তিন দফা দাবিতে আমরণ অনশনের দ্বিতীয় দিন পার করলেন বিসিএস (নন-ক্যাডার) চাকরিপ্রত্যাশীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়। বুধবার দ্বিতীয় দিনে অনশন চলাকালে বেলি আক্তার নামের এক নারী প্রার্থী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।
অনশনকারীদের তিন দফা দাবি হলো—‘নন-ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) (সংশোধন) বিধিমালা, ২০২৫’ অবিলম্বে গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদসহ নন-ক্যাডারের নামে অধিযাচিত পদসমূহ প্রত্যাহার করে পৃথক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ বন্ধ করতে হবে এবং বিসিএস ক্যাডার ও নন-ক্যাডারে পূর্বের ন্যায় পদ বৃদ্ধি করে অধিকসংখ্যক প্রার্থী সুপারিশের ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
চাকরিপ্রার্থীরা জানান, মানববন্ধন, অবস্থান কর্মসূচি, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা উপায়ে দাবি জানানোর পর তাদেরকে আশস্ত করা হলেও এখনো তা বাস্তবায়িত হয়নি।
অনশনকারীদের অভিযোগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সরাসরি নিয়োগের তোড়জোড় শুরু করেছে। অনশনকারী মইনউদ্দীন সাজ্জাদ বলেন, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন প্রাথমিকে দ্রুত নিয়োগ দিতে। এখন যদি আলাদা বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়, তাহলে সময় লাগবে দুই বছর। অথচ বিসিএস নন-ক্যাডার থেকে নিয়োগ দিলে সময় লাগবে মাত্র এক মাস।
আরেকজন অনশনকারী রহমান খলিল বলেন, সিন্ডিকেটবাজির কারণে এমনটা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, শুধু ৪৩তম নয়, ৪৪তম ও অন্যান্য বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থীরাও তাদের আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। আজ বুধবার প্রায় ২০০-এর বেশি চাকরিপ্রার্থী অনশনকারীদের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছেন।
অনশনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত দাবি আদায় না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত অনশন চলতে থাকবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

