কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষিকার একমাত্র সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) লাশের সুরতহাল প্রতিবেদনে মাথায় মারাত্মক আঘাত এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক জখমের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশের ধারণা, মাথার আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে।
সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতকারী কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল ইসলাম জানান, অপ্রতিমের মাথায় অত্যন্ত গুরুতর আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাথায় এই আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছোটখাটো আরও কিছু জখম পাওয়া গেছে। তবে ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন এলে এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত তথ্য জানা যাবে।
ময়নাতদন্তে অংশ নেওয়া একজন চিকিৎসক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আপাতত মাথায় মারাত্মক আঘাতের ফলে মৃত্যু হয়েছে বলে আমরা ধারণা করছি। তবে তাকে হত্যার আগে শ্বাসরোধ করা হয়েছিল কি না কিংবা কোনো চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার অগ্রগতি প্রসঙ্গে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশের বিশেষ বিভাগের (এসআরবি) হেফাজতে থাকা আটককৃতদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে বিস্তারিত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
তিনি আরো জানান, রোববার অপ্রতিমের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়ের করা হবে।
জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) ওসি মোহাম্মদ শামসুল আলম শাহ শনিবার রাতে জানান, স্কুলছাত্র অপ্রতিম হত্যার মূল রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে এবং ঘটনায় জড়িতদের ইতোমধ্যে আটক করা হয়েছে। পুলিশ সুপার রোববার সংবাদ সম্মেলন করে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাবেন।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

