লংমার্চে যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জে দুই জামায়াত নেতাকে ছুরিকাঘাত

লংমার্চে যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জে দুই জামায়াত নেতাকে ছুরিকাঘাত

১১ দলীয় জোটের লংমার্চে যাওয়ার পথে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদে আব্দুস সবুর ও নুরুন্নবীকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত করার অভিযোগ করেছেন জেলা জামায়াতের নেতারা। এ জন্য স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের তারা দায়ী করেছেন।

আহত জামায়াত নেতা সবুরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

তবে হামলার ঘটনা অস্বীকার করেছেন বিএনপির নেতারা।

জামায়াত নেতাদের অভিযোগ, ১১ দলীয় জোটের ঢাকা টু রংপুর লংমার্চের গাড়িবহর যমুনা সেতু পার হয়ে সিরাজগঞ্জের সয়দাবাদ এলাকা দিয়ে চলে যাওয়ার পর জামায়াত নেতা আব্দুস সবুর জোহরের নামাজ শেষে মসজিদ থেকে বের হন। এ সময় স্থানীয় বিএনপির কর্মী পারভেজ, আলামিন ও হাসানের নেতৃত্বে বিএনপির কয়েকজন কর্মী আব্দুস সবুর ও নুরুন্নবীর ওপর হামলা করেন। এ সময় তাদের এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাতে তারা গুরুতর আহত হোন। পরে তাদের উদ্ধার করে প্রথমে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

জামায়াত নেতারা আরও বলেন, সকাল থেকে বিএনপির কর্মীরা গাড়িবহরে হামলার চেষ্টা করেন। জামায়াত ও শিবিরের শক্ত প্রতিরোধের কারণে কিছু করতে পারেননি। কিন্তু গাড়িবহর পার হয়ে যাওয়ার পর বিচ্ছিন্নভাবে লংমার্চে আগত লোকজনের ওপর পরিকল্পিত হামলা করতে থাকেন।

সয়দাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি রফিক সরকার বলেন, জামায়াত নেতাদের অভিযোগ সত্য নয়। বরং জামায়াতের নেতাকর্মীরা আল আমিন নামে তাদের এক কর্মীকে মারপিট করেছেন। এ বিষয়ে প্রত্যক্ষ সাক্ষী রয়েছে। বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করতে জামায়াত নেতারা মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।

জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি (মিডিয়া সেলের দায়িত্ব) শহিদুল ইসলাম বলেন, জামায়াতের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা করা হয়েছে। গুরুতর আহত আব্দুস সবুরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি রাকিবুল হাসান বলেন, ‘আমরা ঘটনা শুনেছি, অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন