বাহারি কাটে সালোয়ার

লিপিকা আফরোজ

বাহারি কাটে সালোয়ার

প্রতিনিয়তই ফ্যাশনের ধারা পরিবর্তিত হচ্ছে। হালফ্যাশনের একটি পোশাক না হলে যেন ঈদের আনন্দই পূর্ণতা পায় না। তীব্র প্রতিযোগিতার এ সময় সবাই চায় অন্যদের থেকে একটু এগিয়ে থাকতে; ফ্যাশনের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নেই।

কামিজের কাটিং প্যাটার্নে যেমন হাজারো বৈচিত্র্য দেখা যাচ্ছে, তেমনি সালোয়ারের কাটেও চলছে নানা ধরনের নিরীক্ষা। সালোয়ারের কয়েকটি জনপ্রিয় কাট নিয়েই এবারের আয়োজন।

বিজ্ঞাপন

নিউ মার্কেট, মিরপুর, ফার্মগেট ও বসুন্ধরা শপিং মল ঘুরে দেখা যায়, পালাজ্জোর নানা ধরনের নকশা ও আকৃতি পাওয়া যাচ্ছে। কোনোটি প্যান্টের মতো সমান্তরাল, কোনোটি স্কার্টের মতো ছড়ানো, আবার কোনোটি চাপা প্যান্টের মতো সরু ও সমান। আর যদি দর্জি দিয়ে নিজের পছন্দমতো তৈরি করাতে চান, সেটিও সহজেই করিয়ে নিতে পারেন।

ডিভাইডার

পালাজ্জোর মতো অতখানি না হলেও ডিডাইডার খানিকটা ঢোলা আর লম্বা শেপের হয়। ওপরে ও নিচে দুদিকেই সমান ঢিলেঢালা রাখা হয়। গোড়ালি থেকে একটু নিচে কিংবা গোড়ালি বরাবর পরা হয় ডিভাইডার। নিচের অংশে লেস বা এমব্রয়ডারি করে ডিভাইডারে বৈচিত্র্য আনা হচ্ছে এখন।

বাটন প্যান্ট

ওপরে ও নিচে দুদিকেই চাপা থাকে বাটন প্যান্ট। লম্বায় গোড়ালি থেকে একটু ওপরে রাখা হয় উচ্চতা। গোড়ালির কাছে বোতাম দিয়ে ডিজাইন করা হয়। এতে ব্যবহারে সুবিধা আর সৌন্দর্যÑদুটোই হয়। সাধারণত ফেব্রিকসের বোতাম বেশি ব্যবহার হয়। তবে জমকালো ভাব আনতে এখন পার্ল বা স্টোনের বোতাম ব্যবহৃত হচ্ছে।

ধুতি সালোয়ার

ধুতি সালোয়ারে কুঁচির ভাঁজে ভাঁজে সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। কোমরের একটু নিচ থেকে ভাঁজের লেয়ার শুরু হয়। ক্রমান্বয়ে গোড়ালিতে গিয়ে সালোয়ারের ভাঁজ ক্রমে চাপা হয়ে আসে। অন্য যেকোনো সালোয়ারের চেয়ে ধুতিতে বেশি কাপড় লাগে। ধুতির জন্য একটু নরম বা লিলেন কাপড় বেছে নেওয়া ভালো।

সিগারেট প্যান্ট

ওপরের দিকটি একটু ঢিলে থাকে সিগারেট প্যান্টে এবং ওপরের চেয়ে নিচের দিকটা সালোয়ারের নিচের মুহুরিটা একটু চওড়া থাকে। এই চওড়া মুহুরির অংশে বিভিন্নভাবে নকশা করা হয়। এই প্যান্টও গোড়ালির উপরে পরা হয়। একটু মোটা কাপড় ব্যবহার করলেই সিগারেট প্যান্টের জন্য ভালো।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...