তেলাপোকার পতাকা

ক্ষমতার অন্ধকূপে তারুণ্যের আগুন

শাহীদ-কামরুল
শাহীদ কামরুল

ক্ষমতার অন্ধকূপে তারুণ্যের আগুন

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক ইতিহাস একটি অদ্ভুত অভিশপ্ত বৃত্তে আবর্তিত হয়—যেন এক অন্ধকূপে বন্দিসভ্যতা বারবার নিজের শিকলকেই আলিঙ্গন করে। শাসক বদলায়, দলের নাম বদলায়, মুখোশের রঙ বদলায়—কিন্তু লুণ্ঠনের কাঠামো, অবমাননার সংস্কৃতি আর ক্ষমতার দম্ভ একই থাকে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে। এই ধারাবাহিক পতনের ভেতরেই হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো হাজির হয়েছে ভারতের ককরোচ জনতা পার্টি—একটি স্যাটায়ারিক্যাল আন্দোলন, যা ক্ষমতার গায়ে হাসির তীর ছুড়ে দিয়েছে। কিন্তু ইতিহাস বলে, হাসির তীর যখন সঠিক লক্ষ্যে বিঁধে, তখন সাম্রাজ্যও কাঁপে।

চৌদ্দ শতকের তিউনিসিয়ান ইতিহাসবিদ ও দার্শনিক ইবনে খালদুন তার ‘মুকাদ্দিমা’য় লিখেছিলেন—শাসকশ্রেণি যখন ‘আসাবিয়া’ হারায়—অর্থাৎ জনগণের সঙ্গে তার আত্মিক সংযোগ ছিন্ন হয়, তখন সেই সভ্যতার পতন অনিবার্য হয়ে পড়ে। ভারতের বিচারপতি যেদিন কর্মসংস্থানহীন তরুণদের ‘ককরোচ’ বলে তিরস্কার করলেন, সেদিন তিনি অজান্তেই ইবনে খালদুনের সেই ঐতিহাসিক সত্যটি উচ্চারণ করে দিলেন। একটি রাষ্ট্র যখন তার সন্তানদের কীট বলে, তখন বুঝতে হবে সেই রাষ্ট্রের আত্মা মরে গেছে—শুধু কঙ্কালটা দাঁড়িয়ে আছে ক্ষমতার খুঁটিতে ভর দিয়ে।

বিজ্ঞাপন

এই অপমানের ভেতর থেকেই জন্ম নিয়েছে অভিজিত দীপকের ককরোচ জনতা পার্টি। তিনি শুধু একটি আন্দোলনের নাম দেননি—তিনি রাষ্ট্রের ভাষাকেই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অস্ত্র করে তুলেছেন। বোহেমিয়ান ঔপন্যাসিক ফ্রানজ কাফকার ‘মেটামরফসিস’-এর গ্রেগর সামসা পিতৃতান্ত্রিক সমাজের চাপে আত্মার গভীরে তেলাপোকা হয়ে যায়—সেই রূপান্তর ছিল পরাজয়ের প্রতীক। কিন্তু অভিজিত সেই রূপকটিকে উল্টে দিয়েছেন—তেলাপোকাকে তিনি বিদ্রোহের প্রতীক করে তুলেছেন। এখানেই তার মেধার দীপ্তি। যে শব্দ দিয়ে অপমান করা হয়েছিল, সেই শব্দটিকেই তিনি সম্মানের পতাকায় পরিণত করেছেন—এ শুধু রাজনৈতিক কৌশল নয়, এ এক গভীর দার্শনিক প্রত্যুত্তর।

ইতিহাসে হাস্যরস সবসময়ই ক্ষমতার বিরুদ্ধে সবচেয়ে তীক্ষ্ণ অস্ত্র হয়ে উঠেছে। ফরাসি দার্শনিক ভলতেয়ার যখন ‘ক্যান্ডিড’ লিখলেন, ফরাসি রাজশক্তি বুঝতে পারেনি যে ব্যঙ্গের সেই অনলে একটি বিপ্লবের ভ্রূণ পরিপুষ্ট হচ্ছে। আইরিশ লেখক জোনাথন সুইফট ‘গালিভার্স ট্রাভেলস’-এ হাসির আবরণে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মুখে থুথু ছিটিয়েছিলেন। ফ্রান্সের ব্যঙ্গপত্রিকা ‘শার্লি এবদো’ যে সত্য বলতে পেরেছিল, কোনো রাজনৈতিক বক্তৃতা তা পারেনি।

