কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ জন আনসার সদস্য দেওয়া হয়েছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সরকারি হাসপাতালে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্র জানিয়েছে।
জরুরি বিভাগ, আউটডোর ও ইনডোরে শৃঙ্খলা বজায় এবং সেবাপ্রার্থী রোগীদের নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করবেন আনসার সদস্যরা।
কিছুদিন আগে মারামারির ঘটনায় হাসপাতালের ইনডোরে ভর্তি রোগীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। কয়েক দিন আগেও জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়ার সময় রোগীর লোকজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় আনসার সদস্যরা এসে নিয়ন্ত্রণে আনে পরিস্থিতি।
হাসপাতালের পরিসংখ্যান সহকারী নাঈমা আক্তার জানান, বহিঃবিভাগে বেড়েছে রোগী। প্রতিদিন গড়ে ৪০০ থেকে ৫০০ রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। জরুরি বিভাগে জরুরি রোগী ছাড়াও সাধারণ রোগীরাও ভিড় জমায়। সেখানে প্রতিদিন শতাধিক রোগী সেবা নিচ্ছে বলে দায়িত্বরত উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মনিরুল ইসলাম জানান।
অপরদিকে ৫০ শয্যার হাসপাতালে ২৩ বেড নিয়ে বেডের সংকটে দ্বিগুণ রোগীর জায়গা হয় মেঝেতেই। সব মিলিয়ে দেড় লাখ মানুষের সুচিকিৎসা নিশ্চিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।
হাসপাতালে বহির্বিভাগে আগত রোগী নুরুল ইসলাম বলেন, আগে সিরিয়াল নিতে কিংবা ডাক্তার দেখাতে অনেক সময় ঠেলাঠেলি হতো, এখন আনসার সদস্য থাকায় লাইনে শৃঙ্খলা ফিরে আসছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প কর্মকর্তা ডা. গোলাম মারুফ বলেন, হাসপাতালের শৃঙ্খলা বজায়ে ১০ জন আনসার সদস্য দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে জরুরি বিভাগ, আউটডোর ও ইনডোরে শৃঙ্খলা রক্ষায় তারা দায়িত্ব পালন করবেন। হাসপাতাল কমপ্লেক্সে জায়গা থাকলেও ভবন ও বেড সংকট নিরসনে আরেকটি ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে।
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

