সাতকানিয়ায় সন্ত্রাসীর কাছে অস্ত্র বিক্রি করা সেই কনস্টেবল মো. রিয়াদকে আটক করে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি) নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করতে থাকে। শনিবার তাকে নগরের কোতোয়ালি থানায় আনা হয়।
মো. রিয়াদ সবশেষ চাঁদপুর জেলা পুলিশে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি কক্সবাজার র্যাবে ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া থানার কাঞ্চনায়। গত ৩ মার্চ রাতে এওচিয়া ইউনিয়নে দু’জামায়াতকর্মী নেজাম উদ্দিন ও আবু ছালেককে পরিকল্পিত হত্যা করা হয়।
ওই সময় নিহত নেজামের লাশের পাশ থেকে একটি পিস্তল উদ্ধার করা হয়। ওই অস্ত্রটি এই পুলিশ সদস্য রিয়াদ বিক্রি করে। এই নিয়ে আমার দেশ পত্রিকায় গত ১২ মার্চ 'সাড়ে পাঁচ লাখ টাকায় অস্ত্রটি বিক্রি করে পুলিশ' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। এরপর নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
লাশের পাশে পাওয়া অস্ত্রটি কোতোয়ালি থানার বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। অত্যাধুনিক এ অস্ত্রটি উদ্ধারের পর সাতকানিয়ায় নেজামের পাঁচ সহযোগীর নাম উল্লেখ করে মামলা করেছে পুলিশ।
তদন্ত সংশ্লিষ্টরা পুলিশ কনস্টেবল রিয়াদ অস্ত্র ও গুলি বেচাকেনায় জড়িত এটি মোটামুটি নিশ্চিত। গত বছরের ৫ আগস্ট বিভিন্ন থানায় আক্রমণ করা হয়। এসময় পুলিশের অস্ত্র ও গুলি লুট করে দুর্বৃত্তরা। এ সুযোগে কিছু কিছু অসাধু কর্মকর্তা থানায় অস্ত্র জমা দেননি। পরবর্তীতে টাকার লোভে পড়ে কেউ কেউ সন্ত্রাসী চক্রের কাছে অস্ত্র বিক্রি করে দেয়।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশ দক্ষিণ জোনের উপ-কমিশনার শাকিলা সোলতানা বলেন, অভিযুক্ত কনস্টেবলকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সাতকানিয়ায় যে অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে সেটি রিয়াদ বিক্রি করেছে এমন তথ্য এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল করিম বলেন, শনিবার রিয়াদকে হেফাজতে নিয়ে সিএমপির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।
এমএস
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

