এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলকে ঘিরে রাজধানীর উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। দীর্ঘ অপেক্ষা শেষে কাঙ্ক্ষিত ফল হাতে পেয়ে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা গেছে বাড়তি আনন্দের আমেজ। অভিভাবকদের মধ্যেও ফলাফল নিয়ে চলছিল অপেক্ষা। সন্তান কাঙ্ক্ষিত ফল করবে, এমন প্রত্যাশার পাশাপাশি ফল প্রকাশের পর আনন্দের মুহূর্তটি সন্তানদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার প্রস্তুতিও তাদের মধ্যে দেখা গেছে।
সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে হলিক্রস উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে বইছে আনন্দের বন্যা। দুপুর ১২টার পর তেজগাঁওয়ের হলিক্রস কলেজ প্রাঙ্গণে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনকারী শিক্ষার্থীরা একে একে এসে হাজির হন। বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল না জানানো হলেও উপস্থিত শিক্ষার্থীরা অনলাইনের মাধ্যমে রেজাল্ট দেখে বিদ্যালয়ে আসতে শুরু করেন। এ সময় বন্ধু-বান্ধব আর অভিভাবকরা একসঙ্গে আনন্দে মেতে উঠতে দেখা গেছে। রেজাল্ট ভালো করায় বন্ধুরা একজন অন্যজনকে জড়িয়ে ধরে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেয়। গান, আড্ডা, গল্প আর হাসাহাসিতে স্কুল প্রাঙ্গণে এক আনন্দমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। শিক্ষকরাও ছাত্রীদের সাফল্যে খুশি হন। অনেক শিক্ষককে দেখা গেছে ছাত্রীদের সঙ্গে সেলফি তুলতে।
এখান থেকে শিক্ষার্থী তানিয়া কবীর জিপিএ-৫ পেয়েছে। এ রকমই একটি ফলাফলের প্রত্যাশা নিয়েই সে পড়াশোনা করেছে। তানিয়ার মা ফায়জুনন্নেসাও মেয়ের এই ফলাফলেরই প্রত্যাশী ছিলেন। মেয়ে তার প্রত্যাশা পূরণ করতে পেরেছে বলে সে ভীষণ খুশি হয়েছেন বলে জানান তিনি।
এ বছর তার স্কুলের ফলাফল কেমন হয়েছে জানতে চাইলে স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা সিস্টার কল্পনা কস্তা বলেন, বরাবরই তার স্কুল ভালো ফলাফল করে। এবারের ফলাফল আশানুরূপ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা একজন শিক্ষার্থীকে অনেক নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে দিয়ে গড়ে তুলি। যার ধারাবাহিকতায় আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রতিবারই ভালো রেজাল্ট করতে পারে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


