প্রথমার্ধে লিড নিয়েও চ্যাম্পিয়নস লিগে ম্যানসিটি হারল প্রায় সাত বছর বাদে। সর্বশেষ ইংলিশ জায়ান্ট ক্লাবটি বিরতির আগে এগিয়ে গিয়েও হার মেনেছিল ২০১৮ সালের এপ্রিলে, লিভারপুলের কাছে। তারপর টানা ৩২ ম্যাচে (২৯ জয়, ৩ ড্র) অজেয় ছিল গার্দিওলার ক্লাব। আর নিজেদের মাঠে দুবার লিড নিয়েও প্রথমবারের মতো ইউরোপিয়ান ফুটবলের এ এলিট আসরে হার মানল সিটি। সব মিলিয়ে এভাবে হারল তৃতীয়বার। মজার ব্যাপার হচ্ছে, তিনবারই রিয়ালের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে তারা।
ম্যাচের ফল ছাপিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে একটি তিফো নিয়ে। দৈত্যাকৃতির সেই কালো ব্যানার দেখে সবার চোখ তো রীতিমতো চড়ক গাছ হওয়ার জোগাড়! যার এক পাশে ছিল ব্যালন ডি’অর ট্রফিতে রদ্রির চুমু খাওয়ার ছবি; অন্য পাশে হলুদ রঙের বড় বড় অক্ষরে লেখা ‘স্টপ ক্রাইং ইউর হার্ট আউট’। এ কথার অর্থ দাঁড়ায় এমন- কান্নাকাটি করে বুক ভাসিও না। গত অক্টোবরে ফেভারিট ভিনিকে হতাশ করে ব্যালন ডি’অর ছিনিয়ে নেন রদ্রি। এ নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি। এবার অবশ্যই বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় যে, ভিনিসিয়ুসকে খোঁচা দিতেই সিটির সমর্থকদের এই কর্মযজ্ঞ। এটা করে লাভ হয়নি। বরং সেটা বুমেরাং হয়ে দাঁড়িয়েছে ইতেহাদ শিবিরের জন্য। ভিনি উল্টো আরও তেতো হয়ে উঠেছেন মাঠের লড়াইয়ে।
লড়াই শেষে মুভিস্টারকে ভিনিসিয়ুস নিজেও বললেন তেমনটা, ‘ব্যানারটি দেখেছি। প্রতিপক্ষ সমর্থকরা এমন কিছু করলে সেগুলো আমাকে ভালো খেলার জন্য আরও বেশি করে শক্তির জোগান দেয় এবং এখানে আমি সেটাই করেছি।’
দুবার এগিয়ে গিয়েও জয়ের দেখা পায়নি সিটি। তাই কোচ গার্দিওলার কণ্ঠে ঝরল হতাশার সুর, ‘এ পরিস্থিতি কীভাবে সামলাতে হবে, দলকে তা বোঝানোর মতো যথেষ্ট যোগ্যতা আমার নেই। সত্যটা হলো, আমরা যথেষ্ট অটল নই। এমনটা বহুবার ঘটেছে। ২-১ গোলে এগিয়ে থাকার পর যেটা ঘটেছে, সেটা এ মৌসুমে ফেইনুর্দ, স্পোর্টিং লিসবন, ব্রেন্টফোর্ড, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষেও ঘটেছে। শেষদিকে আমরা হাল ছেড়ে দিয়েছি এবং এটাই প্রথমবার নয়।’
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