ককরোচ জনতা পার্টির মিম সংস্কৃতি সেই একই ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার—যেখানে হাসি একটি অস্ত্র, ব্যঙ্গ একটি বিপ্লব।

দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক মনস্তত্ত্বের মূলে আছে ঔপনিবেশিক দাসত্বের এক গভীর ক্ষত। মার্টিনিকের বিপ্লবী মনোবিশ্লেষক ফ্রানৎস ফানোঁ দেখিয়েছেন—ঔপনিবেশিক শাসন শুধু ভূমি দখল করে না, সে মানুষের আত্মাকে বন্দি করে, স্বপ্নের পরিসরকে সংকুচিত করে দেয়। ব্রিটিশ শাসন ভারত ও পাকিস্তানের মানস-ভূমিতে এমন এক ‘গোলামি’র বীজ রোপণ করে গেছে, যা আজও ফলন দিয়ে চলেছে। একটি সরকারি চাকরির জন্য আজীবন মাথা নত করে থাকা, ক্ষমতার কাছে আপস করে ভাগ্যবদলের স্বপ্ন দেখা—এই মনস্তত্ত্ব আসলে সেই ঔপনিবেশিক ‘গোলামি’রই আধুনিক সংস্করণ। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ তাত্ত্বিক হোমি ভাভা এই প্রপঞ্চকে বলেছেন ‘mimicry’—ঔপনিবেশিক প্রভুর অনুকরণে যে জীবনযাপন, তা আসলে নিজের আত্মপরিচয়ের বিনাশ।

কিন্তু বাংলাদেশের ইতিহাস এ অঞ্চলের একটি ব্যতিক্রমী আখ্যান। পঞ্চাশের দশকে জমিদারি প্রথার উচ্ছেদের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের কৃষকের মনে যে ‘আজাদি’ জন্মেছিল, তা শুধু ভূমির মালিকানার প্রশ্ন ছিল না—তা ছিল একটি মানসিক মুক্তি, একটি আত্মসম্মানের জাগরণ। সেই জাগরণই ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের অন্তর্নিহিত শক্তি ছিল। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত সেই স্বাধীনতা প্রমাণ করেছিল—যে সমাজে মানুষ নিজেকে ভূমির সন্তান বলে অনুভব করে, যেখানে দাসত্বের শৃঙ্খল-সামন্তী ব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে, সেই সমাজে দ্রোহের আগুন জ্বলে সবচেয়ে তীব্রভাবে। আর সেই ঐতিহাসিক চেতনার উত্তরাধিকারেই ২০২৪ সালে বাংলাদেশের জেনজি প্রজন্ম জুলাই বিপ্লব ঘটিয়েছে—কোটার দাবি থেকে শুরু হয়ে যা পরিণত হয়েছে একটি সর্বাত্মক মুক্তির অভিযানে। সেই বিপ্লবের আলো আজ ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির মশালে, নেপালের পাহাড়ি দ্রোহে, পাকিস্তানের ডিজিটাল প্রতিরোধে জ্বলছে—কারণ ন্যায়ের তৃষ্ণা কোনো সীমান্তে আটকে থাকে না।

ভারত ও পাকিস্তানে যে জমিদারি মানসিকতার অবশেষ এখনো সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে, তা শুধু কৃষির সমস্যা নয়—তা একটি সভ্যতার ব্যাধি। স্বাধীনতার আটাত্তর বছর পরও ভারতে দলিত মানুষকে কূপের জল ব্যবহার করতে দেওয়া হয় না, মন্দিরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না, ভালোবাসার মানুষকে বিয়ে করতে দেওয়া হয় না। ভারতীয় দলিত নেতা ও দার্শনিক বি আর আম্বেদকর বলেছিলেন—জাতিভেদ শুধু সামাজিক বৈষম্য নয়, এটি একটি সংঘটিত অপরাধ, একটি ধর্মীয় সন্ত্রাস। স্বাধীনতার পরেও এই সন্ত্রাস বহাল তবিয়তে থাকা মানে রাষ্ট্র আসলে মুক্তির প্রকল্প সম্পন্ন করেনি—সে শুধু শাসকের মুখ পাল্টেছে।

অভিজিত দীপক নিজেকে দলিত বলে পরিচয় দেওয়ার পর বিজেপির সাইবার সমর্থকরা তার প্রতি যে ঘৃণার বর্ষণ করেছে, তা আসলে ভারতীয় সমাজের পচনের একটি জীবন্ত দলিল। ফিলিস্তিনি-আমেরিকান বুদ্ধিজীবী অ্যাডওয়ার্ড সাইদ দেখিয়েছেন—ক্ষমতাকাঠামো তার ‘other বা অন্য’ নির্মাণ করে টিকে থাকে। দলিতরা সেই ‘other’—যাদের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে উচ্চবর্ণের সুবিধাভোগী হিন্দু ও হিন্দুত্ববাদী সমাজ তার ‘শ্রেষ্ঠত্ব’ বজায় রাখে। কিন্তু যখন সেই ‘other’ নিজেই তার অপমানকে পরিচয়ের অহংকারে রূপান্তরিত করে, তখন সেই কাঠামো একটি অস্তিত্বের সংকটে পড়ে।

নরেন্দ্র মোদির হিন্দুত্ববাদী রাজনীতি আসলে একটি অত্যন্ত পুরোনো কৌশলের আধুনিক সংস্করণ—দরিদ্র হিন্দু ও দরিদ্র মুসলমানকে পরস্পরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দাও, যাতে তারা কখনো একত্র হয়ে ধনী ও ক্ষমতাবানদের প্রশ্ন করতে না পারে। জার্মান-আমেরিকান দার্শনিক হানা আরেন্ট ‘The Origins of Totalitarianism’-এ দেখিয়েছেন—সর্বগ্রাসী শাসন একটি কল্পিত শত্রু ছাড়া টিকতে পারে না। ভারতে সেই কল্পিত শত্রু হলো মুসলমান, পাকিস্তান আর ‘অ্যান্টি-ন্যাশনাল’ তারুণ্য। কিন্তু ইন্টারনেটের যুগে জন্ম নেওয়া জেনজি ও জেন আলফা প্রজন্মকে এই জীর্ণ মিথ্যায় ভোলানো দিনকে দিন কঠিন হয়ে পড়ছে—কারণ তারা তথ্যের যুগে বড় হয়েছে, মিথ্যার কুয়াশায় নয়।

প্রায় এক যুগ ধরে বলিউডের চাকচিক্যে ভারত উদয়ের মিথ বিক্রি হয়েছে। অলিগার্কের ছেলের বিয়েতে যখন বলিউড তারকারা নাচে আর বিশ্বের মিডিয়া সেই ঐশ্বর্যের জয়গান গায়, তখন ফুটপাতে উচ্ছেদ হওয়া পরিবার, ঋণের ভারে নুয়ে পড়া কৃষক, কর্মহীন প্রকৌশলী—তাদের জীবন যে অন্ধকারে ডুবে থাকে, সেই অন্ধকারের কোনো বলিউডি আলোকসজ্জা নেই। ক্রিকেট জাতীয়তাবাদের মাদকে আচ্ছন্ন দেশে যখন চাষির আত্মহত্যার খবর ভেতরের পাতায় চার লাইনে শেষ হয়ে যায়, তখন বুঝতে হবে—রাষ্ট্র শুধু নিষ্ঠুর নয়, সে ইচ্ছাকৃতভাবে অন্ধ।

জার্মানির পুনরুজ্জীবনের উদাহরণ এ প্রসঙ্গে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়িয়ে জার্মানি শুধু অর্থনীতি পুনর্গঠন করেনি—তারা ‘Vergangenheitsbewältigung’ করেছে—অর্থাৎ অতীতের পাপের সঙ্গে সৎ মোকাবিলা করেছে। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়া অল্প সময়ে শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে মাথা তুলেছে, কারণ তাদের শাসকশ্রেণি উন্নয়নকে ব্যক্তিগত লুণ্ঠনের হাতিয়ার নয়, জাতীয় দায়িত্ব হিসেবে দেখেছে। ভারত ও পাকিস্তানে সেই ‘নিয়ত’—এই আরবি শব্দে যে সৎ অভিপ্রায়ের অর্থ আছে—কখনো ছিল না। রাজনীতিক, আমলা ও ব্যবসায়ীর দুষ্টচক্র মিলে রাষ্ট্রকে ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত করেছে আর জনগণকে দিয়েছে শূন্য প্রতিশ্রুতি আর উত্তপ্ত জাতীয়তাবাদের ধোঁয়া।

