আমার দেশ জনপ্রিয় বাংলা নিউজ পেপার

আমের মুকুলের মিষ্টি সুবাসে সুবাসিত পলাশবাড়ীর বাতাস

উপজেলা প্রতিনিধি, পলাশবাড়ী (গাইবান্ধা)

আমের মুকুলের মিষ্টি সুবাসে সুবাসিত পলাশবাড়ীর বাতাস
ছবি: আমার দেশ

পলাশবাড়ীর আমগাছগুলোতে এসেছে মুকুল । মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে‌ সবখানে। বাতাসে ভেসে বেড়াচ্ছে মিষ্টি সুবাস। চলতি পথে অনেক পথিক একটু থেমে দেখে নিচ্ছে হলদে সোনালি মুকুলের রূপ। আন্দোলিত হচ্ছে পথিকের মন।

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বসতবাড়ির আঙিনা থেকে শুরু করে পুকুরপাড়, রাস্তার ধার কিংবা বিস্তীর্ণ বাগান— সবখানেই আমগাছের ডালে ডালে ঝুলে আছে থোকা থোকা মুকুল। ছড়াচ্ছে সুবাস গ্রামীণ বাতাসে।

বিজ্ঞাপন

ছাদবাগানের ড্রামে লাগানো গাছেও দুলছে মুকুল। চারদিকে মুকুলের মিষ্টি সুবাসের আবেশে বিভোর সবাই। সেই সঙ্গে শুরু হয়েছে মৌমাছি-প্রজাপতির আনাগোনা, মুকুলের মিষ্টি-মধুর সন্ধানে।

পলাশবাড়ীর মাটি আম চাষের উপযোগী ও লাভজনক হওয়ায় শুধু কৃষক নযন, অন্য পেশার অনেকেই আমবাগানের দিকে ঝুঁকছেন। এমনি একজন নূরপুর গ্রামের বাসিন্দা কলেজশিক্ষক মমিনুল ইসলাম। তার মতে, নিজ আমবাগানে ছোট-বড় সব গাছেই থরে থরে মুকুল এসেছে। বড় ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় না হলে এবার ভালো ফলন আশা করছেন তিনি।

উপজেলার নুনিয়াগাড়ী, আন্দুয়া, মহেশপুর গোয়ালপাড়া, নূরপুর, দুর্গাপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে স্থানীয় জাতের পাশাপাশি আম্রপালি, হাঁড়িভাঙা, বারি-ফোর, গৌরমতি, ব্যানানা, বারোমাসি কাটিমন— এমন বাহারি নামের আমের গাছে গাছে চলছে মুকুলের সমারোহ।

উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শর্মিলা শারমিন জানান, পলাশবাড়ীর মাটি আম চাষের উপযোগী হওয়ায় এখানে বাণিজ্যিকভাবে আম চাষের পরিধি বাড়ছে। বর্তমানে প্রায় ২৩৩ হেক্টর জমিতে আমের চাষ হচ্ছে। মুকুল আসা থেকে শুরু করে ফল ধরা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর ভালো ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন