জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের সংগঠক ইমরান ইমন

জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের সংগঠক ইমরান ইমন

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর কেন্দ্রীয় সংগঠক উত্তরাঞ্চলের দায়িত্ব পেয়েছেন ইমরান ইমন। এর আগে তিনি বিএনপির নেতৃত্বাধীন যুগপৎ আন্দোলনের শরিক জোট গণতন্ত্র মঞ্চের শরিক দল রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাংগঠনিক সমন্বয়ক ছিলেন।

২০২৩ সালের ৮ আগস্ট ‘গণতন্ত্র মঞ্চ’ নামে রাজনৈতিক জোট গঠন করা হলে তিনি জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি ভোটারবিহীন ডামি নির্বাচনের মধ্যমে নতুন সরকার গঠিত হলে ভোট বাতিল ও পুনঃনির্বাচনের দাবিতে মাঠের আন্দোলনে তিনি সক্রিয় নেতৃত্ব দেন।

বিজ্ঞাপন

২০২৪-এর জুলাইয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হলে ছাত্রদের সাথে আন্দোলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোকে ছাত্র আন্দোলনের সাথে যুক্ত রাখতে সমন্বয় করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক দলের পক্ষের কর্মসূচিতেও নেতৃত্ব দান করেন। ছাত্র-জনতার সম্মিলিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম রাজনৈতিক নেতা হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

ইমরান ইমন বাংলাদেশের আলোচিত শিক্ষায় ভ্যাট বিরোধী আন্দোলন (No VAT on Education) এর অন্যতম একজন সংগঠক।

২০১৩ সালের তিনি প্রথম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আসুন পরিবর্তনের রাজনীতি করি’ আহ্বান করে সুস্থ রাজনৈতিক চিন্তার মানুষদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। এর মাধ্যমেই তাঁরা নতুনভাবে রাজনৈতিক পথ চলা শুরু হয়। এরপর তিনি অংশ নেন Peoples Power Movement এর সাথে, যা পরবর্তীতে রাষ্ট্রচিন্তা নামে কার্যক্রম শুরু করে।

রাষ্ট্রচিন্তা প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের রাজনীতি প্রচারের জন্য তিনি দেশব্যাপী সফর শুরু করেন। একই সাথে বাংলাদেশে তৎকালীন চলমান প্রায় সকল আন্দোলন সংগ্রাম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নেন।

২০১৮ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলন জোরালোভাবে শুরু হলে তিনি ‘উদ্বিগ্ন অভিভাবক ও নাগরিক সমাজ’ এর ব্যানারে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে সংগঠিত করার উদ্যোগ নেন। একইভাবে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলন, গাইবান্ধার আদিবাসীদের ভূমি উদ্ধার আন্দোলন, চুনারুঘাটের চা শ্রমিকের আন্দোলনসহ বিভিন্ন আন্দোলনের সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন।

২০১৮ সালে ভয়ংকর কারচুপির জাতীয় নির্বাচনের পরে রাষ্ট্রচিন্তা আন্দোলনের মাঠে ভাসানী অনুসারী পরিষদ, ছাত্র-যুব অধিকার পরিষদ ও গণসংহতি আন্দোলনের সাথে যৌথভাবে কাজ শুরু করলে রাষ্ট্রচিন্তার প্রতিনিধি হিসেবে যুব অধিকার পরিষদের প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম আহ্বায়কের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রচিন্তার অ্যাক্টিভিস্টদের উদ্যোগে নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগ নেওয়া হলে তিনি যুব অধিকার পরিষদ ছেড়ে পুনরায় রাষ্ট্রচিন্তার দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন