দক্ষিণ সুদানে মিশনে গিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করা ভোলার লালমোহন উপজেলার মো. মহিউদ্দিন চপলের লাশ ৭ দিন পর নিজ গ্রামে পৌঁছেছে। তিনি সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
শনিবার (৬ জুন) দুপুরে সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টারে করে সেনাবাহিনীর একটি চৌকস দল লাশ নিয়ে লালমোহন কলেজ মাঠে আসেন। বিকেলে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
মহিউদ্দিন চপল লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়নের ফরাজি বাজার এলাকার বাসিন্দা দেলোয়ার হোসেন মেম্বারের ছেলে।
জানা যায়, দুই মাস আগে সেনাবাহিনী থেকে মিশনে দক্ষিণ সুদান যান মহিউদ্দিন চপল। ৩০ মে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হলে তাৎক্ষণিক তাকে উগান্ডার একটি হসপিটালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৃত্যু হয় তার। এদিকে তার মৃত্যুর খবরে পরিবারে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার স্ত্রী ও ২ ছেলে সন্তান রয়েছে।
৭ দিন পর সেনাবাহীনির হেলিকপ্টার করে দক্ষিণ সুদানে মিশনে গিয়ে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করা ভোলার লালমোহনের মো. মহিউদ্দিন চপল। তিনি সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
দুই মাস আগে সেনাবাহিনী থেকে মিশনে দক্ষিণ সুদান যান মহিউদ্দিন চপল। ৩০ মে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হলে তাৎক্ষণিক তাকে উগান্ডার একটি হসপিটালে নেওয়া হয়। সেখানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে মৃত্যু হয় তার।
মহিউদ্দিন চপলের বাড়ি লালমোহন ফরাজি বাজার এলাকায়। বাবা দেলোয়ার হোসেন মেম্বার ও মা পুত্রশোকে বারবার মূর্ছা যান। তারা মানতে পারছেন না তাদের ছেলে আর নেই। মৃত্যুর খবরে পরিবারে সবার মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার স্ত্রী ও ২ ছেলে সন্তান রয়েছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

