মুক্তির পথ কোথায়?

মুক্তির পথ কোথায়?

সমাধান রাতারাতি আসবে না। তবে পথ পরিষ্কার।

প্রথমত, ঘরোয়া ক্রিকেটের উইকেট বদলাতে হবে। পেসারদের জন্য সহায়ক উইকেট তৈরি করতে হবে। ব্যাটারদের নিয়মিত ১৩৫ কিলোমিটার গতির বলের মুখোমুখি হতে হবে।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয়ত, বিদেশ সফরের আগে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে হবে। দুই-তিনদিনের আনুষ্ঠানিক ক্যাম্প দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনের প্রস্তুতি হয় না। সফরের অন্তত কয়েক সপ্তাহ আগে সেখানে গিয়ে অনুশীলন ও ম্যাচ খেলার সুযোগ দরকার।

তৃতীয়ত, এখন থেকেই মানসম্পন্ন পেসার তৈরি করতে হবে। শুধু একজন নাহিদ রানা বা তাসকিন আহমেদের ওপর নির্ভর করে টেস্ট আক্রমণ দাঁড় করানো যাবে না। একসঙ্গে চার-পাঁচজন আন্তর্জাতিক মানের পেসার তৈরি করতে হবে।

চতুর্থত, ব্যাটারদের টেকনিক্যাল প্রস্তুতিতে পরিবর্তন দরকার। বিদেশে রান করার চেয়ে আগে দরকার উইকেটে থাকার দক্ষতা। বল ছেড়ে দেওয়া, শরীরের কাছে বল সামলানো, বাউন্সের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া, নতুন বলের প্রথম স্পেল পার করা, এগুলোকে প্রশিক্ষণের কেন্দ্রে আনতে হবে।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, বিদেশ সফরকে পর্যটন নয়, প্রকল্প হিসেবে দেখতে হবে।

বিদেশের মাটিতে টেস্টে মুক্তির পথ খোঁজার এই উপায় যে বাংলাদেশ জানে না, এমনকিছুও নয় কিন্তু। আসলে সমস্যা তো অন্যত্র, জানার নাম মানা নয়; মানার নাম জানা!

Google News Icon

আমার দেশের খবর পেতে গুগল নিউজ চ্যানেল ফলো করুন