চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এক ক্ষুদ্র খামারির কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক (এসআই) সুমন কবির মৃধাকে ক্লোজড করা হয়েছে। শুক্রবার তাকে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (আনোয়ারা সার্কেল) মাহমুদুল হাসান। তিনি বলেন, ‘রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুমন কবির মৃধাকে পুলিশ সুপার চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করেছেন। তার ব্যাপারে হয়তো দু-এক দিন পর পুলিশ সুপার স্যার একটি ইনকোয়ারি করবেন।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ক্লোজড হওয়ার পর অভিযুক্ত এসআই সুমন কবির মৃধা বাঁশখালী ছেড়ে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে যোগদানের জন্য চলে গেছেন।
ঘুষ নেওয়ার অভিযোগের সূত্রপাত একটি চুরির মামলার তদন্তকে কেন্দ্র করে। বাঁশখালীর চন্দ্রপুর গ্রামের বরপুরা এলাকায় নুরুল আলমের মালিকানাধীন ‘জামশেদ এক্সপ্রেস ডেইরি অ্যান্ড এগ্রো ফার্মে’ গত ৭ জুলাই দিবাগত রাতে চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় খামারি নুরুল আলম বাদী হয়ে গত ২৬ জুলাই বাঁশখালী সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে তদন্তের নির্দেশ দেন। পরে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয় রামদাস হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সুমন কবির মৃধাকে।
মামলার বাদী নুরুল আলমের অভিযোগ, মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার বিনিময়ে তার কাছে ঘুষ দাবি করেন তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুমন কবির মৃধা। একপর্যায়ে তার কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
এ অভিযোগের পর বিষয়টি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আসে। পরে পুলিশ সুপারের নির্দেশে এসআই সুমন কবির মৃধাকে বাঁশখালী থেকে প্রত্যাহার করে চট্টগ্রাম পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহমুদুল হাসান জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে তদন্ত বা অনুসন্ধান করা হবে। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

