গোপালগঞ্জে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি জেপিবির

গোপালগঞ্জে এনসিপি নেতাদের ওপর হামলাকারীদের গ্রেপ্তার দাবি জেপিবির

গোপালগঞ্জে এনসিপি নেতাদের ওপর আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছেন জনতা পার্টি বাংলাদেশ (জেপিবি)। বৃহস্পতিবার ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পার্টির নেতারা বলেন, অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন পার্টির নির্বাহী চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার মিলন, মহাসচিব শওকত মাহমুদ, ভাইস চেয়ারম্যান রফিকুল হক হাফিজ, অ্যাডভোকেট এ বি এম ওয়ালিউর রহমান খান, রেহানা সালাম, অ্যাডভোকেট এম আব্দুল্লাহ, মেজর (অব) ইমরান, এম এ ইউসুফ, উপদেষ্টা শাহ মো. আবু জাফর, মেজর (অব) মুজিব, মোজাম্মেল হক, যুগ্ম মহাসচিব রফিকুল হক তালুকদার রাজা, সমন্বয়কারী নুরুল কাদের সোহেল, যুগ্ম মহাসচিব ইকবাল কবির,শিউলি সুলতানা রুবি, সাংগঠনিক সম্পাদক ফেরদৌসী মাহমুদ, মুরাদ আহমেদ, ডা. মো. মাসুদুজ্জামান, আবু সুফিয়ান, দপ্তর সম্পাদক মৃধা মোহাম্মদ আল-আমিন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার মো. সোলায়মান, সদস্য এস কে রোমা, নাজমুল হাসান লিমন, মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর লিটন এরশাদ।

সংবাদ সম্মেলনে পার্টির নেতারা বলেন, ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে খুনি ফ্যাসিবাদী হাসিনার সরকার তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে এবং পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। ছাত্র-জনতার প্রবল রোষে ভীত-সম্রস্ত স্বৈরাচারীরা আবু সাঈদ-ওয়াসিম, মুগ্ধসহ অকুতোভয় প্রায় ২ হাজার বিপ্লবী ছাত্রজনতা খুন হয়েছিল। হতাহতের সংখ্যা আরও কয়েক হাজার। একাত্তরের ঐতিহাসিক স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশের ইতিহাসে সব চাইতে সুকঠিন, রক্তাক্ত এবং দুর্গার জনগণ সমর্থিত এমন আন্দোলন গোটা বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছে। সেইসব শহীদ, হতাহত এবং যোদ্ধাদের স্মৃতির প্রতি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা এবং অভিবাদন।

নেতারা আরো বলেন, জাতি যখন বর্ষপূর্তি পালনে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে জুলাই শহীদদের, তখনি পতিত স্বৈরাচারের নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের পক্ষথেকে কোন ক্ষমা প্রার্থনা কিংবা অনুশোচনা প্রকাশের পরিবর্তে তারাই আবার শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ও সমাবেশের উপর অতর্কিত হামলা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে, যা এখন ক্ষমার অযোগ্য। তাই অনতিবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরকে আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে।

নেতারা বলেন, জনতা পার্টি বাংলাদেশ একটি জাতীয় রাজনৈতিক মেলবন্ধনের মধ্য দিয়ে 'জুলাই সনদ' চায়। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন চাই। কিছু মৌলিক সংস্কার, ফ্যাসিবাদীদের দৃশ্যমান বিচার, মব ভায়োলেন্স ও নারী শিশুর প্রতি সহিংসতার অবসান, হাট-বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো দলীয় দখলদারির ও চাঁদাবাজদের অবসান চাই। ভোটের লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ছাড়া নির্বাচন হলে তা জাতীয় সংকটকে মোচন করা তো দূরের কথা বরং আরেক অনিশ্চয়তাপূর্ণ ভবিষ্যৎ আরো আন্দোলনের আশঙ্কা দৃশ্যমান হতে পারে।

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন