বাংলাদেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ আর একটি হিসাবরক্ষণজনিত সমস্যা নয়; এটি সঞ্চয়, বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও রাষ্ট্রীয় ন্যায্যতার সংকট। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুন শেষে খেলাপি ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৬ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকা, যা মোট বিতরণ করা ঋণের ৩২ দশমিক ৭৮ শতাংশ। মার্চের তুলনায় মাত্র তিন মাসে বেড়েছে ১৭ হাজার ৮৫১ কোটি টাকা। আরো উদ্বেগের বিষয়, ৬১টি ব্যাংকের মধ্যে মাত্র ১০টি ব্যাংকেই মোট খেলাপি ঋণের ৭২ শতাংশের বেশি কেন্দ্রীভূত। অর্থাৎ সমস্যাটি যেমন সর্বব্যাপী, তেমনি এর বড় অংশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের দুর্বল শাসন ও বড় ঋণগ্রহীতার সঙ্গে অস্বাস্থ্যকর সম্পর্কের ফল।
এই সংখ্যার পেছনে সাধারণ মানুষের অর্থ আছে। আমানতকারীর সঞ্চয় ব্যাংক ঋণ হিসেবে দেয়; সেই ঋণ ফেরত না এলে ব্যাংকের আয় কমে, প্রভিশন ঘাটতি বাড়ে, মূলধন ক্ষয়ে যায় এবং নতুন উদ্যোক্তার জন্য ঋণ সংকুচিত হয়। শেষ পর্যন্ত দুর্বল ব্যাংক টিকিয়ে রাখতে রাষ্ট্রীয় সহায়তা প্রয়োজন হলে তার ভার পড়ে করদাতার ওপর। সৎ ঋণগ্রহীতা বেশি সুদ ও কঠিন শর্ত দেয়, আর প্রভাবশালী খেলাপি বারবার ছাড় পায়। এ ব্যবস্থা বাজার অর্থনীতিকেও বিকৃত করে, নৈতিকতাকেও আঘাত করে।
আমরা দীর্ঘদিন রোগের চিকিৎসা না করে তার উপসর্গ আড়াল করেছি। ঋণের শ্রেণীকরণ শিথিল, নামমাত্র ডাউন পেমেন্টে পুনঃতফসিল, অস্বাভাবিক দীর্ঘ মেয়াদে পুনর্গঠন, সুদ মওকুফ, বিশেষ প্রস্থান এবং সহজ অবলোপন—প্রতিটি ব্যবস্থার পেছনে কখনো যুক্তিসংগত উদ্দেশ্য ছিল। প্রকৃত ব্যবসায়িক বিপর্যয়ে পড়া একটি সচল প্রতিষ্ঠানকে সময় দেওয়া দরকার। কিন্তু ব্যতিক্রম যখন নিয়মে পরিণত হয়, তখন ঋণ পরিশোধ না করার প্রণোদনা তৈরি হয়। পুনঃতফসিলের মাধ্যমে হিসাবের খাতায় ঋণের নাম বদলালেও তার প্রকৃতি বদলায় না। নগদ আদায় ছাড়া খেলাপি ঋণ কমেছে বলা আত্মপ্রবঞ্চনা।
সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন বিশ্লেষণে থাইল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া, জাপান ও চীনের অভিজ্ঞতা সামনে এসেছে। দেশগুলো কেবল শাস্তি দেয়নি; তারা দুর্বল সম্পদ আলাদা করেছে, ব্যাংক পুনর্মূলধনীকরণ করেছে, কার্যকর সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গড়েছে, আদালতের বাইরে সমঝোতা চালু করেছে এবং দেউলিয়াত্ব ও জামানত বাস্তবায়নের আইন দ্রুত করেছে। আমাদের জন্য শিক্ষা হলো—একটি মাত্র কৌশল যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০২৬ সালের মধ্যমেয়াদি রোডম্যাপেও দ্রুত ঋণ পুনরুদ্ধার, অর্থঋণ আদালত শক্তিশালী করা, বিশেষায়িত রিকভারি ইউনিট এবং প্রত্যাশিত ঋণক্ষতি বা ইসিএল পদ্ধতির দিকে যাওয়ার কথা আছে। এখন প্রয়োজন ঘোষণাকে সময়বদ্ধ বাস্তবায়নে রূপ দেওয়া।
