তারা তিনজনই তরুণী। তিনজনই তারা বিবাহিত। এই তিন গৃহবধূ নিজেদের শরীরে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে নিষিদ্ধ ইয়াবা ট্যাবলেট নিয়ে আসছিলেন টেকনাফ থেকে কক্সবাজারে। পথিমধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ান সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি সদস্যরা। তারা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের উখিয়া-রামুর সীমানা পয়েন্টের মরিচ্যা যৌথ চেকপোষ্টে তাদের শরীর তল্লাশি করে উদ্ধার করেন এক লাখ ১৪ হাজার পিস বার্মিজ ইয়াবা। বিজিবির দাবি, উদ্ধার হওয়া ওই ইয়াবার বাজারমূল্য ৩ কোটি ৪২ লাখ টাকা।
বৃহস্পতিবার বেলা ১টা ৪০ মিনিটের দিকে বিশেষ এ অভিযান চালানো হয়। বিজিবির রামু ব্যাটালিয়ন (৩০ বিজিবি) অধিনায়ক লেফট্যানেন্ট কর্নেল কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
লাখো ইয়াবা নিয়ে ধরা পড়া ওই তিন গৃহবধূ হলেন সাকের আহমেদের স্ত্রী সাবেকুন নাহার (৪০), খায়রুল বাশারের স্ত্রী আমিনা আক্তার (৩০) ও এবাদুল্লাহর স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার (২১)। এরা প্রত্যেকেই সীমান্ত উপজেলা টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের দক্ষিণ হ্নীলা এলাকার পশ্চিম রঙ্গীখালী গ্রামের বাসিন্দা।
বিজিবি জানায়, মরিচ্যা যৌথ চেকপোস্টের কাছাকাছি গোয়ালিয়া এলাকায় ওই তিন নারীকে বহনকারী সিএনজি অটোরিকশাটি সন্দেহজনক কারণে আটক করা হয়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সেই তিন নারী কোন ধরনের মাদক বহনের বিষয়টি অস্বীকার করলে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে তাদের শরীরে তল্লাশি করা হয়। তাদের শরীরে বিশেষ ভাবে লুকায়িত অবস্থায় এক লাখ ১৪ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

