ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

নারীদের মাধ্যমে নিকাব-হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তের সিদ্ধান্ত

নারীদের মাধ্যমে নিকাব-হিজাব পরিহিত ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তের সিদ্ধান্ত

ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও গোপনীয়তা বিবেচনায় রেখে নারী শিক্ষক, নারী কর্মকর্তা বা নারী কর্মচারীদের মাধ্যমে নিকাব ও হিজাব পরিহিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সম্প্রতি হিজাব-নিকাব পরিহিত নারী শিক্ষার্থীদের ভোগান্তির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার উপাচার্যের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ডিনস্ কমিটির এক সভায় এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান সভায় সভাপতিত্ব করেন।

বিজ্ঞাপন

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ছাত্রীদের পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য প্রয়োজনে নারী সহকারী প্রক্টরের সহযোগিতা নেয়া হবে। পরিচয় শনাক্তকরণের জন্য ফিঙ্গারপ্রিন্টিং বা বায়োমেট্রিক সিস্টেম চালুর সম্ভাব্যতার বিষয়টি যথাসময়ে যাচাই করা হবে বলেও সভায় আলোচনা করা হয়।

উল্লেখ্য, নারী শিক্ষার্থীদের হিজাব ও নিকাব পরে পরীক্ষা ও ভাইভা দিতে গিয়ে শিক্ষকদের হেনস্তার শিকার হওয়ার অভিযোগটি বেশ পুরোনো। সম্প্রতি এমন ঘটনাও ঘটেছে৷

236

বৃহস্পতিবার বাংলা বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাহমিনা আক্তার তামান্না হিজাব ও নিকাব পরার কারণে দ্বিতীয় বর্ষের সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষা দেওয়ার সময় শিক্ষকদের হেনস্তার শিকার হন বলে অভিযোগ করেন।

পরে সন্ধ্যা সাতটায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (ডুজা) কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে তিনি এই অভিযোগ করেন। এসময় তিনি হিজাব ও নিকাব পরিহিত নারী শিক্ষার্থীদের চেহারা দেখে শনাক্তের পরিবর্তে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিতে শনাক্ত করার দাবিসহ তিনটি দাবি জানান।

তার বাকি দাবিগুলো হলো- বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করার পূর্ব পর্যন্ত নারী শিক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষা ও ভাইভায় নারী শিক্ষিকার মাধ্যমে শনাক্ত করার কার্যকরী ব্যবস্থা করা এবং ইতঃপূর্বে নারী শিক্ষার্থীদের সাথে সংঘটিত প্রতিটি নিপীড়ন ও হেনস্তার যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষে সকল নিপীড়কদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন