ভাষা নিয়ে আবেগ থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই আবেগ যখন ক্ষমতার আসনে বসে নিষেধাজ্ঞা হয়ে ওঠে, তখন প্রশ্ন তুলতেই হয়। প্রশ্ন না তুললে গণতন্ত্র মরে। ভাষারও মৃত্যু হয়।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘আজ বাংলা ভাষা সম্পর্কে আমরা নিজেরা যদি একটু চিন্তা করতাম, তাহলে আজকের জেনজি ইনকিলাব বলত না। তারা ইনকিলাব বললে আমার রক্তক্ষরণ হয়। এটার জন্যই মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম? অথচ না গেলেও চলত। সমাজ পরিবর্তনের জন্য জীবন দিতে গিয়েছিলাম। কিন্তু সমাজ যে উল্টোদিকে হাঁটে, এখন সেটা দেখছি।’ শনিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পৌর শহরের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের আলোচনা সভায় ইকবাল হাসান মাহমুদ এ কথা বলেন।
বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, “বাংলাকে যদি ধারণ করতে হয়, বাংলা ভাষাকে যদি মায়ের ভাষা বলতে হয়, তাহলে ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ চলবে না। ইনকিলাব, ইনকিলাব মঞ্চ ও আজাদির মতো এখন নতুন নতুন শব্দ শুনছি। ইনকিলাব জিন্দাবাদ, ইনকিলাব মঞ্চ- এগুলোর বাংলার সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই। যারা আমাদের মায়ের ভাষা কেড়ে নিতে চেয়েছিল, এগুলো তাদের ভাষা। সুতরাং দেশকে ভালোবেসে নিজেকে পরিশুদ্ধ করতে হবে। এসব কথা বলায় অনেকেই আমাকে ভারতের দালাল ও ‘র’-এর এজেন্ট বানিয়ে ফেলবে। তারপরও আমি বলব।” মন্ত্রীর এই বক্তব্য শুধু দৃষ্টিভঙ্গিগত ভুল নয়। এটি ভাষা, ইতিহাস ও রাজনীতির গভীর ভুল পাঠ।
প্রথম কথা পরিষ্কার করা দরকার। ভাষা কোনো পবিত্র মিউজিয়াম নয়। ভাষা একটি জীবন্ত সত্তা। সে চলমান। সে গ্রহণ করে। সে বর্জন করে। সে বদলায়। যে ভাষা বদলায় না, সে ভাষা টেকে না। বাংলা ভাষার ইতিহাস তাই বলে। ‘ইনকিলাব’ শব্দটি আরবি-ফারসি উৎসের। এতে সন্দেহ নেই। কিন্তু বাংলা ভাষায় কি শুধু সংস্কৃত শব্দ আছে? নেই। বাংলা গঠিত হয়েছে বহু ভাষার মিলনে। পালি, প্রাকৃত, আরবি, ফারসি, তুর্কি, ইংরেজি- সবাই সেখানে উপস্থিত। এই উপস্থিতিই বাংলার শক্তি। আজ যদি বলা হয়, বিদেশি শব্দ বাদ দিতে হবে, তাহলে প্রশ্ন আসে- কোথা থেকে শুরু হবে? ‘শহীদ’ বাদ দেব? ‘মিনার’ বাদ দেব? ‘ফেব্রুয়ারি’ বাদ দেব? ‘কলম’, ‘খবর’, ‘দুনিয়া’, ‘কাগজ’- সব বাদ?
সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন এক ঘণ্টা শুধু খাঁটি বাংলা বলার চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। বাস্তবতা হলো- ১০ মিনিটও পারবে না কেউ। কারণ আমরা যে বাংলা বলি, সেটি বহু শতকের আত্মীকরণের ফল। এখানেই মন্ত্রীর বক্তব্য দ্বিচারিতার শিকার। তিনি ‘ইনকিলাব’ হটাতে ইংরেজির আশ্রয় নিতে প্রস্তুত। কিন্তু আরবি শব্দে আপত্তি। এটি ভাষার প্রশ্ন নয়। এটি রাজনীতির প্রশ্ন। ইকবাল হাসান মাহমুদ- এই নামের কোন শব্দটি বাংলা ভাষার? একটিও না। সবগুলোই আরবি।
ভাষা সবসময় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ফ্রান্সে, তুরস্কে, ভারতেও। কিন্তু ভাষার রাজনীতি যখন দমনমূলক হয়, তখন তা ফ্যাসিবাদী আচরণে রূপ নেয়। ভাষাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া মানে চিন্তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাওয়া। একজন রাজনৈতিক দার্শনিক বলেছিলেন, স্বৈরতন্ত্রের প্রথম কাজ হলো মানুষের ভাষা ও বয়ান ধ্বংস করা। কারণ ভাষা ধ্বংস মানে চিন্তার বিকল্প ধ্বংস।
‘ইনকিলাব’ শব্দটি কোনো ধর্মীয় স্লোগান নয়। এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর ভাষা। এটি পরিবর্তনের ডাক। ইউরোপে ‘রেভল্যুশন’। ফ্রান্সে ‘রেভোল্যুশন’। বাংলায় বহুদিন ধরে ‘বিপ্লব’। আর উপমহাদেশে, বিশেষত, ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামে- ‘ইনকিলাব’। ঔপনিবেশিক ইংরেজদের হটাতেই এই শব্দ প্রথম রাজনৈতিক অর্থে ব্যবহৃত হয়। ইতিহাস এখানে স্পষ্ট। শব্দের উৎস দিয়ে শব্দের বৈধতা বিচার করা হয় না। ব্যবহার দিয়ে হয়। গ্রহণ দিয়ে হয়। টিকে থাকা দিয়ে হয়।
২৪-এর জুলাই-আগস্টে তরুণরা ‘ইনকিলাব’, ‘ইনসাফ’, ‘আজাদি’ বলেছে। কোনো হীনম্মন্যতা ছাড়া। কোনো সংকোচ ছাড়া। তারা জানে, শব্দ ধার করলেও আকাঙ্ক্ষা নিজেদের। দাবি নিজেদের। রাজপথ নিজেদের। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. সালেহ হাসান নকীব বলেছেন, ‘ইনকিলাব, ইনসাফ, আজাদি- এই শব্দগুলো আমাদের ছেলেমেয়েরা অপূর্ব স্বাচ্ছন্দ্যের সঙ্গে ২৪-এর জুলাই-আগস্টে ধারণ করেছে কোনো ধরনের হীনম্মন্যতা ছাড়াই। শব্দগুলো অবশ্যই টিকে যাবে। কতটা টিকে যাবে, তা নির্ভর করবে, এই শব্দগুলো নিয়ে অ্যালার্জির মাত্রার ওপর। যত অ্যালার্জি, শব্দগুলো ততই শক্তিশালী হয়ে উঠবে। হীনম্মন্যতা কমাতে হবে। শব্দ আর ভাষা তার আপন গতিতে পরিপুষ্ট হবে। এখানে কারো কোনো মাতব্বরি চলবে না।’ প্রফেসর সালেহ ঠিকই বলেছেন, যত অ্যালার্জি দেখানো হবে, শব্দ তত শক্তিশালী হবে। ইতিহাসও তাই বলে।
এখানে আরেকটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। যারা আজ ভাষার পবিত্রতা নিয়ে কথা বলছেন, তারাই দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থেকেছেন। তারা কী করেছেন ভাষার জন্য? শিক্ষাব্যবস্থা কী ভাষায় চালু করেছেন? উচ্চ আদালত, প্রশাসন, বিশ্ববিদ্যালয়- সবখানে কি বাংলা প্রতিষ্ঠিত? না। তাদের কাজ ছিল ফ্যাসিস্টকে টিকিয়ে রাখতে মিথ্যা বয়ান তৈরি করা।
