শুরুতেই ছোট একটা পরিসংখ্যান। ২০২৩ বিশ্বকাপের পর আর চ্যাম্পিয়নস ট্রফির আগে- এই মাঝের সময়ে সমান ১২টি করে ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। দুদলই ৮টি করে ম্যাচ জিতেছে। দুদলের হারের রেকর্ডও সমান ৪টি করে। বিশ্বকাপের পর দুটি দল বেশ ধারাবাহিক পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। সেরা ছন্দে থেকেই চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মিশনে নামছে নিউজিল্যান্ড। ক’দিন আগে পাকিস্তানের মাটিতে অপরাজিত থেকে ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কিউইরা। এ সিরিজে পাকিস্তানকে দুবার হারায় তারা। শুধু তাই নয়, ২০১৯ সালের পর থেকে পাকিস্তানে সফরকারী দলগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ১১টি ম্যাচ খেলেছে নিউজিল্যান্ড। সব মিলিয়ে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে পাকিস্তানের জন্য প্রবল প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড দলটি। টুর্নামেন্টের শুরুতেই বড় পরীক্ষার মুখে পাকিস্তান। আজ বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায় এই দুদলের ম্যাচ দিয়েই শুরু হবে চ্যাম্পিয়নস লিগের মাঠের যুদ্ধ।
২৯ বছর পর আইসিসির প্রথম কোনো টুর্নামেন্টের আয়োজক হয়ে খেলছে পাকিস্তান। এর চেয়ে বড় কথা, চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নও তারা। ঘরের মাঠ, চেনা কন্ডিশন, পরিচিত দর্শক- এসব কিছু মিলে এবারও টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের রেসে ফেভারিট পাকিস্তান দলটি। বিশ্বকাপের পর টানা তিনটি ওয়ানডে সিরিজ জিতে যে আত্মবিশ্বাসের পুঁজি পেয়েছে পাকিস্তানিরা, সেটি কাজে লাগিয়ে টুর্নামেন্টে শিরোপা ধরে রাখতে চাইবে তারা। গত আসরে খেলা বাবর আজম, ফখর জামান ও ফাহিম আশরাফরা এবারও খেলছেন। তাদের সঙ্গে তরুণরাও বেশ সম্ভাবনাময়। যদিও ইনজুরির কারণে টপ অর্ডার ব্যাটার সাইম আইয়ুবকে পাচ্ছে না পাকিস্তান। তাদের বড় শক্তির জায়গা পেস বোলিং অ্যাটাক। শাহিন আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও মোহাম্মদ হাসনাইনরা যে কোনো ব্যাটিং লাইনআপকে ধসিয়ে দিতে পারেন।
এদিকে, চ্যাম্পিয়নস ট্রফি শুরুর আগেই লকি ফার্গুসনকে হারাল নিউজিল্যান্ড। পায়ের ইনজুরির কারণে খেলতে পারছেন না এই পেসার। তার পরিবর্তে দলে জায়গা করে নেন কাইল জেমিসন। বোলিংয়ের প্রধান ‘অস্ত্র’ ফার্গুসনের অনুপস্থিতিতে কিউই পেস অ্যাটাকের ভরসা উইলিয়াম ও’রুর্ক, ম্যাট হেনরিরা। তাদের ব্যাটিংয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন অভিজ্ঞ কেন উইলিয়ামসন। নিউজিল্যান্ডের আট নম্বর ব্যাটার পর্যন্ত ব্যাটিংয়ে পারদর্শী। রাচিন রবীন্দ্র ও ড্যারিল মিচেলকে বিবেচনায় নিলে ৮ জন বোলারও তাদের। ফলে দারুণ ব্যালেন্সড দল নিউজিল্যান্ড। মাঠে রুদ্ররূপ ধারণ করতে পারে দলটি। তবে অতীত রেকর্ডে পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়ে তারা। এ পর্যন্ত দুদল মোট ১১৮টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলেছে। এর মধ্যে ৬১টি ম্যাচে পাকিস্তান এবং ৫৩টিতে জিতেছে নিউজিল্যান্ড। একটি ম্যাচ টাই হয়েছে। বাকি তিনটি ম্যাচের ফল হয়নি। সর্বশেষ পাঁচ ম্যাচের মধ্যে পাকিস্তানের জয় ২টি এবং নিউজিল্যান্ড জিতেছে ৩টি ম্যাচে। এবার রেকর্ড আরো সমৃদ্ধ করার পালা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

