জেলা পর্যায়ে শিল্প-সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদান রাখায় ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচটি ক্যাটাগরিতে ২৯ জন গুণীশিল্পীকে ‘শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা’ পদক দেওয়া হয়েছে। একই সাথে একটি সৃজনশীল সংগঠনকেও পদক প্রদান করা হয়।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে গুণীশিল্পীদের হাতে পদক তুলে দেন জাতীয় সংসদের হুইপ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি জি কে গউছ এমপি।
এসময় জেলা প্রশাসক ড. জি এম সরফরাজ, পুলিশ সুপার তারেক মাহমুদ, অধ্যাপক জাহানারা বেগম, জাসাস জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান চৌধুরী, জেলা কালচারাল অফিসার অসিত বরণ দাস উপস্থিত ছিলেন।
২০২০ পদক পাওয়া গুণী শিল্পীরা হলেন—গোলাম মোস্তুফা রফিক (কণ্ঠসংগীত), মো. সফিকুর রহমান চৌধুরী (নাট্যকলা), ইলিয়াছ বখত চৌধুরী জালাল (সৃজনশীল সংগঠক), তাহমিনা বেগম গিনি (সৃজনশীল সংস্কৃতি গবেষক) ও অবনি হোম দাস (যাত্রাশিল্পী)।
২০২১ পদক পাওয়া গুণী শিল্পীরা হলেন—তাপস কৃষ্ণ মহারত্ন (কণ্ঠসংগীত), ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী (নাট্যকলা), আশরাফুল করিম (লোক সংস্কৃতি), জাহির মিয়া (যাত্রাশিল্পী) ও সুরবিতান ললিতকলা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (আঞ্চলিক সৃজনশীল সংগঠন)।
২০২২ পদক পাওয়া গুণীশিল্পীরা হলেন—প্রভুদ সূত্রধর (কণ্ঠসংগীত), বাবুল আহমেদ মল্লিক (নাট্যকলা), বন্ধু মঙ্গল রায় (চারুকলা), হরিপদ দাশ (যন্ত্রসংগীত) ও জনেশ দাস (যাত্রাশিল্পী)।
২০২৩ পদক পাওয়া গুণী শিল্পীরা হলেন—সরোজ কান্তি দাশ (কণ্ঠসংগীত), শাহ আলম চৌধুরী মিন্টু (নাট্যকলা), জেসমিন আরা খানম (নৃত্যকলা), অসীম বণিক (চারুকলা) ও টেনু মিয়া (যন্ত্রসংগীত)।
২০২৪ পদক পাওয়া গুণী শিল্পীরা হলেন—কাজল চন্দ্র গোপ (কণ্ঠসংগীত), হারুন সাঁই (নাট্যকলা), মুকতাদির ইবনে সালাম (চলচিত্র), তরুন কুমার রায় (চারুকলা) ও সৌরভ বিকাশ দেব (ফটোগ্রাফি)।
২০২৫ পদক পাওয়া গুণী শিল্পীরা হলেন—সৈয়দ আশিকুর রহমান (কণ্ঠসংগীত), পার্থ প্রতীম সেন (নাট্যকলা), গৌতম দাস সুমন (নৃত্যকলা), মীর কমর উদ্দিন (চারুকলা) ও সুবীর কান্তি রায় (যন্ত্রসংগীত)।
জেডএম
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