প্রথম কাজ হলো ইচ্ছাকৃত খেলাপি ও প্রকৃত দুর্দশাগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাকে আলাদা করা। যিনি ব্যবসার বাজার হারিয়েছেন, জ্বালানি সংকটে উৎপাদন বন্ধ হয়েছে বা বৈদেশিক আঘাতে সাময়িকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাকে টেকসই পুনর্গঠনের সুযোগ দেওয়া উচিত। কিন্তু যিনি ঋণের অর্থ অন্য খাতে সরিয়েছেন, বিদেশে পাচার করেছেন, ভুয়া জামানত দিয়েছেন বা সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও পরিশোধ করেননি, তার জন্য ছাড় নয়। একটি স্বাধীন ফরেনসিক পর্যালোচনা, উপকারভোগী মালিকানার পূর্ণ প্রকাশ এবং ব্যাংক, কর কর্তৃপক্ষ, কোম্পানি নিবন্ধক, ভূমি রেকর্ড ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের তথ্যসমন্বয় এই পার্থক্য নির্ণয়ে অপরিহার্য।
দ্বিতীয়ত, বড় ঋণ অনুমোদনের শাসনব্যবস্থা বদলাতে হবে। পরিচালনা পর্ষদ বা রাজনৈতিক যোগাযোগের ভিত্তিতে ঋণ দিলে পরে রিকভারি বিভাগের পক্ষে তা উদ্ধার করা প্রায় অসম্ভব। বড় ঋণের ক্ষেত্রে স্বাধীন ক্রেডিট মূল্যায়ন, সংশ্লিষ্ট পক্ষের ঋণের তাৎক্ষণিক প্রকাশ, একক ঋণগ্রহীতার সীমা কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং অনুমোদনকারী কর্মকর্তা ও পরিচালকদের সিদ্ধান্তের অডিট ট্রেইল রাখতে হবে। ঋণ দেওয়ার সময় যিনি নিয়ম ভেঙেছেন, খেলাপি হওয়ার পরে তার দায়ও নির্ধারণ করতে হবে। ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের মূল্যায়নে মুনাফা বা ঋণপ্রবৃদ্ধির পাশাপাশি নগদ পুনরুদ্ধার, প্রভিশন ও সম্পদের মানকে প্রধান সূচক করা দরকার।
তৃতীয়ত, অর্থঋণ আদালতের পাশাপাশি আইনি স্বীকৃত বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি বা এডিআর ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে। সব মামলা আদালতে নিয়ে বছরব্যাপী অপেক্ষা করলে জামানতের মূল্য কমে এবং ব্যবসা ধ্বংস হয়। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতাকে মধ্যস্থতা বা সমঝোতায় বসানো, অনুমোদিত পুনর্গঠন পরিকল্পনাকে আদালতের ডিক্রির সমান কার্যকারিতা দেওয়া এবং ব্যর্থ হলে দ্রুত অর্থঋণ আদালতে পাঠানো যায়। তবে এডিআর যেন নতুন ছাড়ের দরজা না হয়। স্বাধীন মধ্যস্থতাকারী, স্বচ্ছ মূল্যায়ন, ঋণদাতাদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্মতি এবং নির্ধারিত নগদ ডাউন পেমেন্ট বাধ্যতামূলক হতে হবে।
চতুর্থত, একটি জাতীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি গঠন করা যেতে পারে, কিন্তু সেটি যেন দুর্বল ব্যাংক ও প্রভাবশালী ঋণগ্রহীতার ক্ষতি জনগণের ঘাড়ে চাপানোর যন্ত্র না হয়। খারাপ ঋণ বাস্তবসম্মত বাজারমূল্যে কিনতে হবে; অতিরিক্ত দামে নয়। স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ, প্রকাশ্য ক্রয়নীতি, পেশাদার সম্পদ ব্যবস্থাপক, নির্দিষ্ট মেয়াদ, নিয়মিত সংসদীয় ও জনসম্মুখে প্রতিবেদন এবং শক্তিশালী স্বার্থসংঘাত নীতি থাকা জরুরি। সম্পদ উদ্ধার, ব্যবসা পুনর্গঠন, ঋণ-ইক্যুইটি রূপান্তর ও প্রতিযোগিতামূলক বিক্রি—সব পথ খোলা রাখতে হবে।
পঞ্চমত, অবলোপনকে ক্ষমা হিসেবে দেখা বন্ধ করতে হবে। অবলোপন ব্যালান্সশিট পরিষ্কার করার হিসাবপদ্ধতি; ঋণগ্রহীতার দায় শেষ হয় না। অবলোপিত ঋণের আলাদা ডিজিটাল নিবন্ধন, নিয়মিত পুনরুদ্ধার প্রতিবেদন এবং আইনগত অনুসরণ চালু রাখতে হবে। একইভাবে প্রভিশন ঘাটতি লুকিয়ে লভ্যাংশ দেওয়া বা কাগুজে মুনাফা দেখানো নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। ব্যাংকের প্রকৃত ক্ষতি যত দ্রুত স্বীকার করা হবে, পুনর্গঠন তত বিশ্বাসযোগ্য হবে।
আমার সাম্প্রতিক লেখায় আমি দেখিয়েছি, বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে বিকল্প অর্থায়নের শক্তিশালী উৎস না করলে ব্যাংকের ওপর দীর্ঘমেয়াদি শিল্পঋণের অতিরিক্ত চাপ কমবে না। করপোরেট বন্ড, সুকুক, ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ও ইক্যুইটি বাজার সম্প্রসারণ করলে উদ্যোক্তা অর্থায়নের ঝুঁকি ভাগ হবে। একই সঙ্গে ইসলামি ব্যাংকিংয়ের ক্ষেত্রেও শুধু চুক্তির নাম আরবি হলেই হবে না; অর্থায়নকে বাস্তব সম্পদ, উৎপাদন, ঝুঁকি ভাগাভাগি এবং শক্তিশালী শরিয়াহ ও প্রাতিষ্ঠানিক শাসনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। ২০২৬ সালের মার্চে পূর্ণাঙ্গ ইসলামি ব্যাংকগুলোর খেলাপি ঋণের অনুপাত ৫৮ দশমিক ৪ শতাংশে ওঠা প্রমাণ করে, নৈতিক লেবেল সুশাসনের বিকল্প নয়।
আমরা ‘ব্যাংকিং খাতে খেলাপি ঋণ সমস্যা ও উত্তরণ উপায়’ গ্রন্থে ঋণের শ্রেণীকরণ, প্রভিশন, পুনঃতফসিল, অবলোপন, ইচ্ছাকৃত খেলাপি, আইনি প্রতিকার এবং ইসলামি অর্থনীতির নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি একসঙ্গে আলোচনা করেছি। গ্রন্থটির একটি মৌলিক সিদ্ধান্ত হলো, সব খেলাপিকে এক চোখে দেখা শরিয়াহসম্মতও নয়, অর্থনৈতিকভাবেও যুক্তিসংগত নয়। ইসলামি সমাধানের প্রথম ধাপ তাই নিয়ত, সামর্থ্য ও বাস্তব পরিস্থিতির ভিত্তিতে ইচ্ছাকৃত এবং অনিচ্ছাকৃত খেলাপিকে পৃথক করা। ঋণ একটি আর্থিক চুক্তি হলেও ব্যাংকের অর্থ মূলত আমানতকারীর আমানত; ফলে ঋণগ্রহীতা, ব্যাংকার ও নিয়ন্ত্রক—সবার ওপরই আমানত রক্ষার দায়িত্ব বর্তায়।
সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা ইসলামে জুলুম। এমন ইচ্ছাকৃত খেলাপির ক্ষেত্রে নতুন ঋণ ও পুনঃতফসিল সুবিধা বন্ধ, তার প্রকৃত সম্পদ ও উপকারভোগী মালিকানা শনাক্ত, জামানত কার্যকর, আত্মসাৎ বা প্রতারণা হলে দেওয়ানি ও ফৌজদারি ব্যবস্থা এবং সামাজিক ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়। তবে বিলম্বের জন্য আরোপিত অতিরিক্ত অর্থ ব্যাংকের মুনাফা হতে পারে না; তা প্রকৃত আদায় ব্যয় বাদ দিয়ে দাতব্য খাতে দেওয়ার শরিয়াহসম্মত কাঠামো করা যেতে পারে। একই সঙ্গে ঋণ অনুমোদনে যোগসাজশকারী পরিচালক ও কর্মকর্তার দায় নির্ধারণ জরুরি। শুধু গ্রাহককে শাস্তি দিয়ে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ বিশ্বাসভঙ্গ উপেক্ষা করলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে না।
