বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি একটি জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক ধারণা, যা দেশপ্রেমের ভিত্তিতে গড়ে ওঠা। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া। এটি কোনো নির্দিষ্ট দলের রাজনৈতিক মতাদর্শ নয়; বরং এটি একটি সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা জাতির কল্যাণে সবাইকে একত্র করার শক্তি ধারণ করে।
দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে বাংলাদেশ একটি অনন্য উদাহরণ। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশ দ্বিখণ্ডিত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। ধর্মের ভিত্তিতে সৃষ্ট এই দেশগুলোর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তান (বর্তমান বাংলাদেশ) শুরু থেকেই বৈষম্যের শিকার হয়। অবশেষে ১৯৭১ সালের ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে জন্ম নেয় স্বাধীন বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহায়তার নামে দেশের জন্মলগ্ন থেকেই এই দেশের সংস্কৃতি ও রাজনীতির ওপর তারা প্রভাব বিস্তার করতে শুরু করে। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভারতের প্রতি নতজানু পররাষ্ট্রনীতি এবং ভারতের প্রকাশ্য সহায়তায় স্বৈরাচারী পন্থায় টানা ১৫ বছর তাদের ক্ষমতায় থাকা এ দেশে সকল পর্যায়ে ভারতের প্রভাব আরও দৃঢ় হয়।
মুক্তিযুদ্ধ: স্বাধীনতার ভিত্তি ও চেতনা
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূলনীতি ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। তবে স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয় তৎকালীন সরকার। ১৯৭২ সালের শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন সরকার গঠিত হয়। স্বাধীন দেশের প্রথম সংবিধানেই শেখ মুজিব মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস করে সংবিধান রচনা ও অনুমোদন করেন। ১৯৭২ সালের সংবিধানে গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ ও সমাজতন্ত্রকে মৌল নীতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়। কিন্তু এই সংবিধানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মূল ভিত্তিসমূহ প্রতিফলিত হয়নি। একনায়কতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার কারণে জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বড় রকমের ব্যর্থতা দেখা যায়। ১৯৭৫ সালে হত্যাকাণ্ডে শেখ মুজিবুর রহমান নিহত হওয়ার পর দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। এই সময়েই উঠে আসে বাংলাদেশপন্থি রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা, যা দেশের স্বনির্ভরতা, আত্মমর্যাদা ও জনগণের ইচ্ছার প্রতিনিধিত্ব করবে।
নতুন বাংলাদেশের সূর্যোদয়
৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর এদেশে রাজনীতির এক নতুন দিগন্তের সূচনা হয়। তরুণ প্রজন্মের মাঝে রাজনীতির এক নতুন হাওয়া দেখা যাচ্ছে। নতুন বাংলাদেশের এই রাজনৈতিক সচেতনতা যেন ভুল দিকে প্রবাহিত না হয়, তার প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা আমাদের সবার দায়িত্ব। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভাজনের রাজনীতিতে না গিয়ে সবার ঐকমত্যের ভিত্তিতে একটি রাজনীতি শুরু করা এখন সময়ের দাবি। এক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর যেই রাজনীতি হতে পারে, তা হলো আবারও সব দল ও মতের বাংলাদেশপন্থি রাজনীতির ডাক দেওয়া।
জিয়াউর রহমান: বাংলাদেশপন্থি রাজনীতির রূপকার
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত এ ধরনের রাজনীতি পুরোপুরি দেখা না গেলেও স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রাজনীতিকে বাংলাদেশপন্থি রাজনীতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে ধরে নেওয়া যায়। ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশে দ্রুত রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হতে থাকে। একের পর এক অভ্যুত্থানের ঘটনা ঘটে। শেষ পর্যন্ত ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ রাষ্ট্রের দায়িত্বে আসেন। এক ভীষণ বিশৃঙ্খল ও অরাজক পরিস্থিতিতে ক্ষমতায় বসেন জিয়াউর রহমান। সে পরিস্থিতিতে সেনাবাহিনীতে কমান্ড প্রতিষ্ঠার জন্য জিয়াউর রহমানকে বেশ বেগ পেতে হয়। সৈনিকরা তখন বিশৃঙ্খল, কেউ কারও নির্দেশনা মানছে না। কে ঊর্ধ্বতন আর কে অধস্তন, সে বিষয়টি কেউ আমলে নিচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে জিয়াউর রহমানের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ ছিল সামরিক বাহিনীতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা। জিয়াউর রহমান উল্কার মতো বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে ছুটে গিয়েছেন। সেখানে সৈনিকরা কেউ অস্ত্র জমা দেয় না। কেউ ক্যান্টনমেন্টে আসে না। কেউ কাউকে মানে না। কিন্তু একেকটা জায়গায় গিয়ে গিয়ে তিনি কমান্ড প্রতিষ্ঠা করেছেন।
