সমাজের এতিম ও দুস্থ মানুষের কল্যাণে সরকার কাজ করে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, এতিমদের দায়িত্ব সরকারের। এ দায়িত্ব পালনে সরকার সর্বোচ্চ ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছে। এতিম ও দুস্থদের কল্যাণে সরকার নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় নতুন করে ১ লাখ এতিম ও দুস্থ শিশুকে সহায়তা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পাশাপাশি অনাথ ও এতিমদের জন্য সরকারি কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানো হচ্ছে। এ কাজে সরকারের পাশাপাশি ধনী ও বিত্তশালীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরো বলেন, কওমি মাদ্রাসায় পড়াশোনা শেষ করে অনেকেই দেশের ধর্মীয় অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা প্রসারে মাদ্রাসাশিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম।
শুক্রবার জুমার আগে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার আল জামেয়াতুল আরাবিয়াতুল ইসলামিয়া জিরি মাদ্রাসার দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক ইসলামী মহাসম্মেলন ও দস্তারবন্দী অনুষ্ঠানের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাদ্রাসার প্রধান পরিচালক মাওলানা মো. খোবাইবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন- পটিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারহানুর রহমান, হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মাওলানা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মাওলানা মেরাজুল হক, মুফতি আরশাদ রহমানি, পাকিস্তানের আল্লামা ফয়সাল নদীম, মাওলানা ফরিদ উদ্দীন আল মোবারক, মাওলানা হাফিজুর রহমান সিদ্দিকী কুয়াকাটা, মুফতি শিহাব উদ্দীন নাটোরী, চট্টগ্রাম ওয়াসার চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, শিল্পপতি আহমেদুল হক, মীর গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আবদুস সালাম, শিল্পপতি ফেরদৌস ওহিদ বাপ্পী, শিল্পপতি সামশুল হক, উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব খোরশেদ আলম, বিভাগীয় সমাজসেবা কর্মকর্তা ওয়াহিদুল আলম এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেনসহ অনেকে।
দুই দিনব্যাপী ইসলামী মহাসম্মেলনে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে সাবেক শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এ উপলক্ষে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে হাজারো মানুষের ঢল নামে। জুমার নামাজের পর দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন হেফাজতে ইসলামের আমির আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন



