ফুটবলার হিসেবে বিদেশি লিগে খেলার ইচ্ছা তাদের অনেক দিনের। অবশেষে সেই স্বপ্ন পূরণ হতে যাচ্ছে গোলরক্ষক রুপনা চাকমা ও ডিফেন্ডার মাসুরা পারভীনের। ভুটানের লিগে ট্রান্সপোর্ট ইউনাইটেডে খেলার জন্য দুজনকে ছাড়পত্র দিয়েছে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)। বিদ্রোহ করা ১৮ নারী খেলোয়াড়ের মধ্যে ছিলেন রুপনা ও মাসুরাও।
রক্ষণভাগের তারকা মাসুরা পারভীন বলেন, ‘আমার ও রুপনার ভুটানের ট্রান্সপোর্ট ইউনাইটেডের হয়ে খেলার কথা রয়েছে। ফেডারেশন আমাদের ছাড়পত্র দিয়েছে। আমাদের ক্লাব নাসরিন এফসি ও ফেডারেশনের কাগজপত্র এরই মধ্যে পাঠানো হয়েছে ভুটানে। সাধারণ সম্পাদক (ইমরান হোসেন তুষার) আমাদের সহায়তা করেছেন এই বিষয়ে।’
ভুটানের নারী লিগে খেলতে আশাবাদী মাসুরা সঙ্গে যোগ করেন, ‘এপ্রিলে লিগ শুরু হওয়ার কথা। আমাদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। আশা করি, সব ঠিক থাকলে খেলতে পারব। আমাদের এই দল পাওয়ার ক্ষেত্রে সাবিনা আপু (অধিনায়ক সাবিনা খাতুন) সাহায্য করেছেন।’
বাফুফের নারী উইংয়ের চেয়ারম্যান মাহফুজা আক্তার কিরণ মাসুরা-রুপনাকে অনাপত্তিপত্র দেওয়া নিয়ে বলেন, ‘ছুটিতে যাওয়ার আগে মাসুরা অনুরোধ করেছিল। বিদেশের ক্লাবে খেলে আসলে ওরা উৎসাহিত হবে। এজন্য দুজনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে।’
খবরটি নিশ্চিত করে বাফুফের সহসভাপতি ফাহাদ করিম বলেন, ‘মাসুরা ও রুপনার ব্যাপারে ইতিবাচক সাড়াই দিয়েছি আমরা। ভুটান প্রথমে এই দুজনকে চায়। আমরা বলেছি, ঠিক আছে। পরে ওরা স্ট্রাইকার চায়। তবে এখনো কোনো নাম দেয়নি আমাদের কাছে।’
আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে ভুটানের নারী লিগ মাঠে গড়ানোর কথা। প্রায় ছয় মাস ধরে চলবে এই লিগ। রুপনা-মাসুরার ঈদের আগেই থিম্পুতে পা রাখার কথা রয়েছে। তা না হলে ঈদের পরপরই দেশটির উদ্দেশে উড়ান দেবেন দুজনে। ভুটানের লিগ চলাকালে এই দুই ফুটবলার জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাক পেলে ফিরে আসবেন ঢাকায়।
এর আগে সাবিনা খাতুন মালদ্বীপ ও ভারতের ঘরোয়া নারী লিগে খেলে এসেছেন এর আগে। কলকাতা ইস্ট বেঙ্গলের জার্সিতে মাঠে নেমেছেন সানজিদা আক্তার। গত আগস্টে ভুটানের ক্লাব রয়েল থিম্পু কলেজ এফসির হয়ে খেলেছেন সাবিনা খাতুন, ঋতুপর্ণা, মারিয়া মান্দা ও মনিকা চাকমা। ভুটানের ক্লাবটির প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন তারা এএফসি উইমেনস চ্যাম্পিয়নস লিগে।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