এ অবস্থায় তিনি চাইলেই দেশকে সামরিক শাসনের দিকে ঠেলে দিতে পারতেন। তা না করে তিনি ক্ষমতাসীন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন। তার নেতৃত্বেই ১৯৭৫ সালে শেখ মুজিব প্রবর্তিত বাকশাল তথা একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থেকে বহুদলীয় রাজনীতিতে ফেরে বাংলাদেশ। বহুদলীয় রাজনীতির পুনঃপ্রবর্তনের ফলে তৎকালীন বাংলাদেশে একটি মৌলিক পরিবর্তন আসে। এর ফলে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির পথ উন্মুক্ত হয়। জিয়াউর রহমানের সময় মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়। পঞ্চম সংশোধনীতে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে বাদ দিয়ে আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস ব্যবহার করা হয়, আর ‘সমাজতন্ত্র’ শব্দটির একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। বলা হয়, সমাজতন্ত্র মানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সুবিচার। পঞ্চম সংশোধনীতে কিছু ত্রুটিবিচ্যুতি থাকা সত্ত্বেও বেশিরভাগ জনমানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন দেখা যায় এতে। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জোট সার্ক গঠনের ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। এছাড়া জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়।
তার দর্শন ছিল বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর ও আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে গড়ে তোলা।
বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এবং পরবর্তী সময়ে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানে জাতীয়তাবাদের ভিত্তি ছিল বাঙালি। বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে তিনি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ধারণা প্রবর্তন করেন, যা কেবল একটি জাতিগোষ্ঠীর নয়, বরং সমগ্র বাংলাদেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে।
ধর্মীয় সহনশীলতা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক
বহুদলীয় রাজনীতির মাধ্যমে তিনি ধর্মভিত্তিক দলগুলোর অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করেন এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেন। সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে ‘বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম’ অন্তর্ভুক্ত করে বাংলাদেশকে ইসলামি সংহতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করেন।
স্বনির্ভরতার উদ্যোগ
জিয়াউর রহমানের ১৯ দফা কর্মসূচি দেশের কৃষি, শিল্প ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা ছিল। বিশেষত খাল খনন কর্মসূচি এবং গ্রাম সরকার ব্যবস্থা গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। জিয়াউর রহমানের সমর্থকদের মতে এই কর্মসূচি ছিল ‘উন্নয়নমুখী রাজনীতির’ অংশ। ১৯ দফা কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল—কৃষি উৎপাদন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, প্রশাসনের বিকেন্দ্রীকরণ ও ব্যক্তি খাতে শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিকাশ।
পৃথিবীর বর্তমান প্রেক্ষাপটে একটি দেশের স্বনির্ভরতার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের অর্থনীতি, সংস্কৃতি ও পররাষ্ট্রনীতিতে স্বাধীনতার চেতনা প্রতিফলিত হওয়া জরুরি। ভারতের সঙ্গে দীর্ঘ সীমান্ত এবং পাকিস্তানের সঙ্গে ঐতিহাসিক টানাপড়েনের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশকে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করতে হবে। স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়তে হলে স্থানীয় শিল্প, কৃষি ও তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে আরও মনোযোগ দিতে হবে। দেশের জনসংখ্যাকে দক্ষ মানবসম্পদে রূপান্তর করা এবং অর্থনৈতিক সুশাসন নিশ্চিত করা ছাড়া এটি সম্ভব নয়। বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি কোনো নির্দিষ্ট দলের রাজনীতি নয়, এটি একটি জাতীয় ঐক্যের ভিত্তি। এ রাজনীতি ১৯৪৭, ’৭১, ’৯০ ও ’২৪-এর চেতনাকে ধারণ করে এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের ইচ্ছার প্রতি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। তাই বর্তমান সময়ে রাজনীতির বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।
