চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের একটি প্রোগ্রামে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোরবিরোধী ও আওয়ামীপন্থী শিক্ষক হাসান মোহাম্মদ রুমান শুভর উপস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে।
রোববার দুপুরে আইন অনুষদে একে খান মেমোরিয়াল আইন বক্তৃতা অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন। তার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের বিরোধিতা ও সাধারণ শিক্ষার্থী নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
জানা যায়, গত ২১ আগস্ট আইন বিভাগের শিক্ষক হাসান মুহাম্মদ রোমান শুভর অব্যাহতি চেয়ে ৫ দফা দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এ সময়ে তার বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরোধিতা, গণহত্যাকে সমর্থন, শিবির সন্দেহে শিক্ষার্থীদের হয়রানি এবং মাদকের আসর বসানোসহ বেশকিছু অভিযোগে আনা হয়। এ ছাড়া শিক্ষার্থীরা তাকে বিভাগে অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সমালোচনা করে সাহেদ আলম সিফাত নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, জুলাইয়ের স্পিরিট গায়ে মেখে ঘুরে বেড়ানো স্যারদের কাছে রিকোয়েস্ট থাকলো। সমাবর্তনের দিন ইউনূস স্যারকে দিয়ে জনাব হাসান মোহাম্মদ রোমনাকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক দেন প্লিজ। আন্দোলনের এক বছরও এখনও হয়নি, এখন পর্যন্ত আমরা আওয়ামীলীগ নিষিদ্ধ আমরা করতে পারিনি; কিন্তু রোমান ঠিকই এক বছরের মধ্যে গর্ত থেকে বের হয়ে স্টেজে উঠে ছবি তুলতেসে। এরকম মধুর কামব্যাক তো রিয়াল মাদ্রিদও দিতে পারে না।
জানতে চাইলে আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মু. জাফর উল্লাহ তালুকদার আমার দেশকে বলেন, আমরা তাকে ইনভাইট করেনি৷ অনেক বড় প্রোগ্রাম ছিল এটা। কে কখন আসছে সেটা দেখা সম্ভব হয়নি। তবে সে নিজে থেকেই এসেছে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