ভাষার প্রশ্ন তখন আসে, যখন ক্ষমতা টলে। তখন ভাষা হয়ে ওঠে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার। রাজনৈতিক চিন্তাবিদরা বলেন, আইনের শাসন মানে শুধু আইন নয়, নৈতিক বৈধতাও। ভাষা নিয়ে দ্বিচারিতা সেই বৈধতা নষ্ট করে।
আরেকটু পেছনে যাই। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস দেখলে বোঝা যায়, এই বিতর্ক নতুন নয়। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কবিতায় আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করেছিলেন বিপুলভাবে। ‘খুন’, ‘শহীদ’, ‘ইনসাফ’, ‘কেয়ামত’ এই শব্দগুলো তার কাব্যে নতুন শক্তি এনেছিল। সেই সময় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আপত্তি করেছিলেন। বলেছিলেন, কিছু শব্দ কানে বীভৎস লাগে। কিন্তু ইতিহাস কাকে সঠিক প্রমাণ করেছে? আজ ‘খুন’ শব্দে কারো আপত্তি আছে? নেই। ‘শহীদ’ শব্দে? নেই। ফররুখ আহমদ, আল মাহমুদ- তারাও এই ধারাকে এগিয়ে নিয়েছেন। বাংলা সমৃদ্ধ হয়েছে। সংকুচিত হয়নি। ভাষা কখনো একরৈখিক নয়। ভাষা বহুমুখী। ভাষা গণমানুষের।
রাজনৈতিক দার্শনিক রুশো বলেছিলেন, জনগণের সার্বভৌমত্ব অখণ্ড। কেউ তা দান করে না। কেউ কেড়ে নিতে পারে না। ভাষা সেই সার্বভৌমত্ব প্রকাশের মাধ্যম।
তরুণরা আজ যে ভাষা বেছে নিয়েছে, তা তাদের অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে। দমন থেকে এসেছে। বৈষম্য থেকে এসেছে। সেই ভাষাকে অস্বীকার মানে সেই অভিজ্ঞতাকে অস্বীকার। ‘ইনকিলাব’ শুধু স্লোগান নয়- এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে হৃদয়ের গর্জন। যে স্লোগান স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়েছে, সেই স্লোগান তাদের উত্তরসূরিদের ভয়ের কারণ হবেই। ভয় থেকেই নিষেধ আসে। ভয় থেকেই ভাষার শুদ্ধতার বুলি ওঠে।
সভ্যতা কী-এর একটি সহজ সংজ্ঞা আছে। সভ্যতা মানে বৈষম্য না করা। সভ্যতা মানে মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখা। ভাষা, বর্ণ, ধর্ম, গায়ের রঙ বা জন্মভূমির কারণে কাউকে ছোট না করা। আমেরিকার প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠান তাদের বিজ্ঞাপনে স্পষ্ট করে লিখে- We don’t discriminate against anyone based on race, religion, color, language, national identity or origin. এটাই আজকের আমেরিকান সভ্যতার ভিত্তি। নিখুঁত নয়। কিন্তু দিকটি স্পষ্ট।
বিশ্ব এগোচ্ছে এ দিকেই। আর আমরা? আমরা হাঁটছি উল্টোদিকে। ভাষা নিয়ে হিংসা। শব্দ নিয়ে অ্যালার্জি। উচ্চারণ নিয়ে জাতীয় নিরাপত্তা সংকট। এটাই অসভ্যতা। আজ ‘ইনকিলাব’, ‘আজাদি’, ‘জিন্দাবাদ’- এই শব্দগুলো শুনলেই এক শ্রেণির মানুষের শরীরে জ্বালা ধরে যায়। কেন? কারণ তারা এগুলোকে রাজনৈতিকভাবে ‘ভুল’ ট্রাইবের শব্দ মনে করে। ভাষা এখানে যোগাযোগের মাধ্যম নয়। ভাষা এখানে শত্রু চেনার টুল। এটাই ট্রাইবালিজম।
জাতীয়তাবাদ যখন নাগরিকতার বদলে গোত্রে পরিণত হয়, তখন সেটি আর আধুনিক থাকে না। তখন সেটি ভয়ংকর হয়। তখন রাষ্ট্র নয়, ট্রাইব কথা বলে। সভ্য সমাজে পার্থক্য থাকে, কিন্তু বর্জন থাকে না। বর্জন শুরু হলেই রাজনীতি নৈতিকতা হারায়।
