বল হাতে স্পিন বিষ ছড়িয়েছেন তরুণ স্পিনার নূর আহমদ। তাতে নীল হয়ে একে একে সাজঘরে ফিরেছেন প্রতিপক্ষের পাঁচ ব্যাটসম্যানরা। তার দুর্দান্ত ফাইফারের মুখে পড়ে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে জিম্বাবুয়ে। মাত্র ৭৯ রানে প্রতিপক্ষকে গুটিয়ে দিয়ে ৭ উইকেটের অনায়াস এক জয় তুলে নিয়েছে আফগানিস্তান। তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ৩-০ তে হোয়াইটওয়াশ করল আফগানরা।
ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক। শারজাহর উইকেটে শুরু থেকেই জিম্বাবুয়ের ব্যাটারদের ওপর চড়াও হন আফগান বোলাররা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে ১৪.৩ ওভারে মাত্র ৭৯ রানে অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।
২৯ বলে ৫ চারে দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩০ রান করেন রায়ান বার্ল। এছাড়া ওয়েসলি মাধেভেরে দলীয় স্কোরে ১০ রান; বাকি ব্যাটাররা দুই অংকের ঘরেও পৌঁছাতে পারেননি।
আফগানিস্তানের সফলতম বোলার ছিলেন নূর আহমদ। মাত্র ৩.৩ ওভার বোলিং করে মাত্র ১৩ রান খরচ করে তুলে নেন ৫ উইকেট। এছাড়া আবদুল্লাহ তারাকখাইল ২ এবং ফজলহক ফারুকি, আজমতুল্লাহ ওমরজাই ও আবদুল্লাহ আহমদজাই ১টি করে উইকেট শিকার করেন।
জিম্বাবুয়ের দেওয়া ৮০ রানের ছোট লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল আফগানিস্তান। ৭১ বল বাকি থাকতেই ৩ উইকেট হারিয়ে জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানরা।
দলের হয়ে ১৭ বলে ৪ বাউন্ডারিতে সর্বোচ্চ ২৫ রান করে অপরাজিত থেকে যান ওপেনার ইব্রাহিম জাদরান। এছাড়া সিদ্দিকউল্লাহ অটল ২০ এবং ওয়ানডাউনে নামা ওয়াসিম আকরাম মাত্র ৫ বলে ৩ বাউন্ডারিতে ১৪ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। জিম্বাবুয়ের জার্সিতে আর্নেস্ট মাসুকু দুটি এবং ব্লেসিং মুজারাবানি একটি উইকেট শিকার করলেও হার এড়াতে পারেনি আফ্রিকান দলটি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
জিম্বাবুয়ে : ৭৯/১০, ১৪.৩ ওভার (বার্ল ৩০, মাধেভেরে ১০; নূর ৫/১৩ ও তারাকখাইল ২/১৪)।
আফগানিস্তান : ৮১/৩, ৮.১ ওভার (ইব্রাহিম ২৫, অটল ২০, ওয়াসিম ১৪; মাসুকু ২/২১)।
ফল : আফগানিস্তান ৭ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা : নূর আহমদ।
সিরিজ সেরা : আজমতউল্লাহ ওমরজাই।
আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন

