বদলি আদেশের দুই সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও নিজ কর্মস্থল কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা ছাড়েননি এসিল্যান্ড তারেক রহমান। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
গত ৩০ জুলাই চট্টগ্রাম বিভাগের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (রাজস্ব) গোলাম মোস্তফা মুন্না স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তারেক রহমানকে কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় বদলি করা হয়।
তবে বদলির আদেশ জারির প্রায় দুই সপ্তাহ পরও তিনি ব্রাহ্মণপাড়ায় কর্মরত রয়েছেন বলে জানা গেছে। এতে সরকারি বদলির আদেশ বাস্তবায়নে বিলম্বের কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গত প্রায় এক বছর ধরে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা ভূমি অফিসের কার্যক্রম নিয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে এসিল্যান্ড তারেক রহমানের বিরুদ্ধে। বিশেষ করে উপজেলা ড্রেজার মেশিনের নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া ভূমি অফিসে ঘুষ-বাণিজ্য ও ড্রেজার-বাণিজ্যে জড়িত থাকার অভিযোগও করেছেন স্থানীয় কয়েকজন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া প্রয়োজন।
স্থানীয়দের প্রশ্ন, সরকারি বদলির আদেশ জারির পরও একজন কর্মকর্তা কীভাবে আগের কর্মস্থলে দায়িত্ব পালন করছেন? বদলির আদেশ কার্যকরের ক্ষেত্রে কোনো প্রশাসনিক জটিলতা রয়েছে কি না, সেটিও স্পষ্ট করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারেক রহমান আমার দেশকে বলেন, এই চিঠি পাইছেন। পরের চিঠি পাননি। পরে কোনো চিঠি এসেছে কি না জানতে চাইলে তিনি আর কোনো মন্তব্য করেননি।
তারেক রহমান ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে যোগদান করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ ও বদলির আদেশ কার্যকর না হওয়ার বিষয়ে প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