ভাষা নিয়ে আমাদের সমস্যাটা এখানেই। আমরা পার্থক্যকে শত্রুতা বানাই। বৈচিত্র্যকে অপবিত্রতা ভাবি। ভাষার কি সীমান্ত থাকে? না। ভাষার পাসপোর্ট লাগে? না। বাংলা ভাষা কি শুধু সংস্কৃত থেকে এসেছে? না। পালি আছে। ফারসি আছে। আরবি আছে। ইংরেজি আছে। ‘শহীদ’, ‘ইনসাফ’, ‘ফয়সালা’, ‘জিন্দাবাদ’- এগুলো কি আজ বাংলার বাইরের শব্দ? না। এগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। তবু কিছু মানুষ আচমকা আবিষ্কার করেছেন- এই শব্দগুলো নাকি বিপজ্জনক। নাকি এগুলো ব্যবহার করলে জাতিসত্তা হুমকিতে পড়ে।
এই ভয় ভাষার নয়। এই ভয় ক্ষমতার। ‘ইনকিলাব’ বা ‘আজাদি’ শব্দগুলো শাহবাগি ট্রাইবকে আতঙ্কিত করে। কারণ এই শব্দগুলো নিয়ন্ত্রণের বাইরে। এই শব্দগুলো অনুমতি চায় না। এই শব্দগুলো সরাসরি অন্যায়কে চ্যালেঞ্জ করে। ভাষা যখন নিচ থেকে উঠে আসে, তখন উপরতলার মানুষ ভয় পায়। এটা নতুন কিছু নয়।
রাজনৈতিক চিন্তাবিদ বেন্টিক্ট এন্ডারশন বলেছিলেন, জাতি আসলে একটি কল্পিত সম্প্রদায়। এই কল্পনা টিকে থাকে ভাষা ও বয়ানের মাধ্যমে। সেই বয়ান যদি হাতছাড়া হয়ে যায়, ক্ষমতাও হাতছাড়া হয়। এ কারণেই ভাষা নিয়ে এত হইচই। এ কারণেই শব্দকে শুদ্ধ-অশুদ্ধ ভাগ করা হয়। এ কারণেই কিছু শব্দকে দেশপ্রেমিক আর কিছু শব্দকে দেশদ্রোহী বানানো হয়। এটা সভ্যতার লক্ষণ নয়। এটা ছোটলোকি। যতদিন এই ছোটলোকি বজায় থাকবে, ততদিন আমরা সভ্য হতে পারব না। যতদিন ভাষাকে ট্রাইবাল অস্ত্র বানিয়ে রাখা হবে, ততদিন গণতন্ত্র মুখ থুবড়ে পড়বে।
আরেকটি বিষয় স্পষ্ট করে বলা দরকার। ভাষা নিয়ে বিতর্ক তোলা এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। এটা টেস্ট ফায়ার। আজ শব্দ নিয়ে। কাল ভাবনা নিয়ে। পরশু মানুষ নিয়ে। এই ক্যানসার আগেও ছিল। আবার মাথা তুলছে। এরা আরো আগ্রাসী হবে। হিংস্র হবে। তবে যারা ভাবছেন, ভাষা পুলিশিং করে সমাজকে ‘শুদ্ধ’ করা যাবে- তারা ইতিহাস পড়েননি। ভাষা দমন করলে ভাষা শক্তিশালী হয়। নিষেধাজ্ঞা দিলে শব্দ আরো ছড়ায়। এটাই বাস্তবতা। সভ্যতা মানে সহনশীলতা। সভ্যতা মানে ভিন্নতার সঙ্গে থাকা। সভ্যতা মানে নিজের ভাষাকে এত দুর্বল না ভাবা যে দু-চারটা ধার করা শব্দে সে ভেঙে পড়বে।
বিশ্ব এগোচ্ছে অন্তর্ভুক্তির দিকে। আর আমরা ব্যস্ত বর্জনে। এই পথ শেষ পর্যন্ত কোথায় যায়, তা ইতিহাস বারবার দেখিয়েছে। সেখানে উন্নতি নেই। সেখানে গণতন্ত্র নেই।
সেখানে শুধু ট্রাইব থাকে। ভেবে দেখার সময় এখনই।
ভাষার রাজনীতি থাকবে। কিন্তু তা যদি দমনমূলক হয়, তাহলে পাল্টা বয়ান তৈরি হবেই। ইতিহাসে তাই হয়েছে। ভবিষ্যতেও হবে। আজ যারা ভাষার নামে তরুণদের শাসাতে চান, তাদের মনে রাখা দরকার- ভাষা কারো একক সম্পত্তি নয়। বাংলা কোনো মন্ত্রীর ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। এটি কোটি মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহার। শব্দ বাঁচে ব্যবহারে। ভাষা বাঁচে স্বাধীনতায়। গণতন্ত্র বাঁচে বাস্তবায়নে।
জুলাই বিপ্লবের জনআকাঙ্ক্ষাকে কোনো শব্দ-ভীতি দিয়ে থামানো যাবে না। ইনকিলাব মানে পরিবর্তন। পরিবর্তন মানে ভয় ভাঙা। ভয় ভাঙলেই ভবিষ্যৎ আসে।
লেখক : সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