ভিত্তিসমূহ: অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ও স্বনির্ভরতা
রাজনৈতিক স্বাধীনতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই বাংলাদেশপন্থি রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একটি জাতি তখনই প্রকৃত অর্থে স্বাধীন হয়, যখন তা নিজের উৎপাদন, বাণিজ্য ও প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর হতে পারে।
পররাষ্ট্রনীতির ভারসাম্য
বাংলাদেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রভাব দীর্ঘকাল ধরে বিদ্যমান। একদিকে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ, অন্যদিকে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করাও সমান জরুরি। বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি নিশ্চিত করার কথা বলে, যেখানে জাতীয় স্বার্থ কোনোভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
ধর্মীয় সহাবস্থান
বহুধর্মীয় জনগোষ্ঠী নিয়ে গঠিত বাংলাদেশে ধর্মীয় সহাবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ধর্মবিরোধিতা নয়, বরং সবার ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে সম্মান জানায়।
রাজনৈতিক বিভাজনের উত্তরণ
বর্তমানে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন দুটি প্রধান দলের মধ্যে বিভাজিত, যা জাতীয় উন্নয়নের পথে বড় বাধা। প্রতিটি দল নিজেকে ‘দেশপ্রেমিক’ এবং অন্যকে ‘বিদেশপন্থি’ বলে আখ্যা দিয়ে বিভক্তি বাড়াচ্ছে। এই বিভাজনের রাজনীতি জাতীয় স্বার্থকে আঘাত করছে। বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি এই বিভেদ থেকে বেরিয়ে আসার পথ দেখাতে পারে।
জাতীয় স্বার্থ রক্ষা
বিশ্বায়নের যুগে বড় শক্তিগুলো প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছে। এ সময় দেশের স্বার্থ রক্ষার জন্য সঠিক কৌশল গ্রহণ জরুরি। উদাহরণস্বরূপ, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত সমস্যা বা পানির ন্যায্য হিস্যার মতো বিষয়গুলোয় জোরালো ভূমিকা পালন করা প্রয়োজন।
তরুণদের রাজনৈতিক অংশগ্রহণ
তরুণ প্রজন্ম বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। তারা রাজনীতিতে আগ্রহী, কিন্তু বিদ্যমান রাজনৈতিক সংস্কৃতি তাদের হতাশ করছে। বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি তরুণদের সামনে একটি স্বচ্ছ, আদর্শিক ও ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরতে পারে।
আর্থসামাজিক উন্নয়ন
দেশে এখনো দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও অর্থনৈতিক বৈষম্য বিরাজমান। বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে কৃষি, শিল্প ও প্রযুক্তি খাতে উন্নয়ন ঘটিয়ে আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপটকে উন্নত করতে পারে।
বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এখন রাজনীতি নিয়ে আগ্রহ বাড়ছে। এই আগ্রহকে সঠিক পথে প্রবাহিত করতে হলে একটি বাংলাদেশপন্থি রাজনৈতিক দর্শন প্রয়োজন, যা জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবে এবং জনগণের প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি দেশকে এক নতুন দিগন্তে পৌঁছে দিতে পারে, যেখানে বাংলাদেশ হবে একটি স্বনির্ভর, আত্মমর্যাদাশীল ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্র। স্বাধীনতার ৫৪ বছরের দ্বারপ্রান্তে এসে এখন সময় হয়েছে সেই রাজনীতি গড়ে তোলার, যা দেশপ্রেমের ভিত্তিতে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করবে এবং নতুন বাংলাদেশ গঠনের পথ প্রশস্ত করবে। নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণে বাংলাদেশপন্থি রাজনীতিই হতে পারে আমাদের প্রেরণা। এ রাজনীতি সৎ, দক্ষ ও দেশপ্রেমিক তরুণদের নেতৃত্বে এনে, বিদ্যমান বিভাজনের অবসান ঘটিয়ে এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা করতে সক্ষম।
লেখক: গবেষক
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