পাকিস্তানের ককরোচ আওয়ামী পার্টির নড়াচড়া এই প্রসঙ্গে আলাদাভাবে পাঠ করতে হবে। ইমরান খানের পিটিআই গত এক দশকে পাকিস্তানের তারুণ্যকে ডিজিটাল রাজনীতির ভাষা শিখিয়েছে—স্যাটায়ার, মিম ও অনলাইন প্রতিরোধের এক নতুন সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। কিন্তু পিটিআইয়ের রাজনীতিতে ব্যক্তিপূজার যে সমস্যা, তা একটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য বিপজ্জনক। ইতালীয় সমাজবিজ্ঞানী পারেতো বলেছিলেন—এক অভিজাতের জায়গায় আরেক অভিজাতের আগমন মুক্তি নয়। প্রকৃত ‘ইনকিলাব’ আসে কাঠামোর রূপান্তরে, মুখের পরিবর্তনে নয়। পাকিস্তানের তরুণ প্রজন্ম যদি শুধু ইমরানের মুক্তির জন্য লড়ে এবং সামরিক ‘তাগুত’-এর সামগ্রিক ক্ষমতাকাঠামোকে প্রশ্ন না করে, তাহলে সেই দ্রোহ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকো বলেছিলেন—ক্ষমতা যেখানে, প্রতিরোধও সেখানে। ডিজিটাল স্পেসে ককরোচ জনতা পার্টির যে ডিসকোর্স (discourse) তৈরি হচ্ছে, তা শাসকের ‘গজব’কে উপহাসের বস্তু করে তুলছে। আর ক্ষমতা যখন হাসির পাত্র হয়, তখন তার অর্ধেক শক্তি এমনিই ক্ষয়ে যায়। রাষ্ট্রীয় পেশিশক্তি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট মুছে দিতে পারে, কিন্তু তারুণ্যের মস্তিষ্কে জেগে ওঠা ‘হিম্মত’—এই ফারসি শব্দের গভীরে যে অদম্য সাহসের অর্থ—তাকে কোনো আইন দিয়ে নিষিদ্ধ করা যায় না।

লাহোরের কবি-দার্শনিক আল্লামা ইকবাল লিখেছিলেন—‘খুদি কো কর বুলন্দ ইতনা কে হর তকদির সে পেহলে, খুদা বান্দে সে খুদ পুছে বাতা তেরি রজা কেয়া হ্যায়।’ নিজের অস্তিত্বের এই উচ্চতায় পৌঁছানোই ককরোচ দ্রোহের আসল আকাঙ্ক্ষা—যে তরুণকে কীট বলা হয়েছিল, সে আজ জিজ্ঞেস করছে, রাষ্ট্রের কাছে তার দাবি কী। এই প্রশ্নটুকুই বিপ্লবের প্রথম বাক্য।

বাংলার মহাকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছিলেন—‘যে নদী হারায়ে স্রোত চলিতে না পারে, সহস্র শৈবালদাম বাঁধে আসি তারে।’ ভারতের রাজনীতির নদী দীর্ঘদিন স্রোতহীন—তাই শৈবালের স্তর জমেছে। ককরোচ জনতা পার্টি সেই শৈবাল ভেদ করার একটি অসম্পূর্ণ কিন্তু জীবন্ত প্রচেষ্টা। সমালোচনা করা যায়—এবং করা উচিত—কিন্তু এই দ্রোহের ভেতরে যে ‘ইজতিরাব’, যে অভ্যন্তরীণ যন্ত্রণা ও তৃষ্ণা আছে, তাকে অস্বীকার করা হবে ইতিহাসের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা।

শেষ পর্যন্ত ইতিহাসের ‘ফয়সালা’ সবসময় জনগণের পক্ষে যায়। ভার্সাইয়ের প্রাচীর লুই ষোড়শকে রক্ষা করেনি। জারের ঐশ্বরিক দাবি রোমানদের বাঁচায়নি। ভারত ও পাকিস্তানের পুরোনো বন্দোবস্ত যদি এই সত্য না বোঝে—যদি তারুণ্যের ‘আহ্‌’ কে, তাদের ক্রোধকে, তাদের ন্যায্য দাবিকে আরো অপমান দিয়ে দাবানো কোশিশ করা হয়—তাহলে ককরোচ দ্রোহ একদিন স্যাটায়ারের খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসবে এক অনির্বাণ জ্বালামুখী শক্তি হিসেবে। সেই শক্তির সামনে পুরোনো সব জরদগ্ধ বন্দোবস্ত মাটির সঙ্গে মিশে যাবে—এ শুধু আশার কথা নয়, এ ইতিহাসের অমোঘ বিধান।

লেখক : সাবেক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, লেখক ও গবেষক, ফ্রাই ইউনিভার্সিটি, বার্লিন, জার্মানি

sahidkamrul25@gmail.com

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন