১৪ শিক্ষক মিলেও পাস করাতে পারেনি এক শিক্ষার্থীকে

১৪ শিক্ষক মিলেও পাস করাতে পারেনি এক শিক্ষার্থীকে

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার দুর্বাশুর আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে ১৪ জন শিক্ষক মিলেও পাস করাতে পারেননি এক শিক্ষার্থীকে।

বিজ্ঞাপন

ওই কলেজ থেকে এ বছর মাত্র একজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। কিন্তু সেই শিক্ষার্থীও ফেল করেছেন। শনিবার প্রকাশিত এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে ঢাকা বোর্ডের শূন্য পাসের তালিকায় স্থান পেয়েছে কলেজটি।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, ২০২৬ সালে মাত্র ১ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, সেই শিক্ষার্থীও অকৃতকার্য হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকে এই করুণ অবস্থার জন্য পরিচালনা পর্ষদ, প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের দায়ী করেছেন।

জানা গেছে, ২০০৯ সালে কলেজ শাখা চালু করা হয়। কলেজটিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ থাকলেও স্কুল বিভাগের ১৪ জন শিক্ষক দিয়েই কলেজের শিক্ষার্থীদের পাঠদান করানো হচ্ছিল। এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় শুধু মানবিক বিভাগ থেকে একজন শিক্ষার্থী অংশ নেন। বাকি দুটি বিভাগে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি ছিল না।

এ বিষয়ে স্কুল শাখার প্রধান শিক্ষক স্বর্ণা রানি বিশ্বাস বলেন, ‘কলেজটি গ্রাম এলাকায় হওয়ায় তেমন ছাত্র-ছাত্রী পাওয়া যায় না। এ জন্য শিক্ষকেরাও ঠিকমতো কলেজে আসেন না। শিক্ষার্থী ভর্তির ব্যাপারেও তাদের কোনো উৎসাহ নেই।’

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মাহফুজা বেগম বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব স্কুল পর্যায় দেখাশোনা করা, এটি কলেজ বিভাগ। কলেজ বিভাগ দেখাশোনা করেন ঢাকা অঞ্চলের একজন পরিচালক, তারা এ বিষয়ে ভালো বলতে পারবেন।’

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ আশিক কবির বলেন, প্রতিষ্ঠানটি থেকে মাত্র একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়টি জেনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এমই

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন