেখানে মানুষের সর্বোচ্চ কল্যাণ বা সুখ অর্জনের পরিবেশ তৈরি হয়। শিক্ষা, আইন, পরিবার, বাণিজ্য, প্রশাসন—সব সামাজিক প্রতিষ্ঠান মানুষের নৈতিক বিকাশে ভূমিকা রাখে। ফলে রাষ্ট্র কেবল নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার যন্ত্র নয়; এটি মানুষের চরিত্র গঠনের পরিবেশও তৈরি করে।

এই ধারণার সঙ্গে আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য রয়েছে। আধুনিক রাষ্ট্রে রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্ব সাধারণত নাগরিকের অধিকার, নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিত করা। কিন্তু ধ্রুপদি ইসলামি রাজনৈতিক দর্শনে রাষ্ট্রের লক্ষ্য আরও বিস্তৃত—মানুষের নৈতিক ও সামগ্রিক উৎকর্ষের জন্য এমন পরিবেশ তৈরি করা, যেখানে ব্যক্তি নিজেকে উন্নত করতে পারে।

এ কারণে ন্যায়বিচারের প্রশ্নটি শুধু জনগণের জন্য নয়, শাসকের জন্যও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একটি রাষ্ট্রের ন্যায় অনেকাংশে নির্ভর করে তার নেতৃত্বের নৈতিক চরিত্রের ওপর। ধ্রুপদি ইসলামি চিন্তায় শাসককে নিজেকেই ন্যায় ও আত্মশুদ্ধির পথে অগ্রসর একজন মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। কারণ শাসকের চরিত্র রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। লেখক আল-গাজ্জালির আলোচনার সূত্র ধরে দেখিয়েছেন, শাসকের ন্যায়বিচার শুধু তার ব্যক্তিগত আচরণের বিষয় নয়; তার চারপাশের ক্ষমতাকাঠামো ও সমাজেও এর প্রতিফলন ঘটে।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক শিক্ষা পাওয়া যায়। শুধু আইন তৈরি করে একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা যায় না। যদি রাষ্ট্রের কর্মকর্তারা দুর্নীতিগ্রস্ত হন, বিচারব্যবস্থা পক্ষপাতদুষ্ট হয়, ক্ষমতাবানরা আইনের ঊর্ধ্বে অবস্থান করেন এবং নাগরিকের মধ্যে ন্যায়বোধ দুর্বল থাকে, তাহলে সংবিধান ও আইন থাকা সত্ত্বেও সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে না।

ন্যায় তাই একটি সামগ্রিক সংস্কৃতি। এটি পরিবারে যেমন প্রয়োজন, রাষ্ট্রেও তেমন প্রয়োজন। ব্যবসায় যেমন প্রয়োজন, রাজনীতিতেও তেমন প্রয়োজন। আদালতে যেমন প্রয়োজন, ব্যক্তিগত সম্পর্কেও তেমন প্রয়োজন। একজন নাগরিকের ন্যায়বোধ এবং একজন শাসকের ন্যায়বোধ একই নৈতিক মূলনীতির অংশ।

ইসলামি চিন্তায় ন্যায়কে আরও বৃহত্তর এক মহাজাগতিক শৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ইবনে আরাবির চিন্তায় আল্লাহর ‘আল-আদল’—ন্যায়বিচারক—নামের সঙ্গে সৃষ্টিজগতের শৃঙ্খলার সম্পর্ক রয়েছে। মানুষের জগতে অন্যায় সেই শৃঙ্খলাকে বিঘ্নিত করে। ফলে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রে ন্যায় প্রতিষ্ঠা কেবল রাজনৈতিক প্রয়োজন নয়; এটি অস্তিত্বের একটি বৃহত্তর নৈতিক শৃঙ্খলার সঙ্গে মানুষের সম্পর্কেরও অংশ।

এই জায়গায় আধুনিক বিশ্বের সংকটগুলোর সঙ্গে ধ্রুপদি ইসলামি চিন্তার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ তৈরি হয়। আজকের পৃথিবীতে আমরা দুর্নীতি, রাজনৈতিক মেরুকরণ, সামাজিক বৈষম্য, পারিবারিক সংকট, ক্ষমতার অপব্যবহার ও আস্থার সংকট নিয়ে আলোচনা করি। এসব সমস্যার সমাধান খুঁজতে আমরা প্রায়ই নতুন আইন, নতুন প্রতিষ্ঠান কিংবা নতুন প্রশাসনিক কাঠামোর কথা বলি। কিন্তু মানুষের চরিত্রের পরিবর্তন ছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান কতটা কার্যকর হবে—সেই প্রশ্নটি অনেক সময় আড়ালে থেকে যায়।

‘পূর্ণাঙ্গ মানুষ’ ও ‘গুণী নগর’-এর ধারণা সেই জায়গাটিই সামনে আনে। একটি ভালো সমাজের জন্য শুধু ভালো প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন নয়; ভালো মানুষও প্রয়োজন। আবার ভালো মানুষ তৈরির জন্য প্রয়োজন এমন সামাজিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা ব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যা নৈতিকতাকে উৎসাহিত করবে।

অর্থাৎ পরিবর্তনের পথ একমুখী নয়। শুধু মানুষ বদলালে সমাজ বদলাবে—এটিও পুরো সত্য নয়। আবার শুধু প্রতিষ্ঠান বদলালেই মানুষ বদলে যাবে—এটিও যথেষ্ট নয়। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে একসঙ্গে পরিবর্তিত হতে হয়। ন্যায়বান নাগরিক ন্যায়বান প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে, আর ন্যায়বান প্রতিষ্ঠান নতুন প্রজন্মের ন্যায়বান নাগরিক তৈরিতে সহায়তা করে।

এখানেই ‘পূর্ণাঙ্গ মানুষ’ থেকে ‘গুণী নগর’-এর যাত্রা। ব্যক্তি তার আত্মার মধ্যে ন্যায় প্রতিষ্ঠা করবে; পরিবার সেই ন্যায়কে সম্পর্কের মধ্যে বাস্তবায়ন করবে; সমাজ সেটিকে সামাজিক প্রতিষ্ঠানে রূপ দেবে; রাষ্ট্র সেটিকে আইন ও শাসনের কাঠামোর মাধ্যমে সংরক্ষণ করবে। আবার রাষ্ট্র ও সমাজের সেই ন্যায়ভিত্তিক পরিবেশ ব্যক্তির নৈতিক বিকাশকে আরও শক্তিশালী করবে।

এই দৃষ্টিভঙ্গির সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—ন্যায় কোনো বিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান নয়। এটি একটি জীবনদর্শন। ব্যক্তি যদি ন্যায়বান না হন, পরিবারে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হয় না; পরিবারে ন্যায় না থাকলে সমাজে ন্যায় দুর্বল হয়; সমাজে ন্যায় দুর্বল হলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানও শেষ পর্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে।

তাই একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রের প্রশ্ন শেষ পর্যন্ত একজন মানুষের আত্মার প্রশ্নেও ফিরে আসে। রাষ্ট্রের ন্যায় শুরু হয় মানুষের ভেতর থেকে, আবার মানুষের নৈতিক বিকাশের জন্য ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রয়োজন। ব্যক্তি ও সমাজের এই পারস্পরিক নির্মাণই ‘পূর্ণাঙ্গ মানুষ’ ও ‘গুণী নগর’-এর সবচেয়ে গভীর শিক্ষা।

সমকালীন পৃথিবীতে যখন ন্যায়বিচারকে অনেক সময় শুধু আদালত, অধিকার ও আইনের প্রশ্নে সীমাবদ্ধ করা হয়, তখন ইসলামি চিন্তার এই বিস্তৃত ধারণা নতুন করে ভাবার সুযোগ তৈরি করে। ন্যায় মানে শুধু অপরাধীর বিচার নয়; ন্যায় মানে প্রত্যেক মানুষ, প্রতিষ্ঠান ও সম্পর্ককে তার যথাযথ মর্যাদা ও অবস্থান দেওয়া। ন্যায় মানে ক্ষমতার ব্যবহারেও সংযম, সম্পদের বণ্টনে ভারসাম্য, পরিবারে দায়িত্বশীলতা এবং ব্যক্তিজীবনে আত্মশুদ্ধি।