অন্যদিকে বাজারধস, প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসুস্থতা, জ্বালানি বা বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের মতো নিয়ন্ত্রণের বাইরের কারণে যে সৎ ঋণগ্রহীতা সত্যিই অক্ষম হয়েছেন, তার প্রতি ইসলামের নির্দেশ সহমর্মিতা ও অবকাশ। কোরআনের সুরা আল-বাকারার ২৮০ নম্বর আয়াত অসচ্ছল ঋণগ্রহীতাকে সচ্ছলতা ফিরে পাওয়া পর্যন্ত সময় দেওয়ার কথা বলে; ঋণ মওকুফকে আরো উত্তম বলেছে। তাই স্বাধীন যাচাইয়ের পর মেয়াদ বৃদ্ধি, কিস্তি পুনর্বিন্যাস, আংশিক ঋণ-ইক্যুইটি রূপান্তর, সুদ বা অননুমোদিত বর্ধিত দাবি বাদ দেওয়া, কারজে হাসানা বা অংশীদারত্বভিত্তিক পুনঃঅর্থায়ন এবং জাকাতের ‘গারিমিন’ খাত থেকে যোগ্য ঋণগ্রস্তকে সহায়তা করা যেতে পারে। তবে প্রতিটি সুবিধা হবে স্বচ্ছ, সময়বদ্ধ ও পর্যবেক্ষণাধীন। এভাবেই ইসলামি নীতি একই সঙ্গে আমানতকারীর হক রক্ষা, ইচ্ছাকৃত খেলাপির বিরুদ্ধে কঠোরতা এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে অসচ্ছল হয়ে পড়া ব্যক্তির পুনর্বাসন নিশ্চিত করে।
সমাধানের কেন্দ্রে থাকতে হবে রাজনৈতিক সদিচ্ছা। প্রভাবশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিয়ম বদলে গেলে কোনো প্রযুক্তি, আদালত বা সম্পদ ব্যবস্থাপনা কোম্পানি সফল হবে না। বাংলাদেশ ব্যাংককে কার্যকর স্বাধীনতা দিতে হবে; ব্যাংকমালিক, পরিচালক, ব্যবস্থাপক, নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক—সবার দায় নির্ধারণ করতে হবে। প্রতি প্রান্তিকে বড় খেলাপি ঋণের নগদ আদায়, পুনঃতফসিল, অবলোপন, মামলা ও জামানত বিক্রির অগ্রগতি প্রকাশ করা উচিত। জনসম্মুখের তথ্যই জবাবদিহিতার প্রথম শর্ত।
ছয় লাখ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রাতারাতি তৈরি হয়নি, রাতারাতি দূরও হবে না। কিন্তু সময়বদ্ধ রোডম্যাপ এখনই শুরু করা যায়; যেমন—প্রথম ১০টি উচ্চঝুঁকির ব্যাংকের স্বাধীন সম্পদমান পর্যালোচনা; শীর্ষ ঋণগুলোর ফরেনসিক অডিট; ১৮ মাসের মধ্যে বিশেষায়িত আদালত ও এডিআর নিষ্পত্তি; কার্যকর সম্পদ ব্যবস্থাপনা কাঠামো; এবং প্রতি ত্রৈমাসিকে নগদ পুনরুদ্ধারের প্রকাশ্য লক্ষ্য। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নতুন খেলাপি সৃষ্টি বন্ধ করা। পুরোনো ক্ষত পরিষ্কার করেও যদি একই শাসনব্যবস্থায় নতুন ঋণ দেওয়া হয়, সংকট ফিরে আসবে। খেলাপি ঋণ উদ্ধার মানে শুধু ব্যাংকের টাকা ফেরত আনা নয়; এটি আমানতকারীর আস্থা, সৎ উদ্যোক্তার সুযোগ এবং অর্থনীতিতে ন্যায্যতা ফিরিয়ে আনার লড়াই।
লেখক : যুক্তরাষ্ট্রের এলএসইউ-নিউ অরলিন্সের অর্থনীতি ও অর্থায়ন বিভাগের অর্থায়নের অধ্যাপক এবং মফেট চেয়ার; সিনিয়র ফুলব্রাইট স্কলার, ইসলামি ব্যাংকিং ও অর্থায়নে ২০১৬ সালের আইএসডিবি পুরস্কারপ্রাপ্ত, এএওআইএফআই এথিকস অ্যান্ড গভর্ন্যান্স বোর্ডের সদস্য এবং এর এডুকেশন বোর্ডের চেয়ারম্যান
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন


