টাঙ্গাইলের সখিপুরে নিহত শিশু সেজুঁতি রানী (৮) এর বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী এড. আহমেদ আযম খান গিয়ে পৌঁছালে সেজুঁতির বাবা-মা মন্ত্রীর পায়ে লুটিয়ে পড়েন এবং সেজুঁতিকে হত্যা করা হয়েছে দাবী করে খুনিদের বিচার দাবি করেন।
এসময় সেজুঁতির বাবা-মায়ের কান্নায় এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। মন্ত্রী সেজুঁতির ময়নাতদন্তে যদি হত্যার আলামত পাওয়া যায় তাহলে খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী এড. আহমেদ আযম খান বলেন-এক সপ্তাহের মধ্যে সেজুঁতির ময়না তদন্তের রিপোর্ট আসতে হবে। রিপোর্টে যদি হত্যাকাণ্ডের আলামত পাওয়া যায় তাহলে খুনিদের দ্রুত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হবে। যেমন মাত্র ছয় কার্যদিবসে রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে, মৃত্যুদণ্ড হয়েছে, এখানেও যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, রিপোর্টে যদি ধরা পরে তাহলে যতদ্রুত সম্ভব দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে দশটায় সখিপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডে মন্দির পাড়া এলাকায় নিহত সেজুঁতির বাড়িতে তার বাবা-মা'কে সান্ত্বনা দিতে যান মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রী। এসময় মন্ত্রী ওই পরিবারকে একলক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
নিহত সেজুঁতির বাবা ফালু চন্দ্র বলেন, আমার মেয়েকে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে আমি এর বিচার চাই, ফাঁসি চাই।
সখিপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন পিপিএম বলেন, শিশু সেজুঁতি নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে দিনরাত পুলিশ এই বিষটি নিয়ে কাজ করছে, আমরা ময়না তদন্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষায় আছি, এই মৃত্যুর পেছনে যদি কোন কারণ থাকে তাহলে সেটি খুঁজে বের করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি।
প্রসঙ্গত, গত ২০ জুন, শনিবার, বিকেল ৪টার পর সখিপুর পৌরসভার ৭ নং ওয়ার্ডের ফালু চন্দ্রের মেয়ে ও স্থানীয় শিশু কানন প্রি-ক্যাডেট স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সেঁজুতি রানী (৮) নিখোঁজ হয়। এর দুইদিন পর ২২ জুন সকালে সখিপুর উপজেলা পরিষদ পুকুর তার লাশ পাওয়া যায়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

