এই ম্যাচ মর্যাদা পেয়েছে অলিখিত সেমিফাইনাল হিসেবে। জিতলেই তিন জাতি টুর্নামেন্টের ফাইনাল আর হারলেই বিদায়। ফাইনালে ওঠার এমন সমীকরণের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিংয়ে যা করেছে, তাতেই অনেকে ধরেই নিয়েছিল তারা ফাইনালের টিকিট কেটেই ফেলেছে। ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ৩৫২ রান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর।
এই ম্যাচ মর্যাদা পেয়েছে অলিখিত সেমিফাইনাল হিসেবে। জিতলেই তিন জাতি টুর্নামেন্টের ফাইনাল আর হারলেই বিদায়। ফাইনালে ওঠার এমন সমীকরণের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিংয়ে যা করেছে, তাতেই অনেকে ধরেই নিয়েছিল তারা ফাইনালের টিকিট কেটেই ফেলেছে। ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ৩৫২ রান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর।
এই ম্যাচ মর্যাদা পেয়েছে অলিখিত সেমিফাইনাল হিসেবে। জিতলেই তিন জাতি টুর্নামেন্টের ফাইনাল আর হারলেই বিদায়। ফাইনালে ওঠার এমন সমীকরণের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিংয়ে যা করেছে, তাতেই অনেকে ধরেই নিয়েছিল তারা ফাইনালের টিকিট কেটেই ফেলেছে। ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ৩৫২ রান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। এই ম্যাচ মর্যাদা পেয়েছে অলিখিত সেমিফাইনাল হিসেবে। জিতলেই তিন জাতি টুর্নামেন্টের ফাইনাল আর হারলেই বিদায়। ফাইনালে ওঠার এমন সমীকরণের ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাটিংয়ে যা করেছে, তাতেই অনেকে ধরেই নিয়েছিল তারা ফাইনালের টিকিট কেটেই ফেলেছে। ৫০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ৩৫২ রান। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়ানডেতে এটি দক্ষিণ আফ্রিকার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর।
কিন্তু বাস্তবে তেমন কিছু হয়নি। মোহাম্মদ রিজওয়ান (১২২*) ও সালমান আগা (১৩৪) হাঁকালেন দুর্দান্ত দুটি সেঞ্চুরি। চতুর্থ উইকেটে দুজনের ২৬০ রানের রেকর্ড পার্টনারশিপের ওপর ভর করে ৬ উইকেটের বড় জয়ে ফাইনালে নাম লিখল পাকিস্তান (৩৫৫/৪)। রান তাড়ায় এটি পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় জয়ের রেকর্ড। শুক্রবার শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ড। আর হেরে বিদায় নিল প্রোটিয়ারা।
অবাক করার বিষয় হলো, করাচিতে দক্ষিণ আফ্রিকার এত বড় রানের স্কোরে কারো কোনো সেঞ্চুরি নেই। হাফ সেঞ্চুরি হলো তিনটি। শুরুর চার ব্যাটারের মধ্যে তিনজনই এই হাফ সেঞ্চুরি করলেন। অধিনায়ক কাম ওপেনার টেন্ডা বাভুমা ৯৬ বলে খেললেন ৮২ রানের ইনিংস। ওয়ানডাউনে নামা ম্যাথু ব্রিজকে প্রথম ম্যাচের মতো এ ম্যাচেও দুর্দান্ত ব্যাটিং করলেন। ৮৪ বলে তার ব্যাট হাসল ৮৩ রানে। অভিষেকে ১৫০ রান তুলে রেকর্ড গড়েছিলেন ব্রিজকে। হেনরিক ক্লাসেন আগের দিনই দলের সঙ্গে যোগ দিয়ে এ ম্যাচে খেলতে নেমেই ঝড় তুললেন। ৩ ছক্কা ও ১১ বাউন্ডারিতে ৫৬ বলে ক্লাসেন করেন ৮৭ রান। শেষদিকে কাইল ভ্যারেনে ৩২ বলে অপরাজিত ৪৪ রান করে দলের স্কোরকে নিয়ে গেলেন সাড়ে ৩০০’র ওপরে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে টেন্ডা বাভুমা ও ম্যাথু ব্রিজকে ১২৫ বলে ১১৯ রান যোগ করেন।
শেষের ১০ ওভারে দক্ষিণ আফ্রিকা ব্যাট হাতে রানের বন্যা বইয়ে দেয়। পাকিস্তানের বোলিংকে মামুলি বানিয়ে শেষের এই ১০ ওভারে তারা তুলে নেয় ১১০ রান!
সংক্ষিপ্ত স্কোর
দক্ষিণ আফ্রিকা : ৩৫২/৫, ৫০ ওভার (বাভুমা ৮২, ব্রিজকে ৮৩, ক্লাসেন ৮৭, ভ্যারেনে ৪৪* ও শাহিন শাহ আফ্রিদি ২/৬৬)।
পাকিস্তান : ৩৫৫/৪ (সালমান ১৩৪, রিজওয়ান ১২২*, ফকর ৪১, বাবর ২৩; মুল্ডার ২/৭৯)।
ফল : পাকিস্তান ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : সালমান আগা।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

