খুলনার শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজে জুলাই শহীদ দিবসের আলোচনা সভায় এক শিক্ষকের বক্তব্যে বাধাদান ও হট্টগোলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে কর্তৃপক্ষের দাবি, ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব থেকে বিতর্ক হয়েছে; জুলাইকে কেন্দ্র করে নয়।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলেজের টিচার্স লাউঞ্জে এ ঘটনা ঘটে।
কলেজ সূত্রে জানা গেছে, জুলাই শহীদ দিবসের আলোচনা সভার বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রভাষক মনিরুজ্জামান মোড়ল বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের ফলে আমরা কথা বলার স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি, যা ফ্যাসিস্ট শাসনামলে ছিল না। এ কথা বলায় কিছু শিক্ষক অযাচিতভাবে ওই শিক্ষকের বক্তব্যকে কটাক্ষ করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।
নিরুজ্জামান মোড়ল অভিযোগ করে জানান, জুলাই শহীদ দিবসের আলোচনা সভায় তিনি বক্তব্য দিতে দাঁড়ালে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইমরান হোসেন আজম খান তাকে কটাক্ষ করেন ও প্রকাশ্যে উচ্চস্বরে বক্তব্যের সমালোচনা করেন। এ নিয়ে বাগ্বিতণ্ডার সৃষ্টি হলে রায়হান হোসেন ও আয়শা আবু বক্কর নামে দুই শিক্ষক ইমরান হোসেনের পক্ষ নিয়ে অযাচিত মন্তব্য করেন।
মনিরুজ্জামানের অভিযোগ, ইমরান হোসেন কমার্স কলেজে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। জুলাই অভ্যুত্থানের পর কয়েক মাস আত্মগোপনে থাকায় কলেজে আসেননি। এখন সদর্পে কলেজে ফিরে ফ্যাসিবাদের পক্ষে কথা বলেন।
অভিযোগ অস্বীকার করে ইমরান হোসেন বলেন, মনিরুজ্জামান মোড়ল প্রতিনিয়ত ঝামেলা করার চেষ্টা করেন। ব্যক্তিগতভাবে খোঁচা দিয়ে কথা বলেন। আমি একটি দলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম বলে বিভিন্নভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেন।
কলেজের অধ্যক্ষ রুমা নন্দী বলেন, জুলাইসংক্রান্ত আলোচনা নিয়ে ঝামেলা হয়নি। ব্যক্তিগত প্রসঙ্গে কথাকাটাকাটি হয়। ঘটনা খুবই সামান্য। তিনি বলেন, আগস্টের পর থেকে আমরা ইমরানকে কোনো অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়া থেকে এড়িয়ে চলি।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

