লুটের স্বর্ণ ভাগাভাগি নিয়ে যুবদল নেতা হত্যা মামলার আসামি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের দুই নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
মঙ্গলবার দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেনকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়।
স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গোলাম জাহিদ ও মারুফ হোসেনকে দলীয় সব পদ এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের সঙ্গে দলীয় আর কোনো সম্পর্ক না রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অবহিত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বহুল আলোচিত মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শাকের হোসেন হত্যা এবং স্বর্ণ লুটের মামলায় সদ্য বহিষ্কৃত জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক গোলাম জাহিদ ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মারুফ হোসেন গ্রেপ্তার হন। আসামিরা রিমান্ডে পুলিশকে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন। স্বর্ণ লুটের ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে গুলি করে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে আসামিরা।
মাগুরা পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন জানান, যুবদল নেতা শাকের হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে পৌনে ছয়টি স্বর্ণের বার এবং স্বর্ণ ডাকাতিতে ব্যবহৃত গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। লুটের স্বর্ণের ভাগাভাগি নিয়ে শাকের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অনেক মিল রয়েছে।
তিনি আরো জানান, গত ৬ অক্টোবর মাগুরা সদর উপজেলার রামনগর এলাকায় একটি পরিবহনে ১৪টি স্বর্ণের বার লুটের ঘটনা ঘটে। ওই মামলায় জড়িত গোলাম জাহিদকে মঙ্গলবার ভোররাতে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া মাগুরা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কয়েকজন আসামি স্বর্ণ লুটের সঙ্গে নিহত শাকেরসহ তাদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন।
গত ২১ অক্টোবর সকালে মাগুরা বাস টার্মিনালে রয়েল পরিবহনের একটি কাউন্টারে যুবদল নেতা শাকের হোসেনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এমই
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