এই অর্থে একটি ন্যায়ভিত্তিক শহর বা রাষ্ট্র কেবল উন্নত অবকাঠামো, শক্তিশালী অর্থনীতি কিংবা কার্যকর প্রশাসনের নাম নয়। এটি এমন একটি নৈতিক পরিবেশ, যেখানে মানুষ নিজেকে উন্নত করতে পারে এবং অন্যের উন্নতির পথও তৈরি করে। আর সেই সমাজের সূচনা হয় একজন মানুষের নিজের ভেতরে ন্যায় প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে।

পূর্ণাঙ্গ মানুষ ও গুণী নগর তাই দুটি আলাদা স্বপ্ন নয়। একটি অন্যটির কারণও, ফলও। ন্যায় তাদের মধ্যে সেতুবন্ধন। ব্যক্তি ন্যায়বান হলে সমাজের ভিত্তি শক্ত হয়; সমাজ ন্যায়বান হলে ব্যক্তির উৎকর্ষের পথ প্রশস্ত হয়। এই পারস্পরিক সম্পর্কের মধ্যেই একটি ন্যায়ভিত্তিক সভ্যতার সম্ভাবনা নিহিত।

মানুষ একা বসবাসের জন্য সৃষ্টি হয়নি। পারস্পরিক প্রয়োজন ও সম্পর্কের কারণে মানুষ পরিবার গড়ে, সমাজ তৈরি করে এবং শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্র ও নগরসভ্যতার জন্ম দেয়। কিন্তু মানুষের সম্মিলিত জীবন কীভাবে এমনভাবে সংগঠিত হবে, যাতে ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ের কল্যাণ নিশ্চিত হয়—এই প্রশ্নটি প্রাচীনকাল থেকেই দর্শন ও রাজনৈতিক চিন্তার অন্যতম প্রধান বিষয়।

প্লেটো ও অ্যারিস্টটল থেকে আল-ফারাবি, ইবনে সিনা, আল-গাজ্জালি, নাসিরুদ্দিন তুসি, ইবনে বাজ্জাহ ও ইবনে খালদুন পর্যন্ত মুসলিম ও অমুসলিম বহু চিন্তক এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছেন। ইসলামি বুদ্ধিবৃত্তিক ঐতিহ্যে এ আলোচনার দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা হলো ‘আল-ইনসান আল-কামিল’—পূর্ণাঙ্গ বা পরিপূর্ণ মানুষ এবং ‘আল-মাদিনাহ আল-ফাদিলাহ’—গুণী বা ন্যায়ভিত্তিক নগররাষ্ট্র। আল-ফারাবি এই চিন্তার অন্যতম প্রধান ভিত্তি নির্মাণ করেন।

সূত্র: ডেইলি সাবাহ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চার বাংলাদেশি নিহত

বিরোধী দলের আশ্রয়ে পাটোয়ারী-সিফাতরা জিয়া পরিবারকে গালিগালাজ করছে

শরীয়াহর দৃষ্টিতে সম্পত্তি হস্তান্তর বিলে যেসব সমস্যা

ধামরাইয়ে বেদে সম্প্রদায়ের জীবনমান উন্নয়নে এগিয়ে এল জেলা প্রশাসন

কৃষিমন্ত্রীর মায়ের মৃত্যুতে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের শোক

ম্যাচ হেরে জরিমানাও গুনলেন জ্যোতিরা

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটকে রাজনৈতিক ইস্যু বানিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে: রিজভী

বগুড়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে যে কারণে

ভেনেজুয়েলার তেল চুক্তি কি গণতন্ত্রের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে সংঘর্ষে বাড়িঘর ভাঙচুর, নিহত ১