ষড়ঋতুর সবসময়ই জুতা পরতে হয়। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ—যে ঋতুই হোক, পায়ে জুতা-মোজা পরা ছাড়া তো চলবে না। বিশেষ করে, কর্মজীবী পুরুষ ও নারীদের প্রতিদিন বাইরে বের হতে হয়। তবে বর্ষাকালে যাদের জুতা পরে বাইরে হাঁটতে হয়, তাদের ভোগান্তির অন্ত নেই।
কাদা ও বৃষ্টির পানিতে জুতা ময়লা হওয়ার সমস্যা প্রকট হয়। এর চেয়েও বড় সমস্যা হলো জুতা-মোজার দুর্গন্ধ। তবে সমস্যা যেমন আছে, তেমনি এর সমাধানও আছে। এ সমস্যা থেকে রক্ষা পেতে নিচে কিছু পরামর্শ দেওয়া হলো।
* প্রতিদিন একই জোড়া জুতা না পরে পালা করে পরতে পারেন। এতে কিছুটা সমাধান মিলতে পারে।
* মোজা পরার আগে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল পাউডার লাগিয়ে নিতে পারেন।
* সাধারণত পা ঘামার প্রবণতা থাকলেই দুর্গন্ধ ছড়ায়। ঘামে ভেজা স্যাঁতসেঁতে পায়ে ব্যাকটেরিয়ার বিস্তার দ্রুত হয়। সময় বাড়ার সঙ্গে দুর্গন্ধও বাড়তে থাকে। তাই অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল পাউডার লাগিয়ে নিলে এ সমস্যা থেকে রেহাই পাবেন।
* বাড়ি ফিরে লবণ মেশানো কুসুম গরম পানিতে কিছুক্ষণ পা ভিজিয়ে রাখতে পারেন।
* স্ক্রাব করে পায়ের মৃত কোষ সরিয়ে ফেললেও দুর্গন্ধ কমবে।
* প্রতিদিন একই মোজা না পরে পালা করে পরলেও কিছুটা সমাধান মিলতে পারে। সবসময় পরিষ্কার মোজা পরা উচিত। আর ত্বক সংবেদনশীল হলে মোজা একদিনের বেশি না পরাই ভালো।
* দীর্ঘ সময় জুতা বা মোজা পরে না থেকে মাঝেমধ্যে জুতা খুলে পায়ের পাতায় বাতাস লাগালে দুর্গন্ধ হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
* বাইরে থেকে ঘরে ফিরে মোজা বাতাসে শুকিয়ে নিতে হবে। আর সাবান-পানিতে ধোয়ার পরও ভালোভাবে শুকিয়ে নিতে হবে, নইলে দুর্গন্ধ ফিরে আসবে।
* জুতা বদ্ধ জায়গায় না রেখে আলো-বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে রাখা উচিত।
* অনেকক্ষণ জুতা পরে থাকতে হলে ফিতা আলগা করে বাঁধতে পারেন, যাতে সুযোগ পেলেই জুতা খুলে ফেলা যায় এবং আবার সহজে পরা যায়।
* সিনথেটিক মোজা পায়ের দুর্গন্ধ বাড়ায়। তাই এ ধরনের মোজা পরা থেকে বিরত থাকুন; সুতি মোজা পরুন।
* বর্তমানে বাজারে পায়ের দুর্গন্ধ দূর করার বিভিন্ন সুগন্ধি পাওয়া যায়। সেগুলোও ব্যবহার করতে পারেন। পায়ের প্রতি যত্নবান হলে দুর্গন্ধ সহজেই এড়ানো যায়।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

