রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও হল সংসদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর তাদের নামে কোনো কার্যক্রম পরিচালনা বিধিসম্মত নয় বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে রাকসুর নাম ব্যবহার করে কোনো ছাত্র সংগঠনের তৎপরতাকেও বিধিবহির্ভূত বলে উল্লেখ করেছে প্রশাসন।
মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বক্তব্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার সামাজিক মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে রাকসুর উদ্যোগে বিভিন্ন হল সংসদের মাধ্যমে জিমনেসিয়ামের সরঞ্জাম সরবরাহসহ নানা কর্মকাণ্ডের তথ্য ও সংবাদ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে এসেছে। এসব তথ্য ও সংবাদ বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী বলে মনে করে কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানায়, রাকসু ও হল সংসদের মেয়াদ গত ২৬ অক্টোবর শেষ হয়েছে। ফলে ওই তারিখের পর তাদের কোনো কার্যক্রম বিধিসম্মত নয়। এ ছাড়া রাকসুর নাম ব্যবহার করে কোনো ছাত্র সংগঠনের তৎপরতাও বিধিবহির্ভূত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, কোনো ছাত্র সংগঠন যেন রাকসু ও হল সংসদের নাম ব্যবহার করে কর্মকাণ্ড পরিচালনা না করে, সে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আহ্বান জানাচ্ছে।
এ বিষয়ে উক্ত বিজ্ঞপ্তির ফেসবুক পোস্টের কমেন্টে রাকসু'র জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার লিখেন, 'কতবড় ননসেন্সগুলা, গাম্বাট এই বসে আছে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগোলতে একটাবার চিন্তা করেন। রাকসুর সর্বশেষ অধিবেশন হয়েছে সেপ্টেম্বরের ৩০তারিখ। তারপর এই বাজেট উত্তোলন করতে পেরেছি এই মাসের ২১তারিখ। ১১টি ছেলেদের হল আর মেয়েদের কেন্দ্রীয় জিমনেসিয়াম এর জিনিস অর্ডার করে নিয়ে আসতে সময় লেগেছে। এজন্য এখন আর এই কাজ করা যাবে না। অধিবেশনে পাশ হওয়া এখনো মিনিমাম ডজনখানেক কাজ চলমান। তো এগুলো রাকসু শেষ করবে না?'
রাকসু'র এজিএস সালমান সাব্বির লিখেন, 'জনাব প্রশাসক মহোদয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মহোদয়ই রাকসুর সভাপতি। তার অনুমোদনক্রমেই রাকসুর ফান্ড থেকে অর্থ উত্তোলন করে এসব কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আর, এই কার্যক্রম নতুন নয়। বেশ কয়েক মাস আগে থেকেই এর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। বাস্তবায়নের বিভিন্ন ধাপ সম্পন্ন করতে কিছুটা সময় লাগছে মাত্র। সামনেও এ ধরনের আরও কয়েকটি উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে।'
এমএইচ
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

